Wednesday, 6 April 2022

জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য। উইলিয়াম ওয়ার্ডস‌ওয়ার্থ। (William Wordsworth) ০৭.০৪.২০২২. Vol -698. The blogger in literature e-magazine

উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ (William Wordsworth)

"We have hills which, seen from a distance almost take the character of mountains, some cultivated nearly to their summits, others in their wild state covered with furze and broom. These delight me the most as they remind me of our native wilds."

The second of five children born to John Wordsworth and Ann Cookson, William Wordsworth was born on 7 April 1770 in what is now named Wordsworth House in Cockermouth, Cumberland, (now in Cumbria), part of the scenic region in northwestern England known as the Lake District. William's sister, the poet and diarist Dorothy Wordsworth, to whom he was close all his life, was born the following year, and the two were baptised together. They had three other siblings: Richard, the eldest, who became a lawyer; John, born after Dorothy, who went to sea and died in 1805 when the ship of which he was captain, the Earl of Abergavenny, was wrecked off the south coast of England; and Christopher, the youngest, who entered the Church and rose to be Master of Trinity College, Cambridge.

1770 সালে 7 April  কুমারউথ, কুম্ব্রিয়া, উত্তর পশ্চিম ইংল্যান্ডের সুন্দর পাহাড়ী অঞ্চল, লেক ডিস্ট্রিক্ট নামে পরিচিত। তিনি পাঁচ সন্তানের দ্বিতীয় সন্তান ছিলেন, 8 বছর বয়সে তাঁর মা মারা যাওয়ার পর হকসহেড গ্রামার স্কুলে পাঠানো হয়েছিল। পাঁচ বছর পর তাঁর পিতা মারা যান এবং শিশুদের বিভিন্ন আত্মীয়দের সাথে বসবাস করার জন্য পাঠানো হয়। তার অনাথ ভাইবোনদের থেকে বিচ্ছেদ একটি গুরুতর মানসিক পরীক্ষা ছিল, এবং প্রাপ্তবয়স্কদের সাথে পুনরায় মিলিত হওয়ার পর, উইলিয়াম এবং তার বোন ডোরথি তাদের বাকি জীবনের জন্য একসাথে বসবাস করতেন। 1787 সালে, উইলিয়াম তার মামার সহায়তায় সেন্ট জনস কলেজ, ক্যামব্রিজে পড়াশোনা শুরু করেন। স্ত্রী: ম্যারি হাচিনসন (বিবাহ. ১৮০২–১৮৫০) সন্তান: ডোরা ওয়ার্ডসওয়ার্থ, ক্যাথরিন ওয়ার্ডসওয়ার্থ, উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ, আরও বেশি. বাবা ও মা: জন ওয়ার্ডসওয়ার্থ, অ্যান কুকসন ওয়ার্ডসওয়ার্থ

ফ্রান্সে প্রেম এবং বিপ্লব
যদিও তিনি এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন, ওয়ার্ডসওয়ার্থ তার বিপ্লবী সময়ের (1790) সময় ফ্রান্স সফর করেন এবং তার বিরোধী-অভিজাত, প্রজাতন্ত্রীয় আদর্শের প্রভাবের অধীনে এসেছিলেন। পরের বছর স্নাতক করার পর, তিনি আল্পসের হাঁটার সফর এবং ফ্রান্সের আরও ভ্রমণের জন্য ইউরোপীয় মহাদেশে ফিরে আসেন, যার সময় তিনি ফরাসি মেয়ে আনােট ভ্যালনের সাথে প্রেমে পড়েছিলেন।

ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের মধ্যকার রাজনৈতিক সমস্যাগুলি হ'ল ওয়ার্ডসওয়ার্থ পরবর্তী বছর ইংল্যান্ডে ফিরে আসার আগে, অ্যান্টেটি তার অবৈধ মেয়ে ক্যাথারিনকে জন্ম দেয়, যাকে তিনি 10 বছর পর ফ্রান্সে ফিরে আসেননি সে পর্যন্ত তিনি দেখতে পাননি.
ওয়ার্ডসওয়ার্থ এবং কোলরিজ
ফ্রান্স থেকে ফিরে আসার পর, ওয়ার্ডসওয়ার্থ মানসিকভাবে এবং আর্থিকভাবে ভোগ করে, কিন্তু তার প্রথম বই প্রকাশ করেন, একটি সান্ধ্য হাঁটা এবং বর্ণনামূলক স্কেচ 1793 সালে।

1795 সালে তিনি তার ছোট বোন ডোরথির সাথে ডরসেটে বসতি স্থাপন করেন এবং স্যামুয়েল টেলর কলিরিজের সাথে তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুত্ব শুরু করেন। 1797 সালে তিনি এবং ডোরথি কোলরিজের কাছাকাছি হতে সোমারসেটে চলে যান।তাদের সংলাপ (সত্যিই "ট্রায়ালগ" - ডোরথিও তার ধারণাগুলিও অবদান রেখেছিলেন) কবি এবং দার্শনিকভাবে ফলপ্রসূ ছিল, যার ফলে তাদের যৌথ প্রকাশ গানাত্মক Ballads (1798); তার প্রভাবশালী প্রফেসর কবিতা রোমান্টিক তত্ত্ব রূপরেখা।

লেক জেলা
ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কোলরিজ এবং ডোরথি প্রকাশনার পর শীতকালে জার্মানিতে ভ্রমণ করেন গানাত্মক Ballads , এবং ইংল্যান্ডে ফিরে আসার পর ওয়ার্ডসওয়ার্থ এবং তার বোন লেক জেলার গ্রাসমিরে ডোভ কুটিরে বসতি স্থাপন করেন। এখানে তিনি রবার্ট সাউথির প্রতিবেশী ছিলেন, যিনি 1843 সালে ওয়ার্ডসওয়ার্থের নিযুক্ত হওয়ার আগে ইংল্যান্ডের কবি বিজয়ী ছিলেন। এখানেও তিনি তাঁর প্রিয় কবিতাগুলিতে ছিলেন, তাঁর অনেক কবিতায় অমর হয়েছিলেন।

ওয়ার্ডসওয়ার্থ এর সর্বশ্রেষ্ঠ কাজ, প্রলড , একটি দীর্ঘ, আত্মজীবনীমূলক কবিতা যা তার প্রথমতম সংস্করণে ছিল "কলারিজের কবিতা" হিসাবে পরিচিত। ওয়াল্ট হুইটম্যানের মতো ঘাস পাতা , এটি একটি কাজ যা কবি তার দীর্ঘ জীবনের বেশিরভাগ সময়ে কাজ করতেন। অসদৃশ ঘাস পাতা , প্রলড তার লেখক বসবাস যখন প্রকাশিত হয় নি।

works 

Main article: List of poems by William Wordsworth
Lyrical Ballads, with a Few Other Poems (1798)
"Simon Lee"
"We are Seven"
"Lines Written in Early Spring"
"Expostulation and Reply"
"The Tables Turned"
"The Thorn"
"Lines Composed A Few Miles above Tintern Abbey"
Lyrical Ballads, with Other Poems (1800)[dubious – discuss]
Preface to the Lyrical Ballads
"Strange fits of passion have I known"[41]
"She Dwelt among the Untrodden Ways"[41]
"Three years she grew"[41]
"A Slumber Did my Spirit Seal"[41]
"I travelled among unknown men"[41]
"Lucy Gray"
"The Two April Mornings"
"Nutting"
"The Ruined Cottage"
"Michael"
"The Kitten at Play"
Poems, in Two Volumes (1807)
"Resolution and Independence"
"I Wandered Lonely as a Cloud" Also known as "Daffodils"
"My Heart Leaps Up"
"Ode: Intimations of Immortality"
"Ode to Duty"
"The Solitary Reaper"
"Elegiac Stanzas"
"Composed upon Westminster Bridge, September 3, 1802"
"London, 1802"
"The World Is Too Much with Us"
"French Revolution" (1810)[42]
Guide to the Lakes (1810)
"To the Cuckoo"
The Excursion (1814)
Laodamia (1815, 1845)
The White Doe of Rylstone (1815)
Peter Bell (1819)
Ecclesiastical Sonnets (1822)
The Prelude (1850)


Wordsworth's youthful political radicalism, unlike Coleridge's, never led him to rebel against his religious upbringing. He remarked in 1812 that he was willing to shed his blood for the established Church of England, reflected in his Ecclesiastical Sketches of 1822. This religious conservatism also colours The Excursion (1814), a long poem that became extremely popular during the nineteenth century. It features three central characters: the Wanderer; the Solitary, who has experienced the hopes and miseries of the French Revolution; and the Pastor, who dominates the last third of the poem.


মৃত্যু  ২৩ এপ্রিল ১৮৫০ (বয়স ৮০)
কাম্বারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য. 

ওয়ার্ডসওয়ার্থ এবং স্যামুয়েল টেলর কলরিজ উভয়ে মিলে ইংরেজি সাহিত্যে একটি রোমান্টিক ধারার সূত্রপাত করেন। তার স্ততিষ্টির মধ্যে অন্যতম হল দ্য প্রিলিউড। এটি মূলত একটি অর্ধ-জীবনীমূলক গ্রন্থ যা তার প্রারম্ভিক জীবনে লিখা হলেও মধ্য বয়সে তিনি বেশ কয়েকবার সংশোধন করেন। ওয়ার্ডসওয়ার্থের মৃত্যুর পর দ্য প্রিলিউড ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হয়। মূলত ইংরেজি সাহিত্যে রোমান্টিক ধারার প্রবর্তক হলেও উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ প্রকৃতির কবি হিসেবেই সর্বাধিক পরিচিত।

Wordsworth's philosophical allegiances as articulated in The Prelude and in such shorter works as "Lines written a few miles above Tintern Abbey" have been a source of critical debate. It was long supposed that Wordsworth relied chiefly on Coleridge for philosophical guidance, but more recently scholars have suggested that Wordsworth's ideas may have been formed years before he and Coleridge became friends in the mid-1790s. In particular, while he was in revolutionary Paris in 1792, the 22-year-old Wordsworth made the acquaintance of the mysterious traveller John "Walking" Stewart (1747–1822),[24] who was nearing the end of his thirty years of wandering, on foot, from Madras, India, through Persia and Arabia, across Africa and Europe, and up through the fledgling United States. By the time of their association, Stewart had published an ambitious work of original materialist philosophy entitled The Apocalypse of Nature (London, 1791), to which many of Wordsworth's philosophical sentiments may well be indebted.

In 1807 Wordsworth published Poems, in Two Volumes, including "Ode: Intimations of Immortality from Recollections of Early Childhood". Up to this point, Wordsworth was known only for Lyrical Ballads, and he hoped that this new collection would cement his reputation. Its reception was lukewarm, however.

In 1810, Wordsworth and Coleridge were estranged over the latter's opium addiction,[8] and in 1812, his son Thomas died at the age of 6, six months after the death of 3-year-old Catherine. The following year he received an appointment as Distributor of Stamps for Westmorland, and the stipend of £400 a year made him financially secure, albeit at the cost of political independence. In 1813, he and his family, including Dorothy, moved to Rydal Mount, Ambleside (between Grasmere and Rydal Water), where he spent the rest of his life.
=================================


Monday, 4 April 2022

জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য। গোলাম সামদানী কোরায়শী ০৫.০৪.২০২২. Vol -696. The blogger in literature e-magazine

গোলাম সামদানী কোরায়শী



ষাট বছরে পা রেখেছি যেই
অমনি ওরা বললো এসে, ‘মানুষ’ তুমি,
গলায় মালা দেবো তোমাকেই।
শুনে ওদের কথা
বুকের মাঝে প্রশ্ন হয়ে বাড়লো নীরবতা।

তাহলে কী পেরিয়ে অনেক গলি
ঝেরে ঝুরে পুরনো সব কথামালার থলি
যে মানুষের খোঁজে আমি এখনো পথ চলি
সেই মানুষই আছে আমার মাঝে?
ষাটটি বছর বৃথাই গেলো মানুষ খোঁজার কাজে?

বললো ওরা, নয় তা বৃথা নয়
মানুষ খোঁজো বলেই তোমার ‘মানুষ’ পরিচয়।
এই না বলে পরিয়ে দিলে মালা
মনে মনে বুঝতে পেলাম মানুষ হবার জ্বালা।

‘মানুষ’ সেতো পরশমণি ভাই
আমি আজো মানুষ খুঁজি তাই।
(মানুষ )


সাহিত্যিক-শিক্ষাবিদ গোলাম সামদানী কোরায়শী ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বীরআহাম্মদপুর গ্রামে জন্ম ৫ এপ্রিল ১৯২৯  - তার মাতুলালয়ে। নেত্রকোনার চন্দ্রনাথ হাই স্কুলে ছাত্র হিসেবে এক বছর পর ফিরে আসেন গৌরীপুরে; অতপর নেত্রকোনার মদন উপজেলার বাস্তায় মাদ্রাসা জীবন শুরু; ময়মনসিংহে ও ঢাকায় শিক্ষাগ্রহণ এবং টাইটেল ডিগ্রি লাভ; টাইটেলে তিনি মোমতাজুল মোহাদ্দেসীন এবং স্বর্ণপদক লাভ করেন। মাদ্রাসার ছাত্রজীবনে তিনি মাঠের রাখালের দায়িত্বও পালন করেন। শেষ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন; নিজেকে প্রস্তুত করে নেন মুক্তচিন্তার একজন মানুষ হিসেবে। মানুষের মুক্তিচিন্তায় জীবন উৎসর্গ করেন। ।পড়াশোনার হাতেখড়ি পরিবারে। তারপর ঘাটুরকোনা প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাঠালিয়া মিডল ইংলিশ স্কুল থেকে ১৯৩৫-৩৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রাথমিক পড়াশোনা শেষ করেন। এরপর ১৯৩৭–৪১ সাল পর্যন্ত লেখাপড়া করেন নেত্রকোণার চন্দ্রনাথ হাই স্কুল ও বীর আহাম্মদপুর হাই স্কুলে। এরপর ১৯৪৫-৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাস্তা জুনিয়র মাদ্রাসা (নেত্রকোণা) ও কাৎলাসেন মাদ্রাসায় পড়েন (ময়মনসিংহ)। কাৎলাসেন মাদ্রাসা থেকে ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দের আলিম ১ম শ্রেণিতে অষ্টম স্থান অধিকার করেন। ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ১৯৫২ সালে জামাতে উলা (ফাজিল) ১ম শ্রেণিতে তৃতীয় স্থান ও ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে এম. এ (কামিল) ১ম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এরপর তিনি বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করেন। ১৯৫৫-৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি নাসিরাবাদ ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (ময়মনসিংহ) থেকে আই. এ ১ম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করে বাংলায় ভর্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৯ বাংলায় (অনার্স) ২য় শ্রেণিতে পঞ্চম ও ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে এম. এ. বাংলা ২য় শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। সামরিক শিক্ষা (ইউ ও টি সি) ২০ দিনের মিলিটারি ট্রেনিং, বার্ষিক ক্যাম্প, ময়নামতি, কুমিল্লা (১৯৫৩) হাই মাদ্রাসা শিক্ষা অঙ্ক ও ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা (১৯৫৫) দেন।

কর্ম জীবন 
আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতে  ৩ বছর ধরে রাখাল (১৯৪২-৪৫) ছিলেন। তারপর ধানীখোলা বাজার, ঈদগাহ্‌ মাঠ মসজিদের ইমাম ছিলেন। তিনি ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে ধানীখোলা হাই মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। এরপর তিনি ড. মুঃ শহীদুল্লার সম্পাদনা সহকারী, পূর্ব পাকিস্তানের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান প্রকল্প ও পান্ডুলিপি ও সংকলন বিভাগ, বাংলা একাডেমীতে (১৯৬১-৬৮) কাজ করেন। বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে নাসিরাবাদ কলেজ, ময়মনসিংহ (১৯৬৮-৯১) যুক্ত ছিলেন।

সাহিত্য কর্ম 
অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী’র সাহিত্য কর্ম বিশাল। তার মৌলিক রচনার পাশাপাশি অনুবাদ ও সম্পাদনার পরিমাণ বিশাল।
প্রবন্ধ
আরবি সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, বাংলা একাডেমী,
সাহিত্য ও ঐতিহ্য (মুক্তধারা),
ইসলাম ও আমেরিকা, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী,
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ইসলাম,
আসামীর কাঠগড়ায়;
পিতৃভাষা,
ঐতিহ্য অন্বেষা।
এছাড়া সম্পাদকীয় উপ-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ হলোঃ আজকের বাংলাদেশ (অক্টোবর’৮৫ - জুন’৮৬), সপ্তাহে ৪টি, স্বনামে ও ছদ্মনামে, সাপ্তাহিক ময়মনসিংহ বার্তা, জেলা বোর্ড (১৯৭৮-৮৮)। এছাড়াও অসংখ্য প্রবন্ধ অগ্রন্থিত আকারে পত্র-পত্রিকা, সাময়িকী ও সংকলনে প্রকাশিত এবং অসংখ্য অপ্রকাশিত অরক্ষিত রয়েছে।

জীবনী ও আত্মজীবিনী 
ছোটদের দুদুমিয়া,
ছোটদের বঙ্গবন্ধু (শিশু একাডেমী১৯৯০)।
যখন একাকী,
দিনলিপি (১লা জৈষ্ঠ্য ১০ চৈত্র ১৩৮০),
সিন্ধুর এক বিন্দু,
শিক্ষা ও কর্ম জীবন, দুই খন্ড (১৯৮৩-৯০)।
উপন্যাস 
ষষ্ঠীমায়া (সেমেটিক মিথলজী ভিত্তিক রচনা, শুরু ১৯৭৯ অসম্পূর্ণ)
স্বর্গীয় অশ্রু (১৩৮০),
পুত্রোৎসর্গ (১৩৮১),
মহাপ্লাবন,
চন্দ্রাতপ(১৩৮৩) এগুলো তার সেমেটিক মিথলজী ভিত্তিক রচনা।
গল্প ও গল্প সংকলন 
শ্রী গোলের আত্মকাহিনী প্রথম গদ্য রচনা (১৯৪৩),
লেখার দোকান,
কালকেতু উপাখ্যান,
কারূণের উট,
শাদ্দাদের বেহেস্ত,
কাল নাগিনী,
কোরবাণী,
দুর্ভিক্ষ,
কল্পনা ও বাস্তব,
এক যে ছিল কুল গাছ,
একুশের কড়চা,
কান্না,
শয়তানের দোকন,
জ্ঞানের ঘাট,
বাঁশী,
জায়দার বাপের বেহেস্ত,
হজ্জ্ব,
অভিনেত্রী,
ভাগ্যরেখা,
রক্ত চোষার ফরিয়াদ,
থার্ড ক্লাশ,
বিসমিল্লাহ,
বিশ্বাসঘাতকতা,
সাধু,
দাদা ইত্যাদি।
গল্প সংকলন
আদি,
অভিসার,
নরম গরম,
দুই ভাই,
দুই বোন,
দুই মা,
দুই বন্ধু,
গল্প শুনো ,
মেঘলা রাতের কাব্য,
বুড়া ঘুমালো পাড়া জুরালো,
তিন দিন তিন রাত প্রভৃতি।
নাটক 
টুপিচোর,
আমাদের দেশ (নাটিকা),
গাধার কলজে,
সাতটি নক্‌শা,
সাপের ছোবল,
উটের মাংস,
শিয়ালের সাফাই, নাটিকা
সবুজ পাতা
ক্ষুধিত সিংহাসন,
হেমলক (নাটিকা), শেষের তিনটি শিশুতোষ নাটক।

উপন্যাস 
প্রদীপের নিচে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক (রচনা শুরু ১৯৮৩ - অসম্পূর্ণ)
দেব না জানন্তি নাগরিক উপন্যাস (১৯৮৫),
রূপ ও রূপা পারিবারিক উপন্যাস (অসম্পূর্ণ)।
সংলাপ সম্পূর্ণ সংলাপে রচিত (১৯৯১)
কামিনী উপাখ্যান।
কবিতা ও কবিতা সংকলন সম্পাদনা
খেয়ালের ঝুলি,
দুর্ঘটনা,
উটকোর জিভ,
বাদশাজাদা ও গল্পিকা (কিশোর কবিতা সংকলন),
মানুষ (১২টি সনেটের সংকলন)।
ছড়া 
গোবদা সাধুর কোর্তা (৩৮টি ছড়ার সংকলন),
ওলোট পালট,
আগডুম বাগডুম (ছড়া সংকলন) (১৩৯৭)।
গান
গান (২৫টি গানের সংকলন),
গানের খাতা (৪০টি গানের সংকলন)।
অনুবাদ সম্পাদনা
কালিলা ও দিমনা (বাংলা একাডেমী-১৯৬৫),
হেজাজের সওগাত,
মুঝে ভি শেকায়েত নেহী (জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র, ঢাকা-১৯৬৫),
ভেজাল নাটক (নাসিরাবাদ কলেজ বার্ষিকীতে প্রকাশিত-১৯৭৮),
আল-মুকাদ্দিমা (দুই খণ্ডে বাংলা একাডেমী প্রকাশিত ১৯৮১-৮২),
তারিখ-ই-ফিরোজশাহী (বাংলা একাডেমী প্রকাশিত ১৯৮২),
তোহ্‌ফা,
ফতেহাবাদের আউলিয়া কাহিনী,
অশাস্ত্রীয় পুরাণ,
শব্দার্শ অধ্যায়ন,
আমার অভিযোগ এগুলো বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত প্রকাশিত হয়। এছাড়া
চাটনী,
ফিরনী,
করিমা,
রূপকথা,
দোলনা থেকে কবর
পথের সাথী
হাদিস সংকলন,
ইসলামের গৌরব ও লজ্জা,
দ্বিপদ ১০১টি কবিতার সংকলন,
অজানা দ্বীপের কাহিনী (অসম্পূর্ণ)।
সম্পাদনা 
পূর্ব পাকিস্তানের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান প্রকল্প (১৯৬১-৬৮),
পদ্মাবতী, আলাওল, বাংলা একাডেমী (১৯৬৫),
তোহফা, আলাওল, বাংলা একাডেমী (১৯৭৫) ও
সাপ্তাহিক ময়মনসিংহ বার্তা সম্পাদনা করেন।
অন্যান্য 
নেংটির সংসার সদা সত্য কথা বলিব,
মীরজাফর,
বিড়ালের ডাক,
গরুর শিং এগুলো তাঁর রস রচনা সংকলন।
সবুজ ঘাসের দেশে (টি.ভি. কাহিনী চিত্র),
লেখার খাতা(বিবিধ বিষয়ের সংকলন)
ফার্সি - বাংলা অভিধান (অসম্পূর্ণ)।

প্রাপ্ত পুরস্কার
কুমারদী মাদ্রাসা সাহিত্য পুরস্কার (১৯৫০)
এম.এ. কামিল পরীক্ষায় স্বর্ণপদক (১৯৫৪)
আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮৭)
অগ্রণী ব্যাংক শিশু সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯০)
স্বাধীনতা পুরস্কার (২০১৭)

সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড
অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী অসংখ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।

তার মধ্যে তিনি সভাপতি হিসেবে-

বঙ্গবন্ধু পরিষদ,
ময়মনসিংহ সাহিত্য পরিষদ,
আকুয়া জুনিয়র হাই স্কুল কমিটি,
আকুয়া প্রাইমারি স্কুল ম্যানেজিং কমিটি,
বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, ময়মনসিংহ শাখা (১৯৮৪-৯১)
উজিরাবাদ সমবায় সমিতি,
আকুয়া পৌর কবরখানা, ময়মনসিংহ
ও সহ-সভাপতি হিসেব-

ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব,
উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী (ময়মনসিংহ)
এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে-

মাদ্রাসায়ে আলীয়া,
বাংলা সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৮),
বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (১৯৮৪-৯১) দায়িত্বে ছিলেন।

এছাড়া তিনি বিভিন্ন সংগঠনের আহ্বায়ক, উপদেষ্টা ও সদস্য ছিলেন। তিনি সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ময়মনসিংহের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সিনেট (১৯৮২-৮৫, ১৯৮৭-৮৮) সদস্য, বাংলা একাডেমীর (নং ৪৪৫) আজীবন সদস্য ছিলেন।



তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেন জীবনযুদ্ধের জন্য। আমাদের সাহিত্যাঙ্গনে গোলাম সামদানী কোরায়শী এমন এক নাম, যাকে আমরা সবসময়ই শিক্ষক হিসেবে মান্যতা দিই। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তার পদচারণা আমাদের মুগ্ধ করে- ঋদ্ধ করে। তিনি প্রবন্ধ লিখেছেন, গল্প লিখেছেন, উপন্যাস লিখেছেন, নাটক লিখেছেন, গান লিখেছেন এবং অনুবাদ করেছেন। বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে বলা যায়, একদিকে তার অনুবাদ কর্ম, প্রবন্ধ এবং সিমেটিক মিথভিত্তিক উপন্যাসগুলো আমাদের সাহিত্যে অমূল্য সম্পদ হয়ে আছে; সাথে যোগ হয়েছে অন্যান্য অনুষঙ্গ। গোলাম সামদানী কোরায়শীর আরো একটি বড় কাজ বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ রচনায় সহকারী সম্পাদক হিসেবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সাথে দায়িত্ব পালন। আমাদের বাংলা ভাষায় প্রচুর আরবি-ফার্সি শব্দ একীভূত হয়ে আছে, প্রধানত আমাদের আঞ্চলিক ভাষা থেকে সেইসব প্রায় অচেনা শব্দকে খুঁজে নেবার প্রয়োজনে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ গোলাম সামদানী কোরায়শীর শরণাপন্ন হন; তার আরবি ও ফারসি ভাষার ওপর দখল তাকে এ কাজে সম্পৃক্ত হতে সহযোগিতা করেছে। তার প্রতি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর আস্থার বিষয়টি নিশ্চিত হই, তার আত্মজৈবনিক রচনা ‘সিন্ধুর এক বিন্দু’ পাঠে। গোলাম সামদানী কোরায়শী তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন বাংলা একাডেমিতে বহু ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অধীনে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তখন বাংলা একাডেমিতে ‘আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করছেন। কবি সৈয়দ আলী আহসান তখন বাংলা একাডেমির পরিচালক (বর্তমানে পদবি মহাপরিচালক)। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ যখন সৈয়দ আলী আহসানকে প্রস্তাব করেন, সামদানী কোরায়শীকে সহকারী সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দিতে, তখনই ঘটে বিপর্যয়। আসুন আমরা গোলাম সামদানী কোরায়শীর বয়ানে শুনে নিই ঘটনাটি-
‘এর মধ্যে আবার রফিকের পোস্টকার্ড এসে উপস্থিত। সংবাদটি হলো, তোর চাকরি হয়ে গেছে।
আমার গাঁটরী বাঁধাই ছিল। পরদিনই ঢাকা গিয়ে উপস্থিত হলাম। সে দিনটি ছিল ২৬ ফেব্রুয়ারি। রফিককে সাথে নিয়ে বিকালে গেলাম ডক্টর সাহেবের ওখানে। তিনি দেখেই বললেন, কালই একাডেমিতে এসো, তোমার নিয়োগপত্র দেয়া হবে। আমি নীরবে সম্মতি জানিয়ে বেরিয়ে এলাম। পথে রফিককে বললাম, কী হয়েছিল রে? হঠাৎ এমন নিয়োগপত্র দেয়া হচ্ছে!
রফিক বললো, বুড়ো রাগ করে পদত্যাগপত্র দাখিল করেছিলেন। তাই সৈয়দ সাহেব বুড়োর রাগ থামানোর জন্য তোকে চাকরি দিতে বাধ্য হয়েছেন।

"" শ্রম বলতে শুধু গাধার মতো জীবনের বোঝা বওয়াকে বুঝায়না; বরং সেই জীবনের উৎপত্তি, তার বিকাশ ও পরিনতি সম্যক রূপে উপলব্ধি করে এক মহান উত্তরাধীকারের দায়িত্ব নিয়ে তার কর্তব্য পালন করাকে বুঝায়। কারণ আমার অস্তিত্বেও বহু পূর্বে মানুষের এই সমাজ গঠিত হয়েছে। যে পরিবেশে আমরা জন্ম নিয়েছি, যতো সামান্যই হোক, তাও গড়ে উঠতে কোটি কোটি মানুষের উদ্দেশ্য পূর্ণ মননশীল শ্রমের প্রয়োজন হয়েছে। কতো রক্ত কতো ঘামের পরিবর্তে মানুষ এমনি এক পরিবেশের সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়েছে, তা যদি আমাদের উপলব্ধিতে না থাকে, তাহলে কখনোই আমরা মনুষত্ব নামক এই উত্তরাধিকারের দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে বহন করতে পারবো না। সুতরাং আমাদেরকে বুঝে শুনে পরিশ্রম করতে হবে। তবেই আমাদের পরিশ্রম সমাজ প্রগতির বাহক হয়ে আমাদের মনুষ্য জন্মকে ধন্য করবে।
কাজেই এমনি এক শ্রমের মাপকাঠি দিয়েই আমরা আদর্শ মানুষের অনুসন্ধান করতে পারি। যিনি যে পরিমাণে এই যথার্থ শ্রমের শ্রমিক, তিনিই ততো খানি আদর্শ মনুষ্য পদবাচ্য। যারা সমাজ প্রগতির ধারাবাহী এই শ্রমকে এড়িয়ে উপাসনা বা প্রতারণার দ্বারা মনুষ্যত্বের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে চান, তারা শুধু সমাজকে প্রতারিত করেন না, বরং নিজেরাও প্রতারিত হন। অপরের শ্রমের ফসল ভোগ করে তারা যে কোনো পদবীই গ্রহণ করুন না কেনো, জীবন যাপনে তারা যতো ঐশ্বর্যের অধিকারীই হোন না কেনো, মানুষ হিসাবে তারা অবশ্যই নিকৃষ্ট। তাদের চাইতে সেই একজন শ্রমিক শ্রেষ্ঠতর - মনুষ্যত্বের অধিকারী, যে তার ক্ষমতা ও চেতনা অনুসারে জীবনের দায়িত্ব পালন করছে। হয়তো তার দেহে স্বাস্থ্যে চাকচিক্য নেই, হয়তো পরনে পোশাকের জৌলুস নেই, কিন্তু মানুষ হিসাবে সে শ্রেষ্ঠ’ 
========={{{{{{∆∆∆∆∆∆}}}}}}=========


Sunday, 3 April 2022

জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি। মাখনলাল চতুর্বেদী। ০৪.০৪.২০২২. Vol -695. The blogger in literature e-magazine


মাখনলাল চতুর্বেদী


এক ভারতীয় কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক,  নাট্যকার এবং সাংবাদিক। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার  যোগদান এবং হিন্দি সাহিত্যে  'ছায়াবাদ'  তথা  'নিও রোমান্টিক' ধারার প্রবর্তনের জন্য প্রসিদ্ধি সর্বজন বিদিত।১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি প্রথম 'হিমতরঙ্গিনী' গ্রন্থের জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারে সম্মানিত হন।

১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার তাঁকে  বেসামরিক সম্মান পদ্মভূষণে সম্মানিত করে। 


 জন্ম ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের হোশঙ্গাবাদ জেলার বাবাই গ্রামে ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দের ৪ ঠা এপ্রিল। 

माखनलाल चतुर्वेदी ने अपने प्रारंभिक प्राथमिक शिक्षा गांव के स्कूल से ही प्राप्त की।  इसके बाद में उन्होंने संस्कृत, बंगला, अंग्रेजी, गुजराती आदि कई भाषाओं का ज्ञान घर से प्राप्त किया ।

माखनलाल चतुर्वेदी ने 1986 से 1910 तक विद्यालय में अध्यापन का कार्य किया। लेकिन जल्द ही माखनलाल ने अपने जीवन और लेखन कौशल का उपयोग देश कीस्वतन्त्रता के लिए करने का निर्णय ले लिया। उन्होंने असहयोग आंदोलन और भारत छोड़ो आंदोलन जैसी गतिविधियों में बढ़- चढ़ भाग लिया। जिसके चलते वे कई बार जेल गए और जेल में भी कई अत्याचारों को सहना पड़ा। लेकिन अंग्रेज उन्हे कभी भी अपने पथ से विचलित नहीं कर सके।

1910 में अध्यापन कार्य छोड़ने के बाद माखनलाल चतुर्वेदी राष्ट्रीय पत्रिकाओं में संपादक का रूप के रूप में काम करने लगे और उन्होंने “प्रभा” और “कर्मवीर” नाम के राष्ट्रीय पत्रिकाओं में संपादन का कार्य किया। पंडित जी ने अपने लेखन शैली से देश के एक बहुत बड़े हिस्से में देश प्रेम की भावना को जागृत किया उनके भाषण भी उनके लेखों की तरह ही शक्ति पूर्ण और देश प्रेम से ओत-प्रोत होते थे। माखनलाल चतुर्वेदी 1943 में ‘अखिल भारतीय साहित्य सम्मेलन’ की अध्यक्षता की। उनकी कई रचनाएं देश के युवाओं में जोश भरने जागृत करने के लिए सहायक है।

ষোল বৎসর বয়সে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক হন।

  পরে তিনি জাতীয়তাবাদী পত্রিকা 'প্রভা', প্রতাপ এবং 'কর্মবীর' এর সম্পাদক হন .

 বৃটিশ শাসনামলে বহুবার কারারুদ্ধ হন। 

স্বাধীনতার পর সরকারের পক্ষ না নিয়ে সামাজিক অপশক্তি বিরুদ্ধে মত পোষণ ও সোচ্চার হন এবং মহাত্মা গান্ধীর আদর্শে শোষণমুক্ত সমাজব্যবস্থার সমর্থন করেন।


রচনা কর্ম . 

উপন্যাস -

  • ‘कृष्णार्जुन युद्ध’ (1918 ई.),
  • ‘हिमकिरीटिनी’ (1941 ई.),
  • ‘साहित्य देवता’ (1942 ई.),
  • ‘हिमतरंगिनी’ (1949 ई.- साहित्य अकादमी पुरस्कार से पुरस्कृत),
  • ‘माता’ (1952 ई.)।
  • ‘युगचरण’,
  • ‘समर्पण’ और ‘वेणु लो गूँजे धरा’ उनकी कहानियों का संग्रह ‘अमीर इरादे, ग़रीब इरादे’ नाम से छपा है।

इसके अलावा माखनलाल चतुर्वेदी की कुछ कविताएं जैसे-

  •  अमर राष्ट्र
  • अंजलि के फूल गिर जाते हैं
  • आज नयन के बंगले में
  • इस तरह ढक्कन लगाया रात ने
  • उस प्रभात तू बात ना माने
  • किरणों की शाला बंद हो गई छुप-छुप
  • कुंज कुटीरे यमुना तीरे
  • गाली में गरिमा  घोल-घोल
  • भाई-छेड़ो नहीं मुझे मधुर मधुर कुछ गां दो मालिक
  • संध्या के बस दो बोल सुहाने लगते हैं।

  उपलब्धियां

  • अध्यापन कार्य प्रारंभ 1996,
  • शिक्षण पद का त्याग
  • तिलक का अनुसरण 1910 में,
  • शक्ति पूजा लेकर राजद्रोह का आरोप 1912
  • प्रभा मासिक का संपादन (1913),
  • कर्मवीर से सम्बद्ध (1920)
  • प्रताप का सम्पादन कार्य प्रारंभ (1923),
  • पत्रकार परिषद के अध्यक्ष(1929),
  • म.प्र.हिंदी साहित्य सम्मेलन (रायपुर अधिवेशन) के सभापति ,
  • भारत छोड़ो आंदोलन के सक्रिय कार्यकर्ता (1942) सागर वि.वि. से डी.लिट् की मानद उपाधि से सम्मानित (1959)

 पुरस्कार

  • 1943 में उस समय का हिंदी साहित्य का सबसे बड़ा ‘देव पुरस्कार’ माखन लाल जी  ‘हिम किरीटिनी’ पर दिया गया था
  • 1954 में साहित्य अकादमी पुरस्कारों की स्थापना होने पर हिन्दी साहित्य के लिए प्रथम पुरस्कार पंडित जी को ‘हिमतरंगिनी’ के लिए प्रदान किया गया।
  • ‘पुष्प की अभिलाषा’ और ‘अमर राष्ट्र’ जैसी ओजस्वी रचनाओं के रचयिता इस महाकवि के कृतित्व को सागर विश्वविद्यालय ने 1959 में डी.लिट्. की मानद उपाधि से विभूषित किया।
  • 1963 में भारत सरकार ने ‘पद्मभूषण’ से अलंकृत किया। 10  सितंबर 1967 को राष्ट्रभाषा हिन्दी पर आघात करने वाले राजभाषा संविधान संशोधन विधेयक के विरोध में माखनलालजी ने यह अलंकरण लौटा दिया।
  • 16-17 जनवरी 1965 को मध्यप्रदेश शासन की ओर से खंडवा में ‘एक भारतीय आत्मा’ माखनलाल चतुर्वेदी के नागरिक सम्मान समारोह का आयोजन किया गया। तत्कालीन राज्यपाल श्री हरि विनायक पाटसकर और मुख्यमंत्री पं॰ द्वारकाप्रसाद मिश्र तथा हिन्दी के अग्रगण्य साहित्यकार-पत्रकार इस गरिमामय समारोह में उपस्थित थे।
  • भोपाल का ‘माखनलाल चतुर्वेदी पत्रकारिता विश्वविद्यालय’ उन्हीं के नाम पर स्थापित किया गया है।
  • उनके काव्य संग्रह ‘हिमतरंगिणी’ के लिये उन्हें 1955  में हिन्दी के ‘साहित्य अकादमी पुरस्कार’ से सम्मानित किया गया।


তার স্মৃতিতে ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ হতে  ভারতীয় কবিদের শ্রেষ্ঠ কীর্তির জন্য বার্ষিক  মাখনলাল পুরস্কার প্রদান ছাড়াও মধ্যপ্রদেশ সাহিত্য অকাদেমি  তথা মধ্যপ্রদেশ সাংস্কৃতিক পরিষদ প্রতি বৎসর মাখনলাল চতুর্বেদী সমারোহের আয়োজন করে। 

মধ্য প্রদেশের ভোপালে মাখনলাল চতুর্বেদী রাষ্ট্রীয় রাষ্ট্রীয় পত্রকারিতা এবং সমাচার বিশ্ব বিদ্যালয়কে তার সম্মানে নামকরণ করা হয়েছে . মাখনলাল চতুর্বেদী জাতীয় সাংবাদিকতা ও যোগাযোগ বিশ্ববিদ্যালয়.


মৃত্যু -  ৩০ জানুয়ারি  ১৯৬৮ (বয়স ৭৮)   ভোপালমধ্যপ্রদেশ ভারত

কবিতা - ১

पुष्प की अभिलाषा (Pushpa Kee Abhilasha)

चाह नहीं मैं सुरबाला के
गहनों में गूँथा जाऊँ

चाह नहीं, प्रेमी-माला में
बिंध प्यारी को ललचाऊँ

चाह नहीं, सम्राटों के शव
पर हे हरि, डाला जाऊँ

चाह नहीं, देवों के सिर पर
चढ़ूँ भाग्य पर इठलाऊँ

मुझे तोड़ लेना वनमाली
उस पथ पर देना तुम फेंक

मातृभूमि पर शीश चढ़ाने
जिस पर जावें वीर अनेक ।।


কবিতা ২

उठ महान (Utha Mahaan)

उठ महान ! तूने अपना स्वर
यों क्यों बेंच दिया?
प्रज्ञा दिग्वसना, कि प्राण् का
पट क्यों खेंच दिया?

वे गाये, अनगाये स्वर सब
वे आये, बन आये वर सब
जीत-जीत कर, हार गये से
प्रलय बुद्धिबल के वे घर सब!

तुम बोले, युग बोला अहरह
गंगा थकी नहीं प्रिय बह-बह
इस घुमाव पर, उस बनाव पर
कैसे क्षण थक गये, असह-सह!

पानी बरसा
बाग ऊग आये अनमोले
रंग-रँगी पंखुड़ियों ने
अन्तर तर खोले;

पर बरसा पानी ही था
वह रक्त न निकला!
सिर दे पाता, क्या
कोई अनुरक्त न निकला?

प्रज्ञा दिग्वसना? कि प्राण का पट क्यों खेंच दिया!
उठ महान् तूने अपना स्वर यों क्यों बेंच दिया!


কবিতা ৩

कैसी है पहिचान तुम्हारी (Kaisi Hain Pahichan Tumhari)

कैसी है पहिचान तुम्हारी
राह भूलने पर मिलते हो !

पथरा चलीं पुतलियाँ, मैंने
विविध धुनों में कितना गाया
दायें-बायें, ऊपर-नीचे
दूर-पास तुमको कब पाया

धन्य-कुसुम ! पाषाणों पर ही
तुम खिलते हो तो खिलते हो।
कैसी है पहिचान तुम्हारी
राह भूलने पर मिलते हो!!

किरणों प्रकट हुए, सूरज के
सौ रहस्य तुम खोल उठे से
किन्तु अँतड़ियों में गरीब की
कुम्हलाये स्वर बोल उठे से !

काँच-कलेजे में भी कस्र्णा-
के डोरे ही से खिलते हो।
कैसी है पहिचान तुम्हारी
राह भूलने पर मिलते हो।।

प्रणय और पुस्र्षार्थ तुम्हारा
मनमोहिनी धरा के बल हैं
दिवस-रात्रि, बीहड़-बस्ती सब
तेरी ही छाया के छल हैं।

प्राण, कौन से स्वप्न दिख गये
जो बलि के फूलों खिलते हो।
कैसी है पहिचान तुम्हारी
राह भूलने पर मिलते हो।।

কবিতা ৪

अमर राष्ट्र Amar Rastra


छोड़ चले, ले तेरी कुटिया,
यह लुटिया-डोरी ले अपनी,
फिर वह पापड़ नहीं बेलने;
फिर वह माल पडे न जपनी।

यह जागृति तेरी तू ले-ले,
मुझको मेरा दे-दे सपना,
तेरे शीतल सिंहासन से
सुखकर सौ युग ज्वाला तपना।

सूली का पथ ही सीखा हूँ,
सुविधा सदा बचाता आया,
मैं बलि-पथ का अंगारा हूँ,
जीवन-ज्वाल जलाता आया।

एक फूँक, मेरा अभिमत है,
फूँक चलूँ जिससे नभ जल थल,
मैं तो हूँ बलि-धारा-पन्थी,
फेंक चुका कब का गंगाजल।


इस चढ़ाव पर चढ़ न सकोगे,
इस उतार से जा न सकोगे,
तो तुम मरने का घर ढूँढ़ो,
जीवन-पथ अपना न सकोगे।

श्वेत केश?- भाई होने को-
हैं ये श्वेत पुतलियाँ बाकी,
आया था इस घर एकाकी,
जाने दो मुझको एकाकी।

अपना कृपा-दान एकत्रित
कर लो, उससे जी बहला लें,
युग की होली माँग रही है,
लाओ उसमें आग लगा दें।

मत बोलो वे रस की बातें,
रस उसका जिसकी तस्र्णाई,
रस उसका जिसने सिर सौंपा,
आगी लगा भभूत रमायी।

जिस रस में कीड़े पड़ते हों,
उस रस पर विष हँस-हँस डालो;
आओ गले लगो, ऐ साजन!
रेतो तीर, कमान सँभालो।

हाय, राष्ट्र-मन्दिर में जाकर,
तुमने पत्थर का प्रभू खोजा!
लगे माँगने जाकर रक्षा
और स्वर्ण-रूपे का बोझा?

मैं यह चला पत्थरों पर चढ़,
मेरा दिलबर वहीं मिलेगा,
फूँक जला दें सोना-चाँदी,
तभी क्रान्ति का समुन खिलेगा।


चट्टानें चिंघाड़े हँस-हँस,
सागर गरजे मस्ताना-सा,
प्रलय राग अपना भी उसमें,
गूँथ चलें ताना-बाना-सा,

बहुत हुई यह आँख-मिचौनी,
तुम्हें मुबारक यह वैतरनी,
मैं साँसों के डाँड उठाकर,
पार चला, लेकर युग-तरनी।

मेरी आँखे, मातृ-भूमि से
नक्षत्रों तक, खीचें रेखा,
मेरी पलक-पलक पर गिरता
जग के उथल-पुथल का लेखा !

मैं पहला पत्थर मन्दिर का,
अनजाना पथ जान रहा हूँ,
गूड़ँ नींव में, अपने कन्धों पर
मन्दिर अनुमान रहा हूँ।

मरण और सपनों में
होती है मेरे घर होड़ा-होड़ी,
किसकी यह मरजी-नामरजी,
किसकी यह कौड़ी-दो कौड़ी?

अमर राष्ट्र, उद्दण्ड राष्ट्र, उन्मुक्त राष्ट्र !
यह मेरी बोली
यह `सुधार’ `समझौतों’ बाली
मुझको भाती नहीं ठठोली।

मैं न सहूँगा-मुकुट और
सिंहासन ने वह मूछ मरोरी,
जाने दे, सिर, लेकर मुझको
ले सँभाल यह लोटा-डोरी !

কবিতা ৫

अंजलि के फूल गिरे जाते हैं Anjali Ke Phool Gire Jate Hain

अंजलि के फूल गिरे जाते हैं
आये आवेश फिरे जाते हैं।

चरण-ध्वनि पास-दूर कहीं नहीं
साधें आराधनीय रही नहीं
उठने,उठ पड़ने की बात रही
साँसों से गीत बे-अनुपात रही

बागों में पंखनियाँ झूल रहीं
कुछ अपना, कुछ सपना भूल रहीं
फूल-फूल धूल लिये मुँह बाँधे
किसको अनुहार रही चुप साधे

दौड़ के विहार उठो अमित रंग
तू ही `श्रीरंग’ कि मत कर विलम्ब
बँधी-सी पलकें मुँह खोल उठीं
कितना रोका कि मौन बोल उठीं
आहों का रथ माना भारी है
चाहों में क्षुद्रता कुँआरी है

आओ तुम अभिनव उल्लास भरे
नेह भरे, ज्वार भरे, प्यास भरे
अंजलि के फूल गिरे जाते हैं
आये आवेश फिरे जाते हैं।।

============∆∆∆∆∆∆∆∆============








শুভ জন্মদিন শ্রদ্ধাঞ্জলি। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ।‌ একজন বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ। Dt -26.11.2024. Vol -1059. Tuesday. The blogger post in literary e magazine.

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়   (২৬ নভেম্বর ১৮৯০ — ২৯ মে ১৯৭৭)  একজন বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ.  মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্...