Saturday, 5 June 2021

জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য।ফেদেরিকো গারসিয়া লোরকা। ০৫.০৬.২০২১. Vol..394. The blogger in literature e-magazine


ফেদেরিকো গারসিয়া লোরকা

লোরকাকে মান্য করা হয় বিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্প্যানিশ (দেশ ও ভাষা উভয়ার্থে) কাব্যশিল্পী ও নাট্যশিল্পী হিসেবে। তিনি তুলনীয় আন্তোনিয়ো মাচাদো ও হুয়ান রামোন হিমেনেথের সঙ্গে, যাঁরা স্প্যানিশ কবিতাকে নিয়ে গেছেন নতুন উচ্চতায়। মহামহিম মিগেল দে সের্বান্তেসের মতো তাঁর নামও আজ প্রবাদে পরিণত।

      জন্ম ১৮৯৮ সালের ৫ জুন স্পেনের গ্রানাদায় ফুয়েন্তে বাকেরোস নামের ছোট্ট একটি শহরে। তাঁর বাবা ছিলেন ভূস্বামী, উর্বর ভেগায় কৃষি খামারের মালিক; শহরের মাঝখানেই ছিল তাঁদের প্রাসাদোপম বাড়ি। মা বিসেন্তা লোরকা রোমেরো ছিলেন শিক্ষিকা। অসম্ভব ভালো পিয়ানো বাজাতেন। ১৯০৫ সালে তাঁরা চলে আসেন বালদেরুবিয়ো শহরে। সেখান থেকে ১৯০৯ সালে গ্রানাদা শহরের উপকণ্ঠে উয়ের্তা দে সান বিসেন্তেয় গিয়ে বসবাস শুরু করেন। লোরকার বয়স তখন ১১। যেসব জায়গায় লোরকা বসবাস করেছেন সর্বত্র পেয়েছেন প্রকৃতির সান্নিধ্য। তাঁর শিল্পচিন্তা ও লেখালেখিতে এর গভীর প্রভাব পড়েছিল। লোরকার স্মৃতিধন্য ফুয়েন্তে বাকেরোস, বালদেরুবিয়ো ও উয়ের্তা দে সান বিসেন্তের বাড়ি তিনটি এখনো সটান দাঁড়িয়ে আছে, জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়ে।

লোরকার শরীরে ছিল মায়ের কাছ থেকে পাওয়া সংগীতজিন। পিয়ানোর ঝংকার শুনলেই তাঁর রক্ত টগবগ করে নেচে উঠত। তিনি পিয়ানোর ডাকে সাড়া না দিয়ে পারেননি। ১১ থেকে ১৬—এই ছয় বছর লোরকা পিয়ানো শেখেন আন্তোনিয়ো সেগুরা মেসা নামের এক সংগীতশিক্ষকের কাছে। মেসা লোরকার মধ্যে সংগীতজ্ঞ হওয়ার বাসনা জাগিয়ে তোলেন। গায়ে গানের হাওয়া লাগতেই লোরকা নিজেকে ভাসিয়ে দেন দেবুসি, শোপ্যাঁ ও বিটোফেনের অমৃতরসে। তাঁর বন্ধুত্ব হয় সুরকার মানুয়েল দে ফাইয়ার সঙ্গে। আর তখন থেকে স্প্যানীয় লোকগীতি হয়ে ওঠে তাঁর ধ্যানজ্ঞান। তাঁর কলম চিরে বেরিয়ে আসে চারুগদ্য ‘নকটার্ন’, ‘বালাদ’ ও ‘সোনাটা’। তার ওপর আরোপ করা হয় সুর। গ্রানাদায় কাফে আলামেদাতে বসত শিল্পী-সাহিত্যিকদের আড্ডা। সেখানে লোরকা নিয়মিত শামিল হতেন। আসর মাতিয়ে তুলতেন তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত লিরিক ঝিলিকে।

স্কুলশিক্ষা সমাপ্তির পর ১৯১৫ সালে লোরকা গ্রানাদা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন আইন ও সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনা করতে। তাঁর মনে জাগে ভ্রমণের আকাঙ্ক্ষা। ১৯১৬-১৭ সালব্যাপী তিনি স্পেনের উত্তরে কাস্তিয়া, লেয়োন ও গালিথিয়া ঘুরে বেড়ান দন ফের্নান্দো দে লোস রিয়োস নামের এক অধ্যাপকের সঙ্গে। এ অধ্যাপক তাঁকে লেখালেখিতে উৎসাহিত করেন। তার ফসল ভ্রমণবৃত্তান্ত ইমপ্রেসিয়োনেস ই পাইসাহেস বা মানচিত্র ও ভূদৃশ্যাবলি। এটিই তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই (১৯১৮)। এর প্রকাশনায় অর্থ জুগিয়েছেন তাঁর পিতা স্বয়ং।

কিংবদন্তি বন্ধুত্রয়: শিল্পী সালভাদোর দালি, চলচ্চিত্রকার লুইস বুনুয়েল ও কবি ফেদেরিকো গারসিয়া লোরকা
কিংবদন্তি বন্ধুত্রয়: শিল্পী সালভাদোর দালি, চলচ্চিত্রকার লুইস বুনুয়েল ও কবি ফেদেরিকো গারসিয়া লোরকা

১৯১৯ সালে লোরকা মাদ্রিদে চলে যান। সেখানে কাটিয়ে দেন পরবর্তী ১৫টি বছর। তাঁর নতুন স্থান রেসিদেনসিয়া দে এস্তুদিয়ান্তে। এর সুবাদে তিনি মাদ্রিদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করতে থাকেন। এবার তাঁর পাঠের বিষয় আইন ও দর্শন। কিন্তু কিছুদিন পরেই হাঁপিয়ে ওঠেন। পাঠ্যক্রমভুক্ত বিধিবদ্ধ পাঠে তাঁর আর মন বসে না। বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়ে তিনি আত্মনিয়োগ করেন শিল্পচর্চায়। মগ্ন থাকেন অভিনয়, কবিতাপাঠ ও প্রাচীন লোকগীতি সংগ্রহে। এ সময় এল মালেফিসিয়ো দে লা মারিপোসা বা প্রজাপতির দুরভিসন্ধি নামে একটি নাটক লিখে ফেলেন। ১৯২০ সালে সেটি মঞ্চস্থ হলে ঢি ঢি পড়ে যায়। কারণ, নাটকটি ছিল প্রচলিত ঘরানার বাইরে। এটি রচিত পোকামাকড়ের জীবন নিয়ে, মূলত একটি তেলাপোকা ও একটি প্রজাপতির মধ্যে ভালোবাসার কাহিনি। পরের বছর প্রকাশিত হয় তাঁর লোককাহিনিভিত্তিক লিব্রো দে পোয়েমাস বা কবিতার বই। এতে এসেছে ধর্মীয় বিশ্বাস, একাকিত্ব ও প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গ।

লোরকার ওপর ফ্লামেঙ্কো ও জিপসি সংস্কৃতির প্রভূত প্রভাব পড়েছিল। এ জন্য তাঁদের কথা ঘুরেফিরে এসেছে তাঁর লেখায়। ফ্লামেঙ্কো সংস্কৃতির প্রসারে ১৯২২ সালে তিনি প্রথম ‘কান্তে হোন্দো’ বা ‘গভীর গান’ উৎসব আয়োজন করেন। স্পেনের বিখ্যাত ডিপ সং গায়ক ও পিয়ানোবাদকেরা তাতে অংশ নেন। তিনি বিশ শতকের তৃতীয় দশকের শুরুর দিকে যেসব কবিতা লিখেছেন, তাতে গভীর গানের আদল খুঁজে পাওয়া যাবে। লোরকা ‘সাতাশের প্রজন্ম’ নামে একটি আভাঁ গার্দ শিল্পীসংঘে যোগ দেন। এই সংঘে ছিলেন সালভাদর দালি ও লুইস বুনুয়েলের মতো জাঁদরেল শিল্পীরা, যাঁরা তাঁকে পরাবাস্তববাদ ও প্রতীকবাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এ দুই শিল্পদর্শনের আশ্রয়ে তাঁর কবিতা হয়ে ওঠে সূক্ষ্ম ব্যঞ্জনাময়, নান্দনিকতায় গূঢ়। ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর কানসিয়োনেস বা গীতিমালা। ১৯২৮ সালে আলোর মুখ দেখে রোমান্সেরো হিতানো বা জিপসি গাথা। এ বই তাঁকে খ্যাতির তুঙ্গে নিয়ে যায়।

কবিতার পাশাপাশি চলে তাঁর নাট্যচর্চা। তাঁর দ্বিতীয় নাটক মারিয়ানা পিনেদা ১৯২৭ সালে বার্সেলোনায় মঞ্চস্থ হলে বিপুল প্রশংসা কুড়ায়। পরের নাটক লা সাপাতেরা প্রোদিহিয়োসা বা মুচির আশ্চর্য বিবি একটি প্রহসন। তাতে চিত্রিত নারীর প্রতি গোপন প্রণয় ও স্খলনের কাহিনি।

ফেদেরিকো গারসিয়া লোরকার অাঁকা ছবি, ওপরের ডানিদকে তাঁর হস্তাক্ষর ১৯২৯ সালে নিউইয়র্কে পাড়ি জমান। ঘুরে বেড়ান হার্লেম ও ভের্মন্টে। তিনি কলাম্বিয়া স্কুল অব জেনারেল স্টাডিজে ভর্তি হন। বিষয় ইংরেজি। কিন্তু অধিকাংশ সময় ব্যস্ত থাকেন লেখালেখি নিয়ে। কিছুদিন কিউবার হাভানাতেও কাটান। নিউইয়র্কে বসে তিনি যে কবিতাগুলো লেখেন, সেসব সংকলিত হয় পোয়েতা এন নুয়েভা ইয়র্ক বা নিউইয়র্কের কবিতা গ্রন্থে। বইটি অবশ্য প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর পরে। এই গ্রন্থভুক্ত কবিতাগুলোতে নাগরিক যন্ত্রণা ও একাকিত্ববোধ তীব্র হয়ে ফুটে উঠেছে। ‘নিউ ইয়র্ক’ কবিতায় তিনি লেখেন (দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় অনূদিত নিউ ইয়র্কে কবি থেকে): ‘এক ফোঁটা হাঁসের রক্তের/ বহুগুণিতাঙ্কের নিচটাতে,...কোমল রক্তের এক নদী।/যে নদী গান গেয়ে বয়ে চলে/ মহল্লার যত শয্যাঘর একে একে পিছে ফেলে/ পিছে ফেলে নিউইয়র্কের যত নকল ভোরের/ সিমেন্ট, বাতাস, টাকাকড়ি।’ তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন ওয়াল স্ট্রিট ক্র্যাশ এবং এর ফলে উদ্ভূত অর্থনৈতিক মন্দা। তাঁর মনে পুঁজিবাদের প্রতি ঘৃণা জন্ম নেয়। ধীরে ধীরে তিনি সমাজতন্ত্রের প্রতি ঝুঁকে পড়েন।


১৯৩০ সালে সেকেন্ড স্প্যানিশ রিপাবলিক ঘোষিত হলে লোরকা দেশে ফিরে আসেন। সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাঁকে নাট্যবিষয়ক সংস্থা ‘বাররাকা’র পরিচালক পদে নিয়োগ দেন, যার কাজ সাধারণ জনগণের জন্য নাটক প্রণয়ন ও প্রদর্শন। তিনি গ্রামেগঞ্জে গিয়ে বিনা মূল্যে নাটক দেখাতে থাকেন। নিজে নাটক পরিচালনা করেন এবং তাতে অভিনয় করেন। বাররাকারতত্ত্বাবধানে স্প্যানীয় ক্লাসিকগুলো দেখানো হয়; লোরকার নিজের নাটকগুলোও স্থান পায়, বিশেষ করে তাঁর ট্র্যাজেডিত্রয়—বোদাস দে সাংগ্রে বা রক্তবিবাহইয়েরমা ও লা কাসা দে বেরনার্দা আলবা বা বেরনার্দা আলবার বাড়ি। কাব্যগুণে সমৃদ্ধ এই নাটকগুলোতে ধ্বনিত হয় বুর্জোয়া সমাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। তিনি শ্রেণি, নারী ও যৌনতার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে ট্যাবুশাসিত সমাজের মৌনতা ভেঙে দেন এবং সাধন করেন এক সামাজিক বিপ্লব। তাঁর শেষ কাব্যগ্রন্থ সোনেতোস দে আমোর অস্কুরো বা তামসিক প্রেমের সনেট সমকামী ভালোবাসাকে ঘিরে নিষেধের বেড়াজাল চুরমার করে দেয়।

লোরকার ১৮ বছরের কবিতা রচনার মধ্যে ৪ টি ধারায় ভাগ করা হয়:


১. প্রস্তুতির ও প্রাথমিক বছরগুলো (১৯১৮-১৯২৭)

২. জিপসি বালাদ (১৯২৬-২৮)

৩. নিউইয়র্কে লেখা কবিতা (১৯২৯-৩০)

৪. তার পরের কবিতা (১৯৩১-৩৬)


এর মধ্যে মৌলিক ও মূল্যবান হচ্ছে জিপসি বালাদ এবং নিউইয়র্কের কবিতা। মোটা দাগে জিপসি বালাদের মধ্যে লোরকা গীতলতা এবং চিত্রকল্প ব্যবহার করে ঐতিহ্যগত লোকজ লোরকা নতুনত্ব ভরিয়ে দিলেন। নিউইয়র্কে লেখা কবিতাগুলোয়, যা পরে পোয়েতা এন নুয়েভা ইয়র্ক (নিউইয়র্কের কবিতা) কাব্য গ্রন্থে প্রকাশিত হয়, তিনি চিত্রকল্প এবং কোলাজ এমন ভাবে বিচ্ছিন্ন আবার একই সঙ্গে সংগ্রথিত করেছেন যে এগুলো পরাবাস্তববাদী অভিধা প্রাপ্ত হয়ে উঠেছে।

১৯৩৬ সালে স্পেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। লোরকা তখন তাঁর নিজগৃহ ‘কায়েহোনেস দে গারসিয়া’তে অবস্থান করছিলেন। ফ্রাঙ্কোর সৈন্যরা তাঁকে তুলে নিয়ে যায় এবং বন্দী করে রাখে। ১৯ আগস্ট ঘাতকেরা তাঁকে কবরস্থানে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। তাঁর লাশ গুম করে ফেলা হয়। এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি তাঁর মৃতদেহের কী গতি হয়েছিল। তাঁর বই নিষিদ্ধ করা হয় ও পোড়ানো হয়। একজন মহান কবির এমন করুণ মৃত্যু এখনো পৃথিবীতে তাঁর অসংখ্য অনুরাগীকে বিষণ্ন করে তোলে। মৃত্যুর পরে তাঁর সৃষ্টিকর্ম বিনাশযজ্ঞ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে মনকে বিষিয়ে তোলে। কেন হত্যা করা হয়েছিল কবিকে? কারণ, ক্ষমতাবান অপশক্তি ভয় পেয়েছিল তাঁর বৈপ্লবিক আদর্শকে, তাঁর হৃদয় থেকে উৎসারিত অগ্নিস্ফুলিঙ্গকে।

লোরকার মৃত্যু ছিল সত্যিই হৃদয়বিদারক। অতি সুদর্শন প্রগতিবাদী প্রগলভ প্রাণোচ্ছল সেই যুবকটি আর নেই, এ যেন এক দুঃস্বপ্নের বাস্তবতা। তাঁর মৃত্যুসংবাদে পাবলো নেরুদা অশ্রুভরা কণ্ঠে বলে ওঠেন, ‘স্পেনের সেরা ফুলটি ঝরে গেল।’ লোরকা কি তাঁর নিজের মৃত্যুর পূর্বাভাস পেয়েছিলেন? মৃত্যুর কয়েক বছর আগে তিনি একটি কবিতায় লেখেন (অমিতাভ দাশগুপ্ত ও কবিতা সিংহের লোরকার শ্রেষ্ঠ কবিতা থেকে):

আমি বুঝতে পারছি খুন করা

        হয়েছে আমাকে।

তারা কাফে, কবরখানা আর

        গির্জাগুলো তন্ন তন্ন

        করে খুঁজছে।

তারা সমস্ত পিপে আর

        কাবার্ডগুলো তছনছ

        করছে।

তিনটে কঙ্কালকে লুট করে

        খুলে নিয়ে গেছে

        সোনার দাঁত।

আমাকে তারা খুঁজে পায়নি।

কখনোই কি পায়নি তারা?

লোরকার কবিতায় একদিকে পাওয়া যায় জিপসি গানের সুরসৌন্দর্য ও চিত্রল ইঙ্গিতময়তা, একদিকে আরব শৈলীর ঐতিহ্যবিধুরতা ও পরাবাস্তবের স্বপ্নকুহেলিকা। কাতালান মেজাজে তিনি প্রতীকবাদী শিল্পীর নিপুণ দক্ষতায় অঙ্কন করেন নিউইয়র্ক ও হাভানার জীবনচিত্র। একই মেজাজে আন্দালুসীয় কৃষক ও নারীজীবনকে নাট্যরূপ দেন। স্পেন ছাড়িয়ে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে তাঁর কাব্যকীর্তি। ভ্রমরগুঞ্জনের মতো লিরিকধারা প্রবাহিত হয় হৃদয় থেকে হৃদয়ে।

বিরল কাব্য ও নাট্যপ্রতিভার অধিকারী লোরকা যাপন করেছেন প্রায় ৩৮ বছরের এক সৃষ্টিশীল কর্মময় জীবন। অপ্রত্যাশিত ঘাতকের বুলেট নিথর করেছে তাঁর দেহ, কিন্তু থামাতে পারেনি আগুনের পরশমণির সর্বত্রগামিতা। তাঁর কবিতা দ্বিজয়ী, আজও মানুষকে নাড়া দেয় বিপুল আনন্দবৈভবে।আজও পাঠক মুগ্ধচিত্তে আস্বাদন করে শিশিরের স্নিগ্ধতায় মাখা, কোমল চন্দ্রালোকে স্নাত, পাহাড়ের মৌনতায় সমাহিত তাঁর ছন্দিত পঙ্‌ক্তিমালা। কবি নিজেই লিখেছিলেন (সাজ্জাদ শরিফ অনূদিত রক্ত ও অশ্রুর গাথা থেকে):

ঘুম দেব আমি এক মুহূর্ত

এক মুহূর্ত, একটি মিনিট,

        এক শতাব্দী

কিন্তু সবাই জেনে রেখো আমি

        এখনো মরিনি।

(‘কালো মৃত্যুর গজল’)


ফেডেরিকো গার্সিয়া লোরকার সাহিত্যের স্টাইলটি বিভিন্ন স্বর এবং ফর্মের দ্বারা এবং একটি ব্যক্তিগত এবং সাধারণ ভাষার ব্যবহার দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছিল। তদুপরি, তাঁর কাজটি এমনভাবে কাঠামোযুক্ত হয়েছিল যে প্রেম, আকাঙ্ক্ষা এবং আবেগগুলি প্রায়শই ঘন ঘন থিম ছিল।


লোরকার কবিতাটি কোনও বিশেষ সাহিত্যের বর্তমানের সাথে সংযুক্ত ছিল না, বরং এটি বিভিন্ন লেখক এবং আন্দোলনের দ্বারা অনুপ্রাণিত বিভিন্ন উপাত্ত উপভোগ করেছে। এটি অস্তিত্বের দুঃখজনক ও মর্মান্তিক ঘটনার মধ্যেও বিকশিত হয়েছিল।


তাঁর কাব্যিক কাজ প্রায়শই প্রচলিত এবং জনপ্রিয় উপাদানগুলির সাথে বোঝা হত এবং একই সাথে তিনি সংস্কৃত বৈশিষ্ট্যও বিকাশ করেছিলেন। আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ করার জন্য লেখক তাঁর রচনায় প্রতীক ও রূপকের ব্যবহারকেও সংযুক্ত করেছিলেন।


প্রতীক এবং রূপক

লোরকা তার কাজে প্রতীক তৈরির ব্যবহারের সাথে তাঁর ব্যবহারের স্বাদকে বোঝায় এবং বেশিরভাগ সময় এগুলি অস্তিত্বের শেষের সাথে সম্পর্কিত ছিল। চাঁদ, রক্ত, ষাঁড়, জল বা ঘোড়া তাঁর কবিতায় স্থির ছিল।


রূপক হিসাবে, তারা Lorca যুক্তি অপরিহার্য ছিল। এক্ষেত্রে তিনি সম্ভবত কবি লুস ডি গাঙ্গোরা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এই উত্সটিকে ক্রমাগত সাহসী ও সাহসী ব্যবহার করেছিলেন। লেখকের ধারণা ছিল তাঁর কাব্য রচনায় বৃহত্তর প্রকাশ ও সংবেদনশীলতা ছাপানো।


নাটক করে

ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা কবিতা, নাট্য এবং গদ্যের বিকাশ করেছিলেন। কাব্যগ্রন্থের ক্ষেত্রে, তাঁর রচনার পন্ডিতরা বিবেচনা করেন যে এটি অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষার ফলে যে বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটেছিল সে অনুসারে এটি দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যেতে পারে: কিশোর এবং বহুগুণ।



যুব মঞ্চ

এটি ছাত্র আবাসে থাকার সময়, তাঁর প্রথম বছরগুলিতে সম্পর্কিত মঞ্চ ছিল। তার প্রথম কাজ, ছাপ এবং ল্যান্ডস্কেপ, যদিও এটি গদ্যে রচিত হয়েছিল, তবে এর ভাষায় এর কাব্যিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। জুয়ান রামন জিমনেজ, আন্তোনিও মাচাডো এবং রুবান দারানোয়ের প্রভাবও লক্ষ করা গেছে।



এই পর্যায়ে লিখিত রচনাগুলি দুঃখ এবং হারা প্রেমের সাথে সম্পর্কিত ছিল। এটা তাদের সময় ছিল স্যুট ওয়াই গদ্য কবিতাযা গর্ভপাত এবং এর পরিণতিগুলির মধ্যে এমন কন্টেন্ট তৈরি করেছিল যেমন কবিতায় যে সন্তানের জন্ম হয়নি তার সম্পর্কে ছোট্ট গান ওয়াই নিরীহদের জবাই.


পূর্ণতার মঞ্চ

এই পর্যায়টি তাঁর কাজের শুরুতে সম্পর্কিত ছিল, ক্যান্ট জন্ডো কবিতা, জনপ্রিয়তার প্রতি তাঁর অনুরাগ থেকেই ধারণা করা হয়েছিল এবং যেখানে আবেগ প্রকাশ করার পথে একটি পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। জিপসি বল্লাদ ওয়াই নিউইয়র্কের কবি তারা এই পর্যায়ে আলো দেখেছিল এবং কবি সাহিত্যিক পরিপক্কতায় প্রবেশ করেছিলেন।


নিম্নলিখিতটি ফেডেরিকো গার্সিয়া লোরকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাব্য রচনা ছিল:


- কবিতা বই (1921).

- ক্যান্ট জন্ডোর কবিতা (1921).

- সালভাদোর ডালিকে ওডে í (1926).

 জিপসি রোম্যান্স (1928).

- নিউইয়র্কের কবি (1930).

- ইগনাসিও সানচেজ মেজিয়াসের জন্য কেঁদে ফেলুন (1935).

- ছয় গ্যালিশিয়ান কবিতা (1935).

- তামারিত ডেবেড (1936).

- অন্ধকার প্রেমের সনেটস (1936).

সর্বাধিক প্রতিনিধি কবিতার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ক্যান্ট জন্ডোর কবিতা (1921)

লোরকার এই কাজটি আন্দালুসিয়ার ঐতিহ্যের মধ্যে তৈরি হয়েছিল এবং সম্ভবত সংগীতশিল্পী ম্যানুয়েল ডি ফাল্লার সাথে তাঁর পেশাদার সম্পর্কের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল। বইটি একটি ছাঁটাই এবং চারটি বিভাগে যথাক্রমে সাত, আঠারো এবং আটটি কবিতা নিয়ে গঠিত হয়েছিল।


কবি ফ্লামেনকো নৃত্য সম্পর্কিত কবিতাও লিখেছিলেন, এর মধ্যে “দুটি মেয়ে” এবং “ছয় ক্যারিকে” রয়েছে। অবশেষে তিনি নাট্য দৃশ্যের বৈশিষ্ট্য সহ দুটি সংলাপ যুক্ত করেছিলেন, প্রত্যেকে একটি করে একটি গান অনুসরণ করেছিলেন। রচনাটি লেখার দশ বছর পরে 1931 সালে প্রকাশিত হয়েছিল।


জিপসি রোম্যান্স (1928)

এই কাজের মধ্যে লর্কা রাত, আকাশ এবং চাঁদ উল্লেখ করে জিপসি সংস্কৃতি সম্পর্কিত থিম তৈরি করেছিল developed কবিতাগুলি আটটি বর্ণনামূলক শ্লোকগুলির রোম্যান্স বা লিরিক্যাল কম্পোজিশন, জোড়ায় ছড়াছড়ি, যখন বিজোড়গুলি নিখরচায় বা আলগা।


কবিতাগুলি আন্ডালুসিয়ার জিপসি শহরগুলিতে সেট করা হয়েছে এবং লেখক তাদেরকে উপমা, রূপক এবং ব্যক্তিত্ব দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। নাটকটি ছিল প্রান্তিক মানুষ সম্পর্কে, কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রতিনিয়ত নিপীড়িত হয়ে এবং সমতার জন্য লড়াই করা fighting




নিউইয়র্কের কবি (1930)

এই কাব্যগ্রন্থটি লোরকা তাঁর নিউ ইয়র্ক সিটিতে ভ্রমণের পরে এবং তাঁর সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক পর্যবেক্ষণের পরে লিখেছিলেন। এটি ছিল পুঁজিবাদী ব্যবস্থা এবং তার সর্বোপরি আফ্রিকান আমেরিকানদের সাথে যেভাবে আচরণ করা হয়েছিল তার প্রত্যাখ্যানের প্রতিচ্ছবি।


রূপক ভাষায় কবি এমন প্রয়োজন প্রকাশ করেছিলেন যে সমাজের একটি অংশের ন্যায়বিচার, সাম্য ও স্বাধীনতা থাকতে হবে। এছাড়াও, তিনি আধুনিক ও শিল্পের উপস্থিতিতে অমানবিকরণের নিন্দা করেছিলেন; লেখকের ভাষা রূপক এবং আবেগের ভিত্তিতে ছিল।


"নিউইয়র্কের অন্ধ প্যানোরামা" এর টুকরা

"এটা যদি পাখি না হয়

ছাইতে coveredাকা,

যদি এটি বিবাহের উইন্ডোগুলিকে আঘাত করে না,

বাতাসের সূক্ষ্ম প্রাণী হবে

যা অবর্ণনীয় অন্ধকারের মধ্য দিয়ে নতুন রক্ত ​​প্রবাহিত করে ... "

থিয়েটার

ফেডেরিকো গার্সিয়া লোরকা তাঁর নাট্য গ্রন্থগুলির মূক প্রকৃতির কারণে বিশ শতকের সেরা নাট্যকার হিসাবে বিবেচিত হয়েছেন। লেখকের এই ধরণের রচনাগুলি উচ্চ কাব্যিক বোঝা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং গোলাপ এবং রক্তের মতো চিহ্নগুলির ঘন ঘন ব্যবহারের ফলে অস্তিত্বের বিষয়গুলিও উত্থাপিত হয়েছিল।


লেখকের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ নাটকগুলি ছিল:

- বাটারফ্লাই হেক্স (1920).

- মারিয়ানা পাইনেদা (1927).

- উন্নত জুতো প্রস্তুতকারক (1930).

- রেটাবলিলো ডি ডন ক্রিস্টাবাল (1930).

- জনগণ (1930).

- তো পাঁচ বছর কেটে গেছে (1931).

- ডান পার্লিম্প্লিন তাঁর বাগানে বেলিসার সাথে প্রেম (1933).

- রক্ত ​​বিবাহ (1933).

- ইয়ারমা (1934).

- ডোয়া রোসিটা একক মহিলা বা ফুলের ভাষা (1935).

- বার্নার্ডা আলবার বাড়ি (1936).

- শিরোনামহীন কৌতুক (1936, সম্পূর্ণ হয়নি)

- অন্ধকার প্রেমের সনেটস (1936).

সর্বাধিক প্রতিনিধি নাটকের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

বাটারফ্লাই হেক্স (1921)

                এটি লর্কার প্রথম নাটক, প্রিমিয়ার হয়েছিল 2 শে মার্চ, 1920 এ স্পেনের রাজধানী এসলাভা থিয়েটারে। এটিতে প্রত্যাশিত গ্রহণযোগ্যতা ছিল না, সম্ভবত এটি পোকামাকড় দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়েছিল এবং এটি শ্রোতা এবং সমালোচকদের কাছে শিশুসুলভ বলে মনে হতে পারে।


নাটকটি ব্যর্থতা, প্রেম এবং জীবনের শেষের মতো থিমগুলিকে স্পর্শ করেছে, যা মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে একটি গভীর অর্থ ছিল। তিনি কুরিয়ানিতোর গল্পটি বর্ণনা করেছিলেন, একজন পুরুষ তেলাপোক যিনি কবি হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু যাকে তাঁর নিজের মায়ের দ্বারা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।


যখন একটি ডানা দিয়ে আহত একটি প্রজাপতি তার জীবনে এসেছিল, এবং যার সাথে তিনি তার সমস্ত প্রাণীর প্রেমে পড়েছিলেন তখন এই ছোট্ট নায়কটির পৃথিবীর এক ভিন্ন দৃষ্টি ছিল। দুর্ভাগ্যক্রমে প্রেম ট্র্যাজেডিতে কলঙ্কিত হয়েছিল; উভয় প্রেমিক মারা গেলেন।


রক্ত বিবাহ (1933)

এটি আয়াতগুলিতে রচিত একটি নাটক ছিল, যার প্রিমিয়ার 8 মার্চ, 1933-এ বিয়াতিজ থিয়েটারে মাদ্রিদে হয়েছিল। গল্পটি কিংবদন্তীর মধ্যে বিকশিত ঘটনাগুলির সম্পর্কে ছিল, যেখানে jeর্ষা এবং অতিরিক্ত আবেগ একটি মারাত্মক নিয়তির দিকে পরিচালিত করে, যেখানে কেবল প্রেমই তা প্রতিরোধ করতে পারে।

গার্সিয়া লোরকা তাঁর অনেক রচনার মতোই আন্দালুসীয় ভূখণ্ডে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং কাজকে কাব্যিক অর্থ দেওয়ার জন্য প্রতীক ব্যবহারও করেছিলেন। মুকুট, ছুরি, চাঁদ এবং ঘোড়া এমন কিছু উপাদান যা এই কাজের অর্থ আরও গভীর করে।


ইয়ারমা (1934)

এই কাজের মধ্যে, লর্কা অসম্ভব কামনা, ঘৃণা এবং শাস্তি সম্পর্কিত থিম তৈরি করেছে। এটি 29 ডিসেম্বর, 1934 সালে স্প্যানিশ থিয়েটারে প্রিমিয়ার হয়েছিল; লেখক এটিকে দুটি করে চিত্রের পরিবর্তে তিনটি রচনায় রচনা করেছিলেন।


এটি যিরমার নামে এক মহিলার গল্প ছিল, যিনি মা হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন, কিন্তু তা করতে ব্যর্থ হয়ে তিনি নিজের প্রতি ঘৃণার অনুভূতি পোষণ করেছিলেন। তিনি হতাশা অনুভব করেন এবং একই সাথে সামাজিক চাপ তাকে তার স্বামীর জীবন নিতে পরিচালিত করে, যা নাটকটিকে ট্র্যাজেডিতে পরিণত করে।


বার্নার্ডা আলবার বাড়ি (1936)

এটি গার্সিয়া লোরকার সর্বাধিক পরিচিত রচনা এবং এটি ১৯৩36 সালে লেখা হলেও এটি বুয়েনস আইরেস শহরে ১৯৪45 সালে মঞ্চে আনা হয়েছিল। সেই সময় থেকে এটি বিভিন্ন দেশ এবং ভাষায় পরিবেশিত হয়েছে এবং চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশনের জন্য সংস্করণ তৈরি করা হয়েছে।

কাজের মূল থিম হ'ল বিংশ শতাব্দীর শুরুতে গ্রামীণ স্পেনের মহিলাদের উপর অত্যাচার, যেখানে নিষিদ্ধরা পৃষ্ঠতলে ছিল। একইভাবে, লেখক ধর্মের জন্য সমাজের ধর্মান্ধতা এবং ঘনিষ্ঠতা এবং যৌনতা আবিষ্কারের ভয়কে প্রতিফলিত করেছিলেন।


লর্কা বার্নার্ডা আল আলবা নামে ষাট বছর বয়সী এক মহিলার গল্পটি বর্ণনা করেছিলেন, যিনি দ্বিতীয়বার বিধবা হওয়ার পরে আট বছরের জন্য শোকের মধ্যে বেঁচে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ক্রিয়াগুলি নায়কটির বাড়িতে এবং তাদের হৃদয়ের গভীরতায়ও যায়।


নাট্যকার বিভিন্ন থিম এবং চিন্তা একত্রিত করেছেন, যার মধ্যে ঘৃণা, লালসা, হিংসা, তত্কালীন সমাজে নারীর ভূমিকা এবং স্বাধীনতা প্রকাশ পেয়েছিল। তদতিরিক্ত, তিনি প্রচলিত প্রতীক দিয়ে কাজটি আক্ষরিকভাবে সমৃদ্ধ করেছিলেন।

∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆



Friday, 4 June 2021

জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য।। অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।।০৪.০৬.২০২১. Vol -393. The blogger in literature e-magazine

অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।

 জন্ম ইংল্যান্ডের কেন্টে,১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে ৪ জুন। তাঁর পিতা জোসেফ হিউম ছিলেন একজন র‍্যাডিকেল সংসদ সদস্য। তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কলেজ ও ইউনিভার্সিটি কলেজ হসপিটালে মেডিসিন ও সার্জারি বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। ১৮৪৯ সালে তিনি ভারত গমণ করেন এবং বেঙ্গল সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। বর্তমান উত্তর প্রদেশের (নর্থ-ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স) ইতওয়াতে ছিল তাঁর প্রথম কর্মক্ষেত্র। এছাড়া বেসামরিক কর্মকর্তা হিসেবে ১৮৪৯ থেকে ১৮৬৭ সাল পর্যন্ত জেলা কর্মকর্তা, ১৮৬৭ থেকে ১৮৭০ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বিভাগের প্রধান এবং ১৮৭০ থেকে ১৮৭৯ সাল পর্যন্ত সরকারি সচিব হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন।

              ভারতে আগমণের মাত্র নয় বছর পর হিউম ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ প্রত্যক্ষ করেন। বিদ্রোহ দমনে তিনি বেশ কয়েকটি সেনা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন এবং বিদ্রোহ দমনে তাঁর সাফল্যের জন্য ১৮৬০ সালে তিনি অর্ডার অফ দ্যা বাথ পদকে ভূষিত হন। হিউমের কর্মস্থল ইতওয়া বিদ্রোহের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু মিরাটের বেশ কাছাঁকাছি হলেও প্রথম দিকে তিনি বেশ নিরাপদেই ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ছয় মাসের জন্য আগ্রা দুর্গে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন. ১৮৫৮ সালে তিনি যখন পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন একজন ভারতীয় কর্মকর্তা ছাড়া আর কেউই তাাঁর অণুগত ছিল না। তিনি অণুগত ভারতীয় সেনাদের নিয়ে ৬৫০ সদস্যবিশিষ্ট একটি আধাসামরিক বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে কাজে নামেন। বিদ্রোহ দমনে ব্রিটিশদের অদক্ষতা এবং তাদের ‘ক্ষমা ও সহিষ্ণুতার নীতি’র ব্যাপক সমালোচনা করেন।

জেলা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপালনকালে শুরুর দিকে তিনি অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করার চেষ্টা করেন। এছাড়া তিনি "লোকমিত্র" নামে স্থানীয় একটি পত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেন।

১৮৫৩ সালে তিনি মেরি অ্যান গ্রিন্ডাল কে বিবাহ করেন।

রচনা কর্ম।

Bruce, Duncan A. (2000) The Scottish 100: Portraits of History's Most Influential Scots, Carroll & Graf Publishers.
Buck, E. J. (১৯০৪)। Simla, Past and Present। Calcutta: Thacker & Spink।
Mearns and Mearns (1988) Biographies for Birdwatchers. Academic Press. আইএসবিএন ০-১২-৪৮৭৪২২-৩
Mehrotra, S. R. (2005) Towards India's Freedom and Partition, Rupa & Co., New Delhi.
S. R. Mehrotra, Edward C. Moulton (Eds) (2004) Selected Writings of Allan Octavian Hume: District Administration in North India, Rebellion and Reform, Volume One: 1829-1867. Oxford University Press. আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৫৬৫৮৯৬-৫
Moxham, Roy (2002) The Great Hedge of India. আইএসবিএন ০-৭৫৬৭-৮৭৫৫-৬
Wedderburn, W. (১৯১৩)। Allan Octavian Hume. C.B. Father of the Indian National Congress। T.F. Unwin. London।

ভারতের পক্ষীবিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক ইতিহাসে তাঁর অবদানের জন্য তাকে "ভারতীয় পক্ষীবিদ্যার জনক" আখ্যা দেওয়া হয়। অবশ্য এ বিষয়ে তাঁর কর্তৃত্বপূর্ণ স্বভাবের জন্য তিনি যথেষ্ট সমালোচিত এবং তার সমালোচকদের কাছে তিনি "ভারতীয় পক্ষীবিদ্যার পোপ" নামে পরিচিত।
তিনি একজন রাজনৈতিক সংস্কারক এবং শখের পক্ষীবিদ ও উদ্যানতত্ত্ববিদ। তিনি ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজন।

      জুলাই ৩১, ১৯১২সালে মৃত্যুবরণ করেন।
∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆


Thursday, 3 June 2021

জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য। অসিত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। ০৩.০৬.২০২১. Vol -392. The blogger in literature e-magazine


অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়

১৯২০ সালে ৩রা জুন উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ মহকুমার নকফুলে গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা অক্ষয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, মাতা চারুবালা দেবী। ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে তাঁরা হাওড়ায় বসবাস করতে থাকেন। ১৯৩৮ সালে হাওড়া জিলা স্কুল থেকে বাংলায় ৭৭% নম্বর সহ জেলায় এই বিষয়ে প্রথম হয়ে ম্যাট্রিক পাশ করেন। এরপর রিপন কলেজ (অধুনা সুরেন্দ্রনাথ কলেজ) থেকে আইএ পরীক্ষায় বাংলা ও আসামের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন। তারপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্য নিয়ে বিএ ও এমএ পরীক্ষায় (১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে) প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্বর্ণপদক লাভ করেন। কলেজ জীবনেই ১৯৪১-৪২ সালে সায়গণ থেকে প্রদত্ত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বক্তৃতাগুলো বঙ্গানুবাদ করে ফরোয়ার্ড পত্রিকায় ছাপতে থাকেন। ছাত্রাবস্থাতেই তার গল্প দেশ ও অদ্বৈত মল্লবর্মণের ‘নবশক্তি’ পত্রিকায় প্রকাশিত হতে থাকে। ১৯৪৫ সালে এমএ পাশ করে সেই বছরেই নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন। পরে রিপন কলেজে ও ১৯৫৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে যোগ দেন। উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অধ্যাপক হয়েছিলেন তিনি। ১৯৮৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নেন। ২০০২ সালে অন্নদাশঙ্কর রায়ের মৃত্যুর পর পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সভাপতির পদে আসীন হন ও আমৃত্যু সেই পদে বহাল থাকেন।তাঁর স্ত্রী হাওড়া গার্লস কলেজের ইতিহাসের অধ্যাপিকা বিনীতা গঙ্গোপাধ্যায় (২৯/০১/১৯২৫ - ১৫/০৪/২০০৬) ঐতিহাসিক উপন্যাস,গল্প ভ্রমণকাহিনী লিখেছেন সুকন্যা ছদ্মনামে ।

                          তাঁর বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (১০ খন্ড) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় অবিস্মরণীয় গ্রন্থ বিশেষ করে সময়কালর প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সমালোচকদের বক্তব্য কে সামনে রেখে এমন পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা গ্রন্থ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সর্বাধিক পঠিত। ছাত্রছত্রীসহ গবেষকদের কাছে এগুলি আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত। এককথায় বাংলা সাহিত্যকে জানতে গেলে অসিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত সর্বজন স্বীকৃত গ্রন্থ। 

গ্রন্থটির পরিকল্পনা এমনই -

প্রথম খণ্ড - বাংলা ভাষা সাহিত্যের উদ্ভবের পটভূমি, ইতিহাস ও চর্যাপদ, চর্যাপদ এর পর থেকে চৈতন্যদেব-এর আগে অবধি আদি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য। কৃত্তিবাস, মিথিলার বিদ্যাপতি প্রমুখদের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে এই খণ্ডে।

দ্বিতীয় খণ্ড - ষোড়শ শতাব্দীর চৈতন্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ধারা এখানে আলোচিত। চৈতন্যদেবের জীবন, সাহিত্যে সমাজে তার প্রভাব, চৈতন্য জীবনী সাহিত্য, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস প্রমুখের বৈষ্ণবপদাবলী এখানে বিস্তারিতভাবে আলোচিত। পাশাপাশি রয়েছে মনসামঙ্গলের বিজয়গুপ্ত, নারারণদেব, বিপ্রদাস পিপলাই, চণ্ডীমঙ্গলের দ্বিজ মাধব, মুকুন্দ চক্রবর্তী প্রমুখের আলোচনা।

তৃতীয় খণ্ড - এর প্রথম পর্বে রয়েছে সপ্তদশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের আলোচনা। কেতকাদাস ক্ষেমানন্দের মনসামঙ্গল, দৌলত কাজী সৈয়দ আলাওলের মত মুসলিম কবিদের লেখা প্রণয়কাব্য ও অনুবাদ সাহিত্য, কাশীরাম দাসের মহাভারত নিয়ে আলোচনা পাওয়া যাবে এইখানে।

দ্বিতীয় পর্বে রয়েছে অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম পর্বের বাংলা সাহিত্য নিয়ে আলোচনা। রামপ্রসাদ, কমলাকান্তের শাক্ত পদাবলী বা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর নিয়ে আলোচনা এখানে পাওয়া যাবে।

 চতুর্থখণ্ড - এই খণ্ডে আলোচিত বিষয়বস্তু অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয় পর্ব থেকে ঊনিশ শতকের প্রথম পর্ব পর্যন্ত আখড়াই, হাফ আখড়াই, কবিগান ইত্যাদি প্রসঙ্গ।

পঞ্চম খণ্ড - প্রায় হাজার পাতার সুবিশাল এই খণ্ডটি বাংলা গদ্যের আদিপর্বের ইতিহাস সম্পর্কে এখনো অবধি শ্রেষ্ঠ কাজ। বাংলা গদ্যের প্রাক উনিশ শতকীয় বিভিন্ন নিদর্শন নিয়ে আলোচনার পর পর্তুগীজদের লেখা বাংলা গদ্য, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের লেখা গদ্য গ্রন্থ নিয়ে অজস্র অজানা অচেনা তথ্যকে তিনি মহাফেজখানা খুঁড়ে বের করে এনেছেন।

ষষ্ঠ খণ্ড - এই খণ্ডে রামমোহন সমসাময়িক বাংলা সাহিত্য, বাংলা সাংবাদিকতা ও সাময়িক পত্রের উদ্ভব বিকাশের ইতিহাস পাওয়া যাবে।

 সপ্তম খণ্ড - এই খণ্ডের কেন্দ্রীয় চরিত্র অবশ্যই মাইকেল মধুসূদন ও বিদ্যাসাগর। ঈশ্বর গুপ্ত এবং মহাকাব্যযুগের রঙ্গলাল, হেমচন্দ্র, নবীন চন্দ্রও এখানে আলোচিত হয়েছেন। বাংলা সাহিত্যে বিদ্যাসাগর নামে বিদ্যাসাগর সম্পর্কে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থও রয়েছে অসিত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

অষ্টম খণ্ড - এই খণ্ডের কেন্দ্রীয় চরিত্র বঙ্কিমচন্দ্র। ঊনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের বাংলা সাহিত্যের পরিচয় রয়েছে এখানে।

নবম খণ্ড - বঙ্কিমচন্দ্র থেকে রবীন্দ্রনাথ পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন লেখকেরা এখানে আলোচিত হয়েছেন।

দশম খণ্ড - এই খণ্ডটি লিখতে লিখতে অসিত বাবু অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং প্রয়াত হন। রবীন্দ্রনাথের কাব্য সাহিত্যের আলোচনাটুকুই কেবল এখানে পাওয়া যাবে। রবীন্দ্রনাথ বিষয়ে অসিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি অন্য গ্রন্থ অবশ্য আগে প্রকাশিত হয়েছিল। সাহিত্য সমালোচক রবীন্দ্রনাথ নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে।

এছাড়া তিনি রচনা করেছিলেন - 
       প্রাচীন বাঙালি ও বাংলা সাহিত্য, উনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্য, উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ ও বাংলা সাহিত্য , সমালোচনার কথা , উনিশ - বিশ, সাহিত্য জিজ্ঞাসা রবীন্দ্রনাথ, বাংলা সাহিত্যে বিদ্যাসাগর, শরৎ প্রসঙ্গ ও অন্যান্য প্রবন্ধ, দুই নারী ও তিন নায়িকা , কমলাকান্তের বঙ্গদর্শন ,ঊনিশ শতকের আলো শ্রীরামকৃষ্ণ ও   শ্রীরামকৃষ্ণ সংঘ, বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতা, হাওড়া শহরের ইতিবৃত্ত, চিন্তা- বিচিন্তা, ছাত্র সমাজের প্রতি আহবান স্মৃতি-বিস্মৃতির তর্পনে, স্মৃতির উজান প্রভৃতি।
   এই ছাড়াও রয়েছে তাঁর সম্পাদিত বহু গ্রন্থ ।আঞ্চলিক বাংলা ভাষার অভিধান রচনা তিনি নিয়োজিত ছিলেন। 
     বিশেষ করে তার স্বচ্ছ সুন্দর স্বাভাবিক প্রকাশ নৈপুণ্য সবাইকে আকৃষ্ট করত।  প্রতিভার এই মহৎ গুণে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে হয়ে উঠেছিলেন একজন স্বনামধন্য প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক। দীর্ঘদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুনাম ও খ্যাতির সঙ্গে শরৎচন্দ্র অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বহু প্রতিভাধর ছাত্র-ছাত্রী তৈরি করে তিনি আদর্শ শিক্ষক হয়ে উঠেছেন অসীম ধৈর্য শ্রম নিষ্ঠা অধ্যাবসায় ও পাণ্ডিত্য তার অন্যতম চারিত্রিক গুণাবলী। 


পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সভাপতিত্ব করা ছাড়াও তিনি এশিয়াটিক সোসাইটির বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গবেষক ছিলেন। একাধিকবার সম্মেলন উপলক্ষে ও অতিথি-অধ্যাপনার জন্য বিদেশেও গিয়েছেন। ১৯৮১ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক বুদ্ধমহাভাব মহাসম্মেলনে যোগ দেন এবং ১৯৯৬ সালে অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি অধ্যাপক হিসাবে ভাষণ দেন। চিন্তাবিদ ও গবেষক হিসাবে একাধিক পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি। 

    ২১ শে মার্চ, ২০০৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆


Wednesday, 2 June 2021

জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য । টমাস হার্ডি (Thomas Hardy). ২রা জুন,২০২১. Vol -391. The blogger in literature e-magazine


                 

                 টমাস হার্ডি (Thomas Hardy)


" The ingenious machinary contrived by the gods for reducing human possibilities to a minimum "

১৮৪০ সালে ২ রা মে পূর্ব ডচেষ্টারশায়ারের হায়ার বকহ্যাম্পটন নামে একটি পল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা টমাস (১৮১১-১৮৯২) ছিলেন একজন রাজমিস্ত্রী। হার্ডির মা জেমিমা হার্ডি (১৮১৩-১৯০৪ যার বিবাহপূর্ব নাম ছিল জেমিমা হ্যান্ড) একজন বিদূষী মহিলা ছিলেন এবং হার্ডির বয়স আট বছর হওয়া পর্যন্ত তিনি তাকে বাড়িতে শিক্ষা দেন। এরপর হার্ডিকে বকহ্যাম্পটনের স্কুলে ভর্তি করা হয়। হার্ডির পরিবার খুব সচ্ছল ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় মাত্র ষোল বছর বয়সে তাকে পড়ালেখা ছেড়ে দিতে হয়। এরপর তিনি ১৮৫৬ তে জেমস হিক্‌স নামে স্থানীয় এক স্থপতির কাছে শিক্ষানবীশি হিসাবে কাজ শুরু করেন। ওই সময় তিনি ডোরসেটের কবি  William Barnes এবং স্থানীয় ভিকারের বুদ্ধিজীবী পুত্র Horace Moule এর সঙ্গে তার বন্ধুত্ব সাহিত্য সৃষ্টির প্রতি সহায়ক হয়। ১৯৫৭ সালেই তিনি কবিতা ও প্রবন্ধ রচনায় নিজেকে নিয়োজিত করেন কিন্তু বন্ধু Moule তাকে স্থাপত্যবিদ্যার কর্ম পরিত্যাগ না করতে উপদেশ দিলেন। হিক্স এর অধীনে কাজের খাতিরে এ সময় তাকে গ্রামে-গঞ্জে ঘুরতে হয়। ১৮৬০ সালে তিনি এলেন  লন্ডনে। কিংস কলেজে ভর্তি হন। ইতমধ্যে তিনি একজন স্থপতি হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। রয়্যাল ইন্সটিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস এবং আর্কিটেক্টারাল এ্যাসোসিয়েশন থেকে তিনি পুরস্কার লাভ করনে। ১৮৬৭-৬৮ সালে তিনি প্রথম গল্প লিখলেন the poor man and the lady. ১৮৭০ সালে কর্নওয়ালের একটি প্রাচীন গীর্জার স্থাপত্য নিয়ে কাজ করার সময় এমা লাভিনিয়া গিফোর্ড এর সাথে তার পরিচয় হয়। ১৮৭৪ সালে তারা বিয়ে করেন। ১৯৭৪ সালে প্রকাশিত হয় .far from the madding crowd. বিয়ের কিছুদিন পর সামান্য জামা-কাপড় বইপত্র নিয়ে স্ত্রীকে সঙ্গে বেরিয়ে পড়লেন ইউরোপ ভ্রমণে। কিছুদিন ভিয়েনার পল্লী প্রকৃতির মধ্যে বসবাস। সুখী দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করতে থাকেন। কিন্তু সন্তান লাভের চির কামনা শেষ হয়ে যায়। ফিরে আসেন আবার লন্ডনে।বিভিন্ন সাহিত্য কর্মের মধ্যে মনোনিবেশ করেন এবং এই সময় তিনি তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস গুলি রচনা করেন।সন্তানহীনতাঃ স্ত্রীকে ক্রমেই উন্মাদ করে তোলে সাধারণ বিষয় নিয়ে তর্ক কলহ অশান্তি যা তার লেখার মধ্যে ফুটে উঠতে থাকে অবশেষে ১৯১২ সালে প্রথম প্রথম এর মৃত্যু হয়। ১৯১৪ সালে তিনি দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন ফ্লোরেন্স এমিলিকে। পৃথিবীর নো আন্তরিক ব্যবহার ও হৃদয় গত ভালোবাসায় তিনি শান্তি লাভ করেন । আবাসভূমি হয়ে ওঠে নতুন লেখকের আলোচনার ক্ষেত্র।টমাস হার্ডির লেখা প্রথম উপন্যাসের নাম ’দ্যা পুওর ম্যান এন্ড দ্যা লেডি’। এটি লেখা‌ শেষ হয় ১৮৬৭ সালে। লেখাটি প্রকাশ করার জন্য কোন প্রকাশক আগ্রহী হননি। তার এক বন্ধু, কবি ও ঔপন্যাসিক জন মেরেডিথ এর পরামর্শে তিনি পরে আর এই লেখা প্রকাশের চেষ্টা করেননি। মেরডিথের মতে লেখাটির মধ্যে অনেক বিতর্কিত রাজনৈতিক বিষয় ছিল যা ছাপা হলে হার্ডিকে পরবর্তিতে সমস্যায় ফেলত। হার্ডি এই উপন্যাসের পান্ডুলিপিটি নষ্ট করে ফেলেছিলেন।

টমাস হার্ডির সাহিত্যকর্মের তালিকা :

The Poor Man and the Lady

Under the Greenwood Tree

Far from the Madding Crowd

The Return of the Native

The Mayor of Casterbridge

The Woodlanders

Wessex Tales

Tess of the d'Urbervilles

Life's Little Ironies

Jude the Obscure

A Pair of Blue Eyes

The Trumpet-Major

Two on a Tower

A Group of Noble Dames

The Well-Beloved

Desperate Remedies

The Hand of Ethelberta

A Laodicean




সিনেমা: 

Far From the Madding Crowd, Tess, জুড, ফার ফ্রম দ্য ম্যাডিং ক্রাউড.

ছোট গল্প: 

The Three Strangers, A Tragedy of Two Ambitions, Barbara of the House of Grebe,

তাঁর সামগ্রিক মূল্যায়ন Richard Blackmur বলেছেন -

"The effect of the great liverating ideas of the nineteenth century upon hardy's Ideas was apparently restrictive and even impeisoning "


এল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। যুদ্ধের ভয়াবহতায় কাতর হার্ডি আশ্রয় নিলেন Wessex এ।‌‌ টমাস হার্ডি ১৯২৮ সালে ১২ জানুয়ারি মারা যান। তাঁর মৃতদেহ দাহ করা হয়। তাঁর দেহাবশেষ ওয়েষ্ট মিনিস্টার এ্যাবের পোয়েটস কর্ণারে রাখা হয়েছে। দাহ করার আগে তাঁর মৃতদেহ থেকে হৃদপিন্ডটি স্টিনসফোর্ড গীর্জার সমাধিক্ষেত্রে তাঁর পূর্ব পুরুষদের কবরের পাশে সমাহিত করা হয় -Wessex এ।

   The Last of the great victorians.


সামগ্রিক জীবনের উপলব্ধি থেকে বলেছিলেন -

"The sea changed, the fields changed ,the rivers, the village s,and the people changed yet Egdon remained. "


∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆





Tuesday, 1 June 2021

বার্ষিক প্রতিবেদন : ১ম বর্ষপূর্তি সংখ্যা
∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆

∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆
দৈনিক শব্দের মেঠোপথ
(Doinik Sabder Methopath)

শুভ প্রকাশ -
        ১৬০ তম রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী
         ২৫ বৈশাখ, ১৪২৭. শুক্রবার
           ৮ মে ২০২০. সকাল -৬.০৫ মিঃ।

                 প্রতিদিন নিয়মিত প্রকাশিত।।
             অনলাইন পত্রিকা।( ই ম্যাগাজিন)
                   (Blogger.in )
                ( ই - দৈনিক শব্দের মেঠোপথ)


বর্ষপূর্তি বিষয়ক 
বিষয়-বৈচিত্র্য : (vol 1-365)

১।          ৮ - ৩১ মে ২০২০ -

               
 * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বংশতালিকা, জন্মপঞ্জিকা , ঠিকুজি এবং প্রথম কবিতা "অভিলাষ".
   দাম্পত্য জীবনে রবীন্দ্রনাথ।
   ব্যতিক্রমী জমিদার রবীন্দ্রনাথ।
এতদিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।
নোবেল পুরস্কার ও রবীন্দ্রনাথ।
রবীন্দ্রনাথের প্রকৃতি প্রেম।
রবীন্দ্রনাথের বিজ্ঞান ভাবনা।
রবীন্দ্রনাথের স্বদেশ চেতনা।
শান্তিনিকেতনে ও রবীন্দ্রনাথ।
রেখায় রঙে রবীন্দ্র মনন।
সুদূর পিয়াসী মন ও রবীন্দ্রনাথ।
মেদিনীপুরে রবীন্দ্রনাথ।
বিশ্ব সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি।
বিশ্ব ডাকটিকিটে রবীন্দ্রনাথ।
শিশু মন ও রবীন্দ্রনাথ।
সবার হৃদয়ে রবীন্দ্রনাথ।( সংকলিত).
    জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি -
             বব ডিলান ও সৌমেন চন্দ।
১২২ তম কবি নজরুলের জন্ম দিবস উপলক্ষ্যে-" চেতনাতে নজরুল "
 (জন্ম-মৃত্যু, বংশতালিকা ,সমাধিক্ষেত্র, নানান বিখ্যাত কবিতার লাইন ও রঙিন ছবি)
  সৃষ্টি সুখের উল্লাসে নজরুল।
পারিবারিক জীবনে নজরুল।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
ছাত্র নজরুল।
রাজরোষে নজরুল ।
ভোমর কবি নজরুল।


২।         জুন ২০২০ -


সমসাময়িক পত্রপত্রিকায় সম্পাদনায় নজরুল।
চলচ্চিত্রে নজরুল।
নজরুলের সম্মাননাপ্রাপ্তিও গুণীজন সান্নিধ্য।
জীবন বৃত্তের ক্যানভাসে নজরুল।
প্রচ্ছদপটে নজরুলের সৃজন কর্ম।
নজরুলের সংগৃহীত এবং ব্যবহৃত সামগ্রী।
নজরুল ও বিদ্রোহী কবিতা।
চেতনাতে নজরুল (সংকলিত)।
সবার হৃদয়ে রবীন্দ্রনাথ চেতনাতে নজরুল।
গ্রন্থালোচনা - ঋগ্বেদ
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - প্রমথনাথ বিশী।
যোগী (যুগী) সম্প্রদায়ের জীবন ও সংস্কৃতি.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -  W.B.Yeats.
গল্প - খোলস - অঞ্জন কুমার দাস.
শিশুদের পাতা (ছড়ায় ও আঁকায়) পর্ব -১.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
      হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও মন্মথ রায়.
English poem - 03.      Bivas Jana.
Title - My heart was a Tree (Ted Hughes)
 শতবর্ষের আলোকে বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা আদিবাসী জীবন।
বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতায় প্রেম ভাবনা।
মাতলামোর কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য    - নির্মলেন্দু গুণ।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  -কবিশেখর কালিদাস রায়.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - নবারুণ ভট্টাচার্য.
ফিরে দেখা ( রথযাত্রার বিষয়ক)
গুচ্ছ কবিতা - বিনীতা জানা। (০৫).
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত।
ব্যতিক্রমী কবি প্রতিভায় বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
জন্মভূমি ও বিদ্যাসাগর :জীবনের শেষ বেলা.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - বুদ্ধদেব গুহ।
অনুগল্প সংখ্যা (পর্ব ১). ৫০ শব্দের। সংকলিত.


৩।       জুলাই -২০২০ -


জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - ডা: বিধানচন্দ্র রায়.
গ্রন্থালোচনা - বহির্ভারতে রামায়ণ চর্চা।
লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক -মানত ও ভর।
লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক - গ্রামথানা।
আঞ্চলিক ছড়া বিষয়ক সংকলন।
হারিয়ে যাওয়া লৌকিক শব্দ। 
অনু নাটক - ডি .এন. প্রধান। ০৫ টি
রবীন্দ্র কাব্য কবিতায় ব্যবহৃত যানবাহন।
ছড়া সংখ্যা (পর্ব -১). সংকলিত।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -  মতি নন্দী।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  -আল মাহমুদ.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - পাবলো নেরুদা.
জন্মদিনের বর্ণপরিচয়ে প্রবাহিত মানুষ : বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.
শিশু-কিশোর সংখ্যা ( পর্ব -২).
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - অক্ষয় কুমার দত্ত।
লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক -
কৃষিকাজে প্রচলিত বাংলার প্রবাদ.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - বিজন ভট্টাচার্য.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  -বিষ্ণু দে.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -                         দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ও বনফুল।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত।
প্রকৃতি বিষয়ক কবিতা সংখ্যা (পর্ব -১). (সংকলিত)
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -  
ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় ও প্যারীচাঁদ মিত্র।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়.
অনু নাটক সংখ্যা (পর্ব ১)সংকলিতা(১০০ শব্দে)
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়.
গ্রন্থালোচনা - লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক                গ্রন্থ । লেখক - ড. প্রবালকান্তি হাজরা।
অপরিণত ব্যক্তি বৈভবে কালিদাস।
আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চা (পর্ব -১).    
        পটাশপুর দর্পণ  ও খেজুরি দর্পণ পত্রিকা।
গুচ্ছ কবিতা - কবি বিষ্ণুপদ জানা। ০৫ টি।
বাঙালির জীবন সংস্কৃতিতে ঝুলন একাদশীর গুরুত্ব।
অনুগল্প সংখ্যা (পর্ব -২). সংকলিতা।


৪।    আগস্ট ২০২০-


 হেমন্তের তারাভরা আকাশে একটি নক্ষত্র আয়ু অম্বুজ বসু।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - 
প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ওভূমেন্দ্র গুহ।
রাখি বন্ধন ও রবীন্দ্রনাথ।
কবি শেলী র কাব্যাদর্শ।
মহানির্বাণের অস্তরাগ :রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.
শেষলেখা : মৃত্যুচেতনার এক দিকদর্শন।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য প্রমথ চৌধুরী।
বাইশে শ্রাবণ উপলক্ষ্য -
পরপারে রবীন্দ্রনাথ. সংকলন.  (পর্ব-১)
ছড়া সংখ্যা (পর্ব -২) সংকলিত.
পরপারে রবীন্দ্রনাথ (পর্ব -২)
পরপারে রবীন্দ্রনাথ (পর্ব -৩)
শিশু-কিশোর সংখ্যা ( পর্ব ৩) সংকলিত।
পরপারে রবীন্দ্রনাথ (পর্ব -৪)
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - মালীবুড়ো।
পরপারে রবীন্দ্রনাথ (পর্ব -৫)
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - সুকান্ত ভট্টাচার্য।
কবিতার সংখ্যা (বিষয়ে- স্বাধীনতা) । সংকলিত
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - শম্ভু রক্ষিত।
মুক্তগদ্য       -  মঞ্জীর বাগ।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায়।
পরপারে রবীন্দ্রনাথ (পর্ব -৬) অন্তিম।
বিশিষ্ট লেখক লেখিকাদের কলমপ্রীতি নিয়ে আলোচনা ও তথ্য পরিবেশন।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী।
প্রভু আমার প্রিয় আমার : শঙ্করীপ্রসাদ বসু।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য   - শম্ভু মিত্র।
শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবে ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাক্ষাৎকার।
অনু নাটক সংখ্যা (পর্ব -২). সংকলিত।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - 
সজনীকান্ত দাস ও তসলিমা নাসরিন।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - মাদার টেরিজা।
বিজ্ঞাপনে রবীন্দ্রনাথ।
গান বিষয়ক আলোচনা-
 খড়ের প্রতিমা পুজিস রে তোরা
বই ও বই পড়া নিয়ে আলোচনা।
অনুগল্প সংখ্যা (পর্ব -৩) সংকলিত.
সংগ্রহযোগ্য বই এবং বই নিয়ে আলোচনা।


৫।     সেপ্টেম্বর ২০২০


হাংরি জেনারেশন।
শতবর্ষের আলোকে বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নিবেদিত কবিতা সংকলন।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - বজেন্দ্র লাল শীল।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - প্রেমেন্দ্র মিত্র
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণাণ
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
প্রবোধ চন্দ্র ভৌমিক ও জ্যোতির্ময় নন্দ।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
রাজনারায়ণ বসু, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও আশুতোষ মুখোপাধ্যায়।
আলোচনা  - বেহুলা মানবিক চরিত্র।
শিশুকিশোর পাতা (পর্ব -৪) সংকলিত.
আলোচনা - ওপার বাংলায় লোকসংগীত চর্চার সেকাল-একাল।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  -বিনয় বসু
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - সৈয়দ মুজতবা আলী।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - সুবোধ ঘোষ।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য-  শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - দিনেশ দাস।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - বিনয় মজুমদার।
মহালয় বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ।
ঘুড়িমন' বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষ্যে।
ছড়া সংখ্যা (পর্ব -৩)
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত  ও বিমল কর।
আধুনিক মানুষ বিদ্যাসাগর
অনু নাটক সংখ্যা (পর্ব -৩)
বিদ্যাসাগর এবং রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সাক্ষাৎ
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - অজিত জানা ও বিভাস চক্রবর্তী।
অনুগল্প সংখ্যা (পর্ব -৪)
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - ব্রাত্য বসু।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - নিকুঞ্জ বিহারী মাইতি।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - সতীনাথ ভাদুড়ী।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - ভগৎ সিং।
দ্বিশতবর্ষ জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বিদ্যাসাগর মহাশয় কে নিবেদিত কবিতা সংকলন।৫০টি
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিশেষ প্রতিবেদন - সম্রাট চক্রবর্তী (সংগৃহীত)


৬.    অক্টোবর ২০২০.


আলোচনা -
আধুনিক যুগে যন্ত্রণায় শান্তির বার্তা গান্ধীজীর অহিংসা নীতি।
১৫১ তম গান্ধীজীর জন্ম দিবস সংখ্যা।
আলোচনা-
মহাত্মা গান্ধী ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - মনীন্দ্র রায়।
আলোচনা - 
তুমি এলে শুভঙ্করী .........
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত ও মেঘনাথ সাহা
আলোচনা -
সাহিত্য গানে : দেশভাগ.
আলোচনা - 
আউল বাউলের গানে ভাসে বেদান্তের আর্তনাদ
আলোচনা -
ভারতীয় নারী আদর্শে বীরাঙ্গণা : পঞ্চকন্যা
আলোচনা -
জোড়াসাঁকো জংশন ও জেনেক্স রকেট প্যাড
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - সমর সেন ও অনিতা অগ্নিহোত্রী।
আলোচনা - 
শাঁওলি মিত্রের সীতাপাঠ শুধুমাত্র পাঠ নয়  অভিনয়ও।
আলোচনা -
বেদের যুগে স্ত্রীশিক্ষা ।
আলোচনা -
নারী শিক্ষা ও বেগম রোকেয়া।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - প্রচেত গুপ্ত।
শিশু-কিশোর গল্প। সংকলিত । ১
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - কবিতা সিংহ রায়।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য-ড. প্রবাল কান্তি হাজরা
আলোচনা- লালন ফকির।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - অতুলপ্রসাদ সেন।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -S.T.Colleridge.
মহাষষ্ঠী । শিশু-কিশোর পাতা (পর্ব 5) সংকলিত।
মহাসপ্তমী। ছড়া সংখ্যা (পর্ব -৪) সংকলিত
মহা অষ্টমী .অনুগল্প সংখ্যা (পর্ব ৫) সংকলিত
মহানবমী. অনু নাটক (সংখ্যা পর্ব ৪)সংকলিত
বিজয়া দশমী. কবিতা সংখ্যা (পর্ব ৪)সংকলিত
আলোচনা - 
পাশাঙ্কুশা একাদশী মাহাত্ম্য।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য-  ভগিনী নিবেদিতা।
আলোচনা-
 বাংলার পট : ঐতিহ্য ও বহুমাত্রিকতা।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
সুকুমার রায়, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, অরুণ কুমার সরকার ও EZRA POUND
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - JOHN KEATS


৭।   নভেম্বর ২০২০.


জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য-  অনিল ঘড়াই।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - অরুণ মিত্র ও শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - শ্যামলকান্তি দাশ।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -ঋত্বিক ঘটক।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - অতীন বন্দ্যোপাধ্যায় ও কিন্নর রায়.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -Albert Camus.
আলোচনা - পদাবলী মাধুর্য্য
আলোচনা - 
জীবনানন্দ দাশের কবিতায় হেমন্ত ঋতুকন্যা
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - জয় গোস্বামী।
আলোচনা -
পাখিদের কাকলিতে সুরেলা রবীন্দ্র সাহিত্য আলোচনা -
নিহিত আর ক্ষতচিহ্ন শঙ্খ ঘোষের কবিতা।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -মীর মশাররফ হোসেন
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -হরিপদ মন্ডল.
শিশু-কিশোর পাতা (পর্ব ৬) সংকলিত
আলোচনা - বাঁধনা পরব বা গোয়াল পুজো
অনুগল্প সংখ্যা ( পর্ব ৬) সংকলিত
আলোচনা -
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাই ফোঁটা
আলোচনা-
শিশুসাহিত্য ও আমরা 
আলোচনা -
হেমন্তের ধানের ক্ষেত।
ছড়া সংখ্যা (পর্ব ৫). সংকলিত
আলোচনা -
নজরুল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
আলোচনা -
কাব্য সমালোচক আবু সয়ীদ আইয়ুব
অনু নাটক সংখ্যা (পর্ব ৫)সংকলিত.
এসময়ের কবিতা যাপন (পর্ব ১)
(মেদিনীপুরের কাব্যভাবনা)
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য
 শক্তি চট্টোপাধ্যায় ও অমিতাভ দাশগুপ্ত।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -যতীন্দ্রমোহন বাগচী
আলোচনা পর্ব - 
শ্রেণী-সংগ্রামের গান ও চাঁদ কাস্তের কবিতা
কবিতা সংখ্যা (পর্ব ৫) সংকলিত।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
 জগদীশচন্দ্র বসু ও বুদ্ধদেব বসু।


৮।     ডিসেম্বর ২০২০


জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - গণেশ বসু
আলোচনা -
বাঙালির জীবনে বারে বারে ফিরে আসে রাধা কৃষ্ণের রাসলীলা।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  -ক্ষুদিরাম বসু.
আলোচনা -
আমার নিজস্ব চাঁদ নিজেই আমি চন্দ্রাবতী।
আলোচনা -
আমার প্রথম বই  - জয় গোস্বামী।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -দীনেশ গুপ্ত
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
 মণিশংকর মুখোপাধ্যায় ও Noam Chomsky
আলোচনা -
হারিয়ে গেছে বিয়ের নিমন্ত্রণ পত্রে পদ্য/ ছড়া লেখা.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
বেগম রোকেয়া ও John Milton
আলোচনা - পুণ্যিপুকুর ব্রত
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - সমরেশ বসু
শিশু-কিশোর পাতা (পর্ব -৭) সংকলিত।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - শিবরাম চক্রবর্তী
আলোচনা -
বাঙালির জীবন ও সংস্কৃতিতে খেজুর গুড়।
আলোচনা -
পিকনিক চড়ুইভাতি বনভোজন ও বাংলা সাহিত্য
অনুগল্প সংখ্যা (পর্ব ৭) সংকলিত।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - দেবেশ রায়
আলোচনা -শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলা
ছড়া সংখ্যা (পর্ব ৬) সংকলিত.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - নমিতা চৌধুরী।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
গোলাম মোস্তফা ও শ্রীজাত
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - মনোজ মিত্র
সংগ্রহযোগ্য গ্রন্থ ও আলোচনা
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - মা সারদা
কবিতার সংখ্যা (পর্ব -৬) সংকলিত.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -অমিতাভ গুপ্ত
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - কৃষ্ণা বসু
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - শামসুল হক
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - রমাপদ চৌধুরী
আলোচনা - বিভূতিভূষণের রমা
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - ঈশ্বর চন্দ্র প্রামাণিক
অনু নাটক সংখ্যা (পর্ব ৬)সংকলিত.


৯.    জানুয়ারি ২০২১ 

জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য ও আলোচনা -
অদ্বৈত মল্লবর্মণ ও জসীমউদ্দীন।
আলোচনা - ম্যাক্সিম গোর্কির     "মা".
কৃষ্ণনগরে গান্ধীজী
জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য - আইজ্যাক নিউটন.
মোগল সম্রাট শাহজাহানের জন্মদিন
আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চা - খেজুরি দর্পণ।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -বিমানবিহারী মজুমদার
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
আশাপূর্ণা দেবী ও দেব শংকর হালদার।
সম্রাট জাহাঙ্গীরের আশ্চর্য চিড়িয়াখানা
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -সুচিত্রা ভট্টাচার্য
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - তিলোত্তমা মজুমদার।
স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম দিবস
নবনীতা দেবসেনের জন্ম দিবস‌ ও আলোচনা
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - 
মহাশ্বেতা দেবী ও তারাপদ সাঁতরা।
বিদ্যাপতি ও দ্বিজ চন্ডীদাসের সাক্ষাৎকার
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
গোবিন্দচন্দ্র দাস ও  সুকুমার সেন
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - ক্ষেত্র গুপ্ত।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -আজিজুর রহমান.
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনের আলোচনা
জাতীয় গ্রন্থাগার বিষয়ক আলোচনা
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - প্রতিভা রায়
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -George Gordon Byron
আলোচনা -
সুভাষচন্দ্র : কালে কালোত্তরে
আলোচনা -
সেকালের আশ্রমিক শিক্ষার ভালো-মন্দ
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৭২ তম প্রজাতন্ত্র দিবস নিয়ে বিশেষ সংখ্যা
আলোচনা -
রামায়ণের সীতা দেবীর চরিত্র
সংগ্রহ যোগ্য বইয়ের আলোচনা।
Anton Pavlovich Chekhov o
Romain Rolland
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য-  নরেন্দ্রনাথ মিত্র
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - শিবনাথ শাস্ত্রী।

১০.      ফেব্রুয়ারি ২০২১

জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য ও আলোচনা -
শক্তিপদ রাজগুরু, শামসুল হক ও কৃষ্ণ ধর
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - পূর্ণেন্দু পত্রী
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
চিত্তরঞ্জন মাইতি ও প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য-  শঙ্খ ঘোষ
রম্য রচনা।  - সেইসব বিড়ালেরা
জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য - চার্লস ডিকেন্স
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - জুল গাব্রিয়েল ভার্ণ
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - মনীশ ঘটক
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - নবীনচন্দ্র সেন
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - 
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ,গোপাল হালদার ও বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - কালীকৃষ্ণ গুহ
আলোচনা - 
ভগবতী বন্দনা ও পুরাণ প্রসঙ্গ
রম্য রচনা -  আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে
আলোচনা -
বিরহী চেতনায় নজরুল সাহিত্যে বসন্ত
আলোচনা -
বৈদিক ও লৌকিক মতে সরস্বতী পুজো।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - জীবনানন্দ দাশ
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -মহাপ্রভু চৈতন্যদেব
আলোচনা -
একনজরে বাংলার পত্র-পত্রিকা।
আলোচনা - 
যাত্রাপালার একাল ও সেকাল
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্য খেজুরি সাহিত্য সম্মিলনীর উদ্যোগ বিষয়ক আলোচনা।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - ভূদেব মুখোপাধ্যায়
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য  - কালীপ্রসন্ন সিংহ
আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চা বিষয়ক আলোচনা-
খেজুরি লৌকিক দেব দেবী.
মালঝিটা অঞ্চলের লৌকিক দেব দেবী
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
ভিক্টর হুগো  ও লীলা মজুমদার।
কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লকের লৌকিক দেব দেবী
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -গিরিশচন্দ্র ঘোষ।


১১.   মার্চ ২০২১


জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য ও আলোচনা
- কুমুদ রঞ্জন মল্লিক
সুতাহাটা অঞ্চলের লৌকিক দেব দেবী
ডেবরা থানার লৌকিক দেব দেবী
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - তরু দত্ত
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য দিব্যেন্দু পালিত।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - ঈশ্বর গুপ্ত
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
নারী দিবসের বিশেষ আলোচনা -
বাংলার নারী
কেশিয়াড়ি অঞ্চলের লৌকিক দেব দেবী
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - সমরেশ মজুমদার 
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য- বিজয়া মুখোপাধ্যায়
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - অতুলচন্দ্র গুপ্ত
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - অমৃত মাইতি
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য- অ্যালবার্ট আইনস্টাইন
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -অন্নদাশঙ্কর রায়
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -রাজশেখর বসু
দক্ষিণবঙ্গে ব্যবহৃত বা প্রচলিত প্রবাদ প্রবচন
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, বিমল মিত্র, বিমল ঘোষ ও স্টিফেন মালার্মো
আবৃত্তি কর্মশালা বিষয়ক আলোচনা
ছড়ায় ছন্দে মন মাতি
বিশ্ব কবিতা দিবস - কবি নিখিল রঞ্জন দাসের গুচ্ছকবিতা.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - অমিয়ভূষণ মজুমদার
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য-
 হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় ও চারুচন্দ্র চক্রবর্তী
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - দারিও ফো
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - গুণময় মান্না
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -মহাদেবী বর্মা
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য- মল্লিকা সেনগুপ্ত
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -পবিত্র সরকার
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - উৎপল দত্ত
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
আলোচনা -
বাংলা ছোট গল্প রবীন্দ্রনাথ।


১২.      এপ্রিল ২০২১

রম্য রচনা -
এপ্রিল ফুল কেন? এর উৎপত্তি কোথায়!
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - Emile Zola
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - মৃদুল দাশগুপ্ত
বাংলা সাহিত্যে কালবৈশাখী
আলোচনা ও প্রশ্ন-উত্তর পর্ব 
রবীন্দ্রনাথের জীবনস্মৃতি।
বাংলা নববর্ষ ও বাংলা সাহিত্য
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ
আলোচনা -
আধুনিক প্রেমভাবনা ও শেষের কবিতা
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - চার্লস বোদলেয়ার
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -অমিয় চক্রবর্তী
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - যামিনী রায়
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য- দেবারতি মিত্র
বিশেষ আলোচনা -
বর্ণপরিচয় এর প্রথম ভাগ.
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - বি আর আম্বেদকর
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য- দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার
বিশেষ আলোচনা -
মানুষ নজরুল ইসলাম
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
এ সময়ের কবিতা যাবন (পর্ব 2 )
মেদিনীপুরের কাব্যভাবনা-৫ জন মহিলা কবি
নিবিড় কবিতা পাঠ -
আল মাহমুদ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় শক্তি চট্টোপাধ্যায় শঙ্খ ঘোষ জয় গোস্বামী
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -জোশুয়া মার্শম্যান
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -;ফেড্রিক ফ্রোবেল
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - চেতন ভগত।
বই দিবস-  বই নিয়ে বিশেষ আলোচনা।
আলোচনা -
শঙ্খ ঘোষের কবিতা : ক্ষমতাতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সরব।
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
নারায়ণ সান্যাল ও কাজী আবদুল ওদুদ
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -
প্রবোধচন্দ্র সেন ও শরৎচন্দ্র পণ্ডিত
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - হুমায়ুন আজাদ
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -শান্তা দেবী
বিশেষ আলোচনা -
চৈতন্যদেব: বাংলা সমাজ ও সাহিত্য

**     ১-৭ মে ২০২১ 


জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য - মান্না দে
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -সত্যজিৎ রায় (শতবর্ষ)
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -নিকোলো মেকিয়াভেলি
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য- কুনাল বসু
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -কাল মার্কস
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য- সিগমুন্ড ফ্রয়েড
জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য -পান্নালাল প্যাটেল 
=================================

লেখক লেখিকা :

* প্রবন্ধ-নিবন্ধ :
        ড. লায়েক আলি খান, ড. প্রবালকান্তি হাজরা, অধ্যাপক রণজিৎ কুমার নায়েক, ড. সুবিমল মিশ্র , সঞ্জয় সোম , ড. সুব্রত চক্রবর্তী, ড. নির্মল বর্মন, ড  বাপ্পাদিত্য মাইতি , ড. নীলোৎপল জানা, ড. পিন্টু রায় চৌধুরী, ড. গৌতম বর্মন,  ড. লিল্টু মন্ডল , অশোককুমার লাটুয়া, অজিত জানা, শ্রাবণী বসু, মনোতোষ আচার্য, গৌতম ভট্টাচার্য, শ্যামল রক্ষিত, গৌরাচাঁদ পাত্র, শুভঙ্কর দাস, জয়দেব মাইতি, কানাইলাল জানা, সন্তু মাইতি, প্রেমের পন্ডা,  বিনীতা জানা, শিউলি প্রামানিক, অনিল খাটুয়া, মদন দাস, সেক আসমত, সোমদত্তা জানা এবং ড. বিষ্ণু পদ জানা।

** মুক্তগদ্য -
             মঞ্জীর বাগ, প্রাণনাথ শেঠ, সৌরভ ভূঞ্যা,  শিশির ভাগ

*** রম্য রচনা -
-             ড. বিষ্ণু পদ জানা, সুদর্শন সেন।

****  কবিতা :
ড. শ্রুতি নাথ চক্রবর্তী, ড. বাণী রঞ্জন দে, অরবিন্দ সরকার, বিশ্বজিৎ রায়, মহাদেব চক্রবর্তী , চন্দনা ঘাঁটি।অমিত কাশ্যপ, দুর্গাদাস মিদ্যা, ফটিক চৌধুরী, মোনালিসা চ্যাটার্জী, কালিদাস ভদ্র, কেশব মেট্যা , তাপস বৈদ্য, দুরন্ত বিজলী, দেবাশীষ প্রধান ,রতনতনু ঘাটী, বিপ্লব চক্রবর্তী, মন্মথ নাথ দাস , রণজিৎ কুমার নায়েক,তৈমুর খান, বিকাশ চন্দ, সুশান্ত গঙ্গোপাধ্যায়,  সোমনাথ রায় ,  মঞ্জীর বাগ, অরুণ ভট্টাচার্য, ড. নির্মল বর্মন, অজিত জানা, অঞ্জন কুমার দাস, লক্ষীকান্ত মন্ডল, মনোতোষ আচার্য, সুব্রত মাইতি, অমৃতা খেটো, প্রসাদ সিং, নীতা সরকার, শুভঙ্কর দাস, মঙ্গল প্রসাদ মাইতি, গোবিন্দ বারিক, বনশ্রী রায় দাস, মোনালিসা পাহাড়ি, মৌমিতা জানা, বিমান কুমার নায়ক, প্রেমেশ পন্ডা, অলক জানা, জয়দেব মাইতি, দিলীপ কুমার বেরা, সুজাতা বেরা, সন্দীপন বেরা, দীপক জানা, পবিত্র ভক্তা,  ভগীরথ সর্দার, রজত দাস, কৃষ্ণ প্রসাদ মাঝি, বিনীতা জানা, রবীন্দ্রনাথ নাথ দাস অধিকারী, বূন্দাবন দাস অধিকারী, শেখর পাল, নবকুমার মাইতি, সোমা প্রধান, অর্চিতা মাইতি এবং বিষ্ণুপদ জানা।


*****  গল্প : 
দুর্গাদাস মিদ্যা, অঞ্জন কুমার দাস, কালিপদ চক্রবর্তী ,তৈমুর খান, কাজী শামসুল আলম ,গোবিন্দ মোদক, জয়দেব মাইতি, মতিলাল দাস , সমরেশ সুবোধ পড়্যা , বীর কুমার শীল, সুধাংশু রঞ্জন সাহা, দেবাশীষ চক্রবর্তী, তপন কান্তি মুখার্জি, কাজী শামসুল আলম, শুভ্রাশ্রী মাইতি , রাজীব ঘাঁটি, জন্মেঞ্জয় সাহু, ডা: নীলাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়, দীপক জানা, রজত দাস,লিলটু মন্ডল , শ্যামসুন্দর মন্ডল, বিশ্বনাথ পাকড়াশী ,নন্দিনি সরকার, সুকান্ত আচার্য, মতিলাল দাস, খুকু ভূঞ্যা, পার্থসারথি চক্রবর্তী , আশিষ মিশ্র, সুবীর ঘোষ ফটিক চৌধুরী, অজিত জানা, কোয়েলী বসু, চন্দন মাইতি, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, লোপামুদ্রা ভট্টাচার্য,  এবং বিষ্ণুপদ জানা

******   নাটক :
 ধীরেন্দ্রনাথ প্রধান, গৌরচাঁদ পাত্র ,অঞ্জন কুমার দাস, গোবিন্দ মোদক, সমরেশ সুবোধ পড়্যা, বিশ্বনাথ পাকড়াশী, পার্থসারথি চক্রবর্তী, ডা: নীলাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়, শুভ্রাশ্রী মাইতি, তপন কান্তি মুখার্জি , দুর্গাদাস মিদ্যা, ফটিক চৌধুরী , নন্দিনি সরকার, দেবাশীষ চক্রবর্তী,  অজিত জানা  এবং বিষ্ণুপদ জানা।

*****"**   ছড়া : 
ভবানীপ্রসাদ মজুমদার, রতনতনু ঘাটী ,রবীন্দ্রনাথ ভৌমিক, অমৃতা ভট্টাচার্য, শঙ্খ শুভ্র পাত্র,  ফটিক চৌধুরী  , সুবীর ঘোষ, সুনীল করন,  সুমন কল্যাণ ভৌমিক, বিথীকা পড়ুয়া মহাপাত্র ,জয়দেব মাইতি, সমরেশ সুবোধ পড়্যা, মতিলাল দাস ,কাজী শামসুল আলম, গোবিন্দ মোদক, অনিমেষ মন্ডল , সুকান্ত আচার্য, শ্যামাপ্রসাদ ঘোষ, কুমার আশিষ রায়, তপন মুখার্জি, গৌতম হাজরা, কৃপাণ মৈত্র, ডা: নীলাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়, বিপুল কুমার ঘোষ ,শ্রাবণী বসু, শোভন বিশ্বাস, নন্দিনি সরকার, রজত দাস, দেবাশীষ চক্রবর্তী, কাজী শামসুল আলম, সত্যব্রত মিশ্র এবং বিষ্ণুপদ জানা।

********  English poem 
                      Bivas Jana

*********  শিশু-কিশোর :
দেবাংশু শেখর পড়িয়া, অদৃজা খুটিয়া, মৈত্রেয়ী বালা, সৌম্যদীপ মাইতি, শ্রীজা মাইতি, অন্তরীপ মন্ডল, দীপ্তাংশু পন্ডা, অহনজিৎ হাজরা, নীলাম্বর দাস, দেবতনু ঘোষ, সোনাক্ষী পাল, মৌপিয়া পড়্যা, সৌমাল্য মন্ডল, সৌমিলি মন্ডল, আরিজ ফারহানা কাজী, তিয়াসা শাসমল, ঈষা জানা , অয়ন মন্ডল, সুকন্যা মাইতি, স্বপ্নিল মান্না, সুস্মিতা বাগ, উপাসনা গুড়িয়া, সৌভিক মাহাতো, শালু সিং, সৌমিলি দাস, ঈশিতা গিরি, শ্রীদাতৃ দাস, ময়ূখ প্রামানিক, সাগ্নিকা সৎপতি, শুভমিতা চৌধুরী।


****  প্রচ্ছদ শিল্পী -
                 ভগীরথ সর্দার।
----------+++---------------------------------

বিশেষ বিশেষ  সংখ্যা -
১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে নিবেদিত সংখ্যা।
২) বাইশে শ্রাবণ উপলক্ষ্যে "পরপারে রবীন্দ্রনাথ" 
৩) কাজী নজরুল ইসলামকে নিবেদন  সংখ্যা
৪) মাসিক কবিতা সংখ্যা
৫) মাসিক ছড়া সংখ্যা
৬) মাসিক অনুগল্প সংখ্যা
৭) মাসিক অনুনাটক সংখ্যা
৮) মাসিক শিশু কিশোর সংখ্যা।
৯) বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষ্য "ঘুড়িমন'
১০) দ্বিশত  জন্মবর্ষে বিদ্যাসাগর মহাশয়কে নিবেদিত কবিতা সংকলন।
--+--++++++++++++---+++++++--+----+--+

শেয়ার করা হয় -

১) Facebook group -
      দৈনিক শব্দের মেঠোপথ
        মন জমিন
      অক্ষর সাধনা
      বিদ্রোহী কলম
      যদি জানতে
     অনু পৃথিবী
     শিল্প ও সাহিত্য
      রূপশালী
      কবিতার কথা

২) Massenger group
     Doinik Sabder Methopath

3) WhatsApp group .
  শব্দের মেঠোপথ
খেজুরি সাহিত্য সন্মিলনী
কৃষ্ণনগর কৃষ্টি সংসদ
অক্ষর ধোয়া জীবন
প্রসঙ্গ মেদিনীপুর
সাহিত্য-সংস্কৃতি
সময়ের বন্ধু
দণ্ডভুক্তি আত্মকথা
নবধারা মুক্ত করো ভয়
খেজুরি দর্পণ
সাহিত্য মনোভূমি

Daily Broadcast -
1) Doinik Sabder Methopath 1
2) Doinik Sabder Methopath 2

এছাড়া 
* Social media .
=================================
      প্রিয়,
       পাঠক পাঠিকা, লেখক লেখিকা , শুভানুধ্যায়ী, সুধীজন ,গুণীজন সবাইকে আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আপনারা সঙ্গে আছেন ও থাকবেন এই সাহস নিয়ে পায়ে পায়ে হেঁটে একটি বছর পার করলাম, নানান ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে। অস্থির সময় সংকটে বিপন্ন বিকৃত অমানবিক রূপের শেষ কোথায় কেউ জানিনা ! জানতেও চাইনা। শুধু এটুকু জানি,  সবাইকে ভালো থাকতে হবে । ভালো থাকার রসদ টুকু খুঁজে নিতে হবে। সব অবস্থাতেই রাজি থাকতে হবে। সবকিছুকে মানিয়ে নিয়ে জীবনকে আনন্দমুখর করে তুলতে হবে। পারিবারিক একাত্মতার মধ্যে নিমগ্ন ঘরোয়া সুখ শান্তি ভালোবাসাকে ভাগ করে নিতে হবে। জীবনের এমন‌ই দিনে সাহিত্য -সংস্কৃতির পথ যখন হারাতে বসেছে তখন একান্ত সাহিত্যিক প্রয়োজনকে সামনে রেখে সামগ্রিক চিন্তাভাবনা নিয়ে শব্দের মেঠোপথ দৈনিক শব্দের মেঠোপথে পরিণত হয়েছে ই-ম্যাগাজিন রূপে। প্রতিদিন নিয়মিত সাহিত্য সংস্কৃতি অঙ্গনে যারা আলোক দান করে চলেছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও সাহিত্য সংস্কৃতির অন্যান্য ধারা চর্চা করাকে মুখ্য উদ্দেশ্য করে এই পত্রিকার পথ চলা শুরু হয়েছিল। নিরলস পরিশ্রম পাথেয় করে একটি বছর পূরণ করল আপনাদের সুচিন্তিত পরামর্শে ও সহযোগিতা। আশা করি সকলের ভালো লেগেছে। সকাল হলেই দৈনিক শব্দের মেঠোপথ নতুন কি ভাবনা প্রকাশ করবে এ নিয়ে অনেকেই আগ্রহী থেকেছেন , আমাকে জানিয়েছেন। এবং এতো নতুন নতুন বিষয় ভাবনা নিয়ে প্রতিদিন প্রকাশিত,  উচ্ছ্বসিত প্রশংসা এসেছে অনেক ভাবে। ‌নিয়মিত পাঠকেরা ম্যাসেঞ্জারে হোয়াটসঅ্যাপে ফেসবুকে তাদের উপস্থিতি ও অভিমত জানিয়েছেন। ভালো লেগেছে। সবাইকে অকৃত্রিম আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আসুন আমরা আরও একটি বছর,  এভাবেই সাহিত্য-সংস্কৃতিকে ঘরে বসে চর্চা করি, রসদ নিয়ে বেঁচে থাকি।
             শুভেচ্ছান্তে
         ড. বিষ্ণু পদ জানা
            ০৭.০৫.২০২১




------------------------------------------------
দৈনিক শব্দের মেঠোপথ
সভাপতি - শ্রী অঞ্জন কুমার দাস
সম্পাদক (যুগ্ম)
            বিভাস জানা
             বিনীতা জানা
মুখ্য সম্পাদনা ও প্রকাশক - ড. বিষ্ণু পদ জানা
  উপদেষ্টা - শ্রীমতি নীলিমা জানা
কৃষ্ণনগর : খেজুরী: পূর্ব মেদিনীপুর.
৭২১৪৩২. 
 M/ what....৯৬৭৯৪৫০২৪৫/৯০৬৪৩৩৪৯৮৯ 
email - janabishnupada99@gmail.com
================================





     
























জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য ।।।।। সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ০১.০৬.২০২১. Vol -390. The blogger in literature e-magazine





সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর

 জন্ম ১৮৪২ সালের ১ জুন। ঠাকুর পরিবারের জোড়াসাঁকো শাখার দ্বারকানাথ ঠাকুরের পৌত্র এবং দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বিতীয় পুত্র। তিনি বাড়িতেই সংস্কৃত ও ইংরেজি শিখেছিলেন। হিন্দু স্কুলের ছাত্র হিসাবে সত্যেন্দ্রনাথ ১৮৫৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত প্রথম প্রবেশিকা পরীক্ষায় অবতীর্ণ হন এবং প্রথম বিভাগে স্থান অধিকার করে প্রেসিডেন্সি কলেজে (অধুনা প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন।

সেকালের রীতি অনুযায়ী, ১৮৫৯ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে জ্ঞানদানন্দিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। এই বছরই সত্যেন্দ্রনাথ ও কেশবচন্দ্র সেন দেবেন্দ্রনাথের সঙ্গে সিংহল (অধুনা শ্রীলঙ্কা) ভ্রমণ করেন।হিন্দু সমাজে নারীর অবমাননাকর অবস্থান ছেলেবেলা থেকেই সত্যেন্দ্রনাথকে ভাবিয়ে তুলেছিল। তিনি মনে করতেন, তাাঁর পরিবারে প্রচলিত পর্দা প্রথা হিন্দু সংস্কৃতির অঙ্গ নয়, বরং তা মুসলমান সমাজে প্রচলিত প্রথার অনুকরণ মাত্র। ইংল্যান্ডের সমাজে তিনি নারীর যে উচ্চ স্থান দেখেছিলেন, তা ভারতীয় সমাজে নারীর তুলনামূলকভাবে অসম্মানজনক অবস্থানটি তার কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছিল।

বিবাহের পর সত্যেন্দ্রনাথ দেখলেন, জ্ঞানদানন্দিনী দেবী তার আদর্শ জীবনসঙ্গিনী। ইংল্যান্ডের সমাজে সত্যেন্দ্রনাথ যে নারী স্বাধীনতা প্রত্যক্ষ করেছিলেন, তা তিনি জ্ঞানদানন্দিনীকেও দেখাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাধায় সেবার জ্ঞানদানন্দিনীর ইংল্যান্ড যাওয়া হয়নি।

দেশে ফেরার পর অবশ্য সত্যেন্দ্রনাথ জ্ঞানদানন্দিনীকে বোম্বাই নিয়ে যান। ইংরেজ আইসিএস অফিসারদের স্ত্রীরা যে আদবকায়দায় চলতেন, তা বোম্বাইতে গিয়ে রপ্ত করে নেন জ্ঞানদানন্দিনী। অবকাশের সময় সস্ত্রীক সত্যেন্দ্রনাথ জোড়াসাঁকোর বাড়িতে ফিরলে, কলকাতার সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এই সময়, লাটভবনে (অধুনা রাজভবন) একটি ভোজসভায় নিমন্ত্রিত সব সামাজিক প্রথা লঙ্ঘন করে স্বামীর সঙ্গে সেই ভোজসভায় যান জ্ঞানদানন্দিনী। সেখানে ইংরেজ রমণীদের মাঝে তিনি ছিলেন একমাত্র বাঙালি রমণী। ঠাকুর পরিবারের পাথুরিয়াঘাটা শাখার প্রসন্নকুমার ঠাকুর এই ভোজসভায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি পরিবারের এক গৃহবধূকে ওইরকম প্রকাশ্য স্থানে দেখে লজ্জায় ও ক্ষোভে তৎক্ষণাৎ সভাস্থল ত্যাগ করে চলে যান।

১৮৭৭ সালে সত্যেন্দ্রনাথ জ্ঞানদানন্দিনীকে এক ইংরেজ দম্পতির সঙ্গে ইংল্যান্ডে প্রেরণ করেন। জ্ঞানদানন্দিনী যে স্বামীকে ছাড়াই তার তিন সন্তানকে নিয়ে ইংল্যান্ড পাড়ি দিয়েছিলেন, তা সেকালে ছিল এক দুঃসাহসী কাজ। প্রথম দিকে তারা তাদের জ্ঞাতি প্রসন্নকুমার ঠাকুরের পুত্র জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুরের বাড়িতে ওঠেন। উল্লেখ্য, জ্ঞানেন্দ্রমোহনই ছিলেন প্রথম ভারতীয় যিনি ইংল্যান্ডের বারে সাফল্য অর্জন করেন। ইনি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। পরে জ্ঞানদানন্দিনী ব্রাইটনে চলে আসেন এবং সন্তানদের নিয়ে সেখানে পৃথকভাবে থাকতে শুরু করেন।

দীর্ঘকাল কেবলমাত্র ব্রিটিশ অফিসারেরাই সকল সরকারি পদে নিযুক্ত হতেন। ১৮৩২ সালে মুনসেফ ও সদর আমিন নামের দুটি পদ সৃষ্টি করে সেগুলি ভারতীয়দের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। ১৮৩৩ সালে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদদুটি চালু করে সেগুলির দরজাও ভারতীয়দের জন্য খুলে দেয়া হয়। ১৮৬১ সালে আইসিএস আইন বলে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস চালু হয়। এর আগেই অবশ্য ১৮৫৩ সালের আইন বলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগের প্রথা চালু হয়ে গিয়েছিল।

সেযুগে ইংল্যান্ডে গিয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়ে সরকারি উচ্চপদ লাভ খুব কঠিন কাজ ছিল। এই ব্যাপারে সত্যেন্দ্রনাথকে উৎসাহ ও অর্থসাহায্য জোগান বন্ধু মনমোহন ঘোষ। ১৮৬২ সালে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণের উদ্দেশ্যে দুজনে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। ১৮৬৩ সালের জুন মাসে সত্যেন্দ্রনাথ ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে নির্বাচিত হন। এরপর শিক্ষাধীন প্রশিক্ষণ (প্রবেশনারি ট্রেনিং) সমাপ্ত করে ১৮৬৪ সালের নভেম্বর মাসে দেশে ফিরে আসেন।

মনমোহন ঘোষ পরীক্ষায় কৃতকার্য না হলেও বারে ডাক পেয়েছিলেন। বোম্বাই প্রেসিডেন্সিতে কর্মে বহাল হন সত্যেন্দ্রনাথ। সেযুগে বোম্বাই প্রেসিডেন্সি গঠিত ছিল বর্তমান মহারাষ্ট্র, গুজরাত ও সিন্ধু প্রদেশের অংশ বিশেষ নিয়ে। প্রাথমিক পর্যায়ে চার মাস বোম্বাই (অধুনা মুম্বই) শহরে বহাল হলেও, তার প্রথম কার্যকর নিযুক্তি হয়েছিল আমেদাবাদে।

এরপর বদলি চাকরির সূত্রে তিনি সারা দেশ ভ্রমণ করেন। বাড়ি থেকে দূরে থাকতেন। তাই আত্মীয়স্বজনেরা প্রায়ই তার কাছে আসতেন এবং বেশ কিছুদিন করে কাটিয়ে যেতেন। নিয়মিত আসতেন তার দুই অনুজ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪৯-১৯২৫), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) ও বোন স্বর্ণকুমারী দেবী।

বাংলার বাইরে বদলির চাকরির সূত্রে সত্যেন্দ্রনাথ অনেকগুলি ভারতীয় ভাষা শেখারও সুযোগ পেয়েছিলেন। তিনি বাল গঙ্গাধর তিলকের গীতারহস্য ও তুকারামের অভঙ্গ কবিতাবলি বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেন। তার অনুজ রবীন্দ্রনাথও তুকারামের কয়েকটি কবিতা বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। সত্যেন্দ্রনাথ যেখানেই বদলির সূত্রে গিয়েছিলেন, সেখানেই ব্রাহ্মসমাজের কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন। আমেদাবাদ ও হায়দ্রাবাদ (সিন্ধু প্রদেশ) শহরে ব্রাহ্মসমাজের প্রসারে তার বিশেষ অবদান ছিল।

সত্যেন্দ্রনাথ মহারাষ্ট্র অঞ্চলের অগ্রণী সমাজ সংস্কারক ও প্রার্থনা সমাজ নেতৃবর্গের সংস্পর্শে আসেন। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মহাদেব গোবিন্দ রানাডে, কাশীনাথ ত্রিম্বক তেলঙ্গ, রামকৃষ্ণ গোপাল ভাণ্ডারকর ও নারায়ণ গণেশ চন্দবরকর। ৩০ বছর তিনি আইসিএস পদ অলংকৃত করেছিলেন। ১৮৯৭ সালে মহারাষ্ট্রের সাতারার জজ হিসাবে অবসর গ্রহণ করেন।

১৯০০-০১ সালে তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সভাপতিত্ব করেন। ১৮৯৭ সালে নাটোরে আয়োজিত দশম বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলনেরও পৌরোহিত্য করেন। 

তাঁর লেখা বইগুলো হলো :

সুশীলা ও বীরসিংহ (নাটক, ১৮৬৭), 
বোম্বাই চিত্র (১৮৮৮), 
নবরত্নমালা, 
স্ত্রীস্বাধীনতা, 
বৌদ্ধধর্ম (১৯০১), 
আমার বাল্যকথা ও বোম্বাই প্রবাস (১৯১৫) এবং ভারতবর্ষীয় ইংরেজ (১৯০৮)।
    
                 তাঁর দুই সন্তান সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৭২-১৯৪০) ও ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণী (১৮৭৩-১৯৬০) ছিলেন কৃতি ব্যক্তিত্ব। তাদের ছেলেবেলা কেটেছিল ইংল্যান্ডে। সুরেন্দ্রনাথ ইংরেজি ভাষায় বিশেষ পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের চার অধ্যায় উপন্যাসটি তিনিই ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। এছাড়া মহাভারতের মূল অংশটির একটি সংক্ষিপ্ত পুনর্লিখন তিনি প্রকাশ করেছিলেন।

সুরেন্দ্রনাথ সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণী পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন ফরাসি ভাষায়। তিনি ছিলেন এক বিশিষ্ট সংগীতবিদ। রবীন্দ্রসংগীত বিষয়ে তার গভীর জ্ঞান ছিল। সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী ছিলেন তার স্বামী। ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণী ছিলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা উপাচার্য


লেখক, সংগীতস্রষ্টা ও ভাষাবিদ সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৩ সালের ৯ জানুয়ারি  মৃত্যুবরণ করেন। 

তিনি ছিলেন ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে যোগদানকারী প্রথম ভারতীয়। ব্রিটিশ ভারতের নারীমুক্তি আন্দোলনে সত্যেন্দ্রনাথ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। পারিবারিক পরিচয়ে তিনি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অগ্রজ।

জনগণের মধ্যে দেশাত্মবোধ সঞ্চারের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত হিন্দুমেলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সত্যেন্দ্রনাথ। ১৮৬৭ সালের এপ্রিল মাসে হিন্দুমেলার প্রথম অধিবেশনের সময় তিনি পশ্চিম ভারতে ছিলেন। কিন্তু ১৮৬৮ সালের অধিবেশনে তিনি উপস্থিত ছিলেন এবং মেলা উপলক্ষ্য -
মিলে সবে ভারতসন্তান, একতান গাহ গান গানটি রচনা করেন। এই গানটিকে ভারতের প্রথম জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দেওয়া হয়। সত্যেন্দ্রনাথ অনেকগুলি দেশাত্মবোধক গান লিখেছিলেন।

∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆

শুভ জন্মদিন শ্রদ্ধাঞ্জলি। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ।‌ একজন বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ। Dt -26.11.2024. Vol -1059. Tuesday. The blogger post in literary e magazine.

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়   (২৬ নভেম্বর ১৮৯০ — ২৯ মে ১৯৭৭)  একজন বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ.  মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্...