Thursday, 24 February 2022

জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি। ভাস্কর শঙ্খ চৌধুরী। ২৫.০২.২০২২. Vol -658. The blogger in literature e-magazine


শঙ্খ চৌধুরী

দেশে-বিদেশের বহু স্থানে শঙ্খ চৌধুরীর ভাস্কর্যকলা প্রদর্শিত হয়েছে।

১৯৪৬: বোম্বাইয়ে প্রথম একক প্রদর্শনী।

১৯৫৪: সমসাময়িক ভাস্কর্যের প্রদর্শনী, আধুনিক শিল্পকলার জাতীয় গ্যালারি।

১৯৫৭: নয়াদিল্লিতে একক প্রদর্শনী।

১৯৬৯: বোম্বাইয়ে একক প্রদর্শনী।

১৯৭১: রেট্রোস্পেক্টিভ শো: ন্যাশনাল গ্যালারি অফ মডার্ন আর্ট।

১৯৭৯: বোম্বাইয়ে ইরা চৌধুরীর সঙ্গে যৌথ প্রদর্শনী।

১৯৮৭: নয়াদিল্লি একক প্রদর্শনী।

১৯৮৭: স্কেচ এবং অঙ্কন ইত্যাদির একক প্রদর্শনী, কলকাতা।

১৯৯১: কলকাতায় একক প্রদর্শনী।

১৯৯২: এলটিজি গ্যালারি, নয়া দিল্লিতে একক প্রদর্শনী।

১৯৯৫: বোম্বাইয়ের সাইমরোজা আর্ট গ্যালারিতে - একক প্রদর্শনী

২০০৪: সরোজান আর্ট গ্যালারি দ্বারা আয়োজিত বরোদায় একক প্রদর্শনী।

১৯৪০-এর দশকের অন্যান্য ভাস্কর প্রদোষ দাশগুপ্ত, চিন্তামণি কর বা শঙ্খ চৌধুরী পাশ্চাত্য আধুনিকতাকে আত্তীকৃত করতে চেষ্টা করেছেন দেশীয় রূপচেতনার ভিত্তির উপর। ছবিতে যেমন নব্য-ভারতীয় ঘরানার মধ্য দিয়ে ঐতিহ্য আত্তীকরণের একটি প্রকৃষ্ট ধারা গড়ে উঠেছিল, ভাস্কর্যে সে রকম কিছু ছিল না। তাই ভাস্কর্যে আত্মপরিচয় সন্ধান পাশ্চাত্য আধুনিকতার সঙ্গে এক দ্বন্দ্বাত্মক সম্পর্কে বাঁধা ছিল এবং এখনও রয়েছে ।

মাণিকলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো তিনিও শিল্পী ও শিক্ষক দুই পরিচয়েই সমান ভাস্বর। শঙ্খ চৌধুরীর পোশাকি নাম ছিল নরনারায়ণ।

                জন্ম ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দের ২৫ শে ফেব্রুয়ারি বিহার রাজ্যের বর্তমানে ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে। পিতা সংস্কৃতজ্ঞ নরেন্দ্রনারায়ণ ছিলেন ঢাকার অ্যাডভোকেট। মাতা কিরণময়ী। তিনি ছিলেন পিতামাতার কনিষ্ঠ সন্তান। শঙ্খ ঢাকায় বাল্যশিক্ষা সমাপ্তির পর ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীতে ভরতি হন এবং ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দেস্নাতক হন। এরপর রামকিঙ্কর বেইজের তত্ত্বাবধানে ভাস্কর্যকলার অনুশীলনে ব্রতী হন। ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে কলাভবনের ফাইন আর্টস তথা চারুকলার শেষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। স্নাতকোত্তর পর্বে তিনি রামকিঙ্করের সাথে নেপালে যান এবং সেখানে তিনি  ষুদ্ধ-স্মারক গড়তে রামকিঙ্কর বেইজকে সহায়তা করেন। নেপালের ব্রোঞ্জ ঢালাইয়ের কাজ প্রত্যক্ষ করেন এবং প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করেন।

প্রায় দুবৎসর পর তিনি ভারত সরকারের শিক্ষামন্ত্রকের অনুদান পেয়ে নির্বিঘ্নে সৃজনশীল কর্মে মনসংযোগ করেন। ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি কুড়িটি শিল্পকর্ম নিয়ে বোম্বাইয়ে প্রথম একক প্রদর্শনীতে অংশ নেন। এখানে সফলতা পাওয়ার পর তিনি প্রাচীন ও সমকালীন রীতিনীতি পর্যবেক্ষণ ও অনুশীলনের জন্য ওই বছরেই ইউরোপ গমন করেন। সেই সময়কার আভঁ-গার্দ শিল্প আন্দোলনের কিউবিজম প্রথায় কিছু কাজ তিনি শুরু করার পর প্যারিসে ইভস্থান বেথির দ্বারা প্রভাবিত হন। শিক্ষার্থীর অনুসন্ধিৎসা নিয়ে ঘুরে দেখেন ইটালি, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম ও হল্যান্ডের শিল্পকেন্দ্রগুলি। এ সকল স্থানের প্রখ্যাত চিত্র ও সংগ্রহশালা পরিদর্শনে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন এবং দেশে ফিরে আসেন। ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে তিনি বরোদার মহারাজা সয়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব ফাইন আর্টস এর বিভাগীয় প্রধান নিযুক্ত হন। শিক্ষক হিসাবে তিনি ছিলেন অসাধারণ। প্রায় কুড়ি বৎসর অধ্যাপনা পর স্বেচ্ছা-অবসর নেন।

শঙ্খ চৌধুরীর ভাস্কর্যকলার আদিপর্বের মাধ্যম ছিল প্রধানত দারু ভাস্কর্য। আবলুস,পাইন, ওক ইত্যাদি কাঠের গড়া ভাস্কর্যগুলিতে "ফর্ম" অর্থাৎ আকার-আকৃতির সংক্ষিপ্ত রূপারোপ ছিল তাঁর প্রধান বৈশিষ্ট্য। শ্বেতপাথর, ব্লাক মার্বেল, লাইমস্টোনে গড়া ভাস্কর্যে তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে তৈরি ব্লাক মার্বেলে খোদিত মসৃণ ভাস্কর্য শৃঙ্গারনেহেরু মিউজিয়ামে রক্ষিত আছে। ধাতুর পাতে গড়া ভাস্কর্যের মধ্যে  তামা'য় গড়া কক, অ্যালুমিনিয়াম ও পিতলে গড়া মিউজিক এবং পিতলে গড়া কেমিস্ট তাঁর উদ্ভাবনী মানসিকতার নিদর্শন। এছাড়া তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রতিকৃতি ভাস্কর্য হল–

  • আমার পিতা
  • আবদুল গফুর খান
  • একজন ইংরেজের প্রতিমৃর্তি
  • মহাত্মা গান্ধী
  • ইন্দিরা গান্ধী

দিল্লির প্রগতি ময়দানেগ্রামীণ ভারত প্রাঙ্গণ শঙ্খ চৌধুরীর নকশায় তৈরি করা হয়েছে এবং ললিত কলা একাডেমিতে গঠিত স্টুডিও তৈরি হয়েছিল তাঁরই প্রচেষ্টায়। স্মৃতিবিস্মৃতি  হল শঙ্খ চৌধুরী রচিত একটি গ্রন্থ।

শঙ্খ চৌধুরী কর্মজীবনের বিভিন্ন সময়ে যে যে পদে কর্মরত ছিলেন ও সাম্মানিক পদ অলংকৃত করেন সেগুলি হল–


১৯৪৯-৫৭: রীড়ার ও বিভাগীয় প্রধান, ভাস্কর্য বিভাগ, এমএস ইউনিভার্সিটি অফ বরোদা।

১৯৫২ : প্রথম সাম্মানিক যুগ্ম সম্পাদক - ইন্ডিয়ান সমিতি, বোম্বে।

১৯৫৬: সদস্য,ললিত কলা একাডেমি।

১৯৫৭-৭০: অধ্যাপক ও প্রধান, ভাস্কর্য বিভাগ, এমএস ইউনিভার্সিটি অফ বরোদা।

১৯৬৬-৬৮: ডিন, চারুকলা অনুষদ, এমএস ইউনিভার্সিটি অফ বরোদা।

১৯৭৪: অনারারি সেক্রেটারি,ললিত কলা একাডেমি।

১৯৭৬: ভিজিটিং প্রফেসর বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় *১৯৭৭-৭৮: ভিজিটিং ফেলো, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন।

১৯৮০: চারুকলার অধ্যাপক, দারুস সালাম বিশ্ববিদ্যালয়, তানজানিয়া।

১৯৮৪-৮৯:

পূর্ণকালীন সদস্য, দিল্লি আরবান আর্ট কমিশন।

সদস্য, অল ইন্ডিয়া হস্তশিল্প বোর্ড,

সদস্য আন্তর্জাতিক জুরি,- 5 তম ত্রিণাল-ভারত,

সভাপতি,ললিত কলা একাডেমি।

পুরস্কার ও সম্মাননা 

শঙ্খ চৌধুরী শিল্পকর্মের জন্য দেশ বিদেশ হতে বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।

১৯৫৬: ভারতের ললিত কলা একাডেমির রাষ্ট্রীয় শিল্পকলা পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৭১:ভারত সরকার বেসামরিক পুরস্কার পদ্মশ্রী প্রদান করে।

১৯৭৪: ফিলিপাইন্সের সেন্টার এস্কোলার ইউনিভার্সিটি সাম্মানিক ডি লিট প্রদান করে।

১৯৭৯ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবন-গগন পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৮২:ললিত কলা একাডেমি ফেলো নির্বাচিত হন।

১৯৯৭:রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করে।

১৯৯৮ : বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় দেশিকোত্তম উপাধি লাভ করেন।

২০০০-০২: মধ্যপ্রদেশ রাজ্য সরকার প্লাস্টিক শিল্পশৈলির জন্য কালিদাস সম্মান প্রদান করে।

২০০২: আদিত্য বিড়লা কলা শিখর পুরস্কার।

২০০৪: "ললিত কলা রত্ন"ললিত কলা একাডেমি কর্তৃক সম্মানিত হন।

২০০৪: "লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড" লিজেন্ড অফ ইন্ডিয়া।

অংশগ্রহণ এবং প্রতিনিধিত্ব 

১৯৬১ : ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে যুগোস্লাভিয়ায় ভাস্করদের আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন।

১৯৬৩ : মকরানায় ললিত কলা একাডেমির ভাস্কর শিবিরের আয়োজন।

১৯৬৪ : পোল্যান্ডে বক্তৃতা সফর; শিল্পী ইউনিয়নের অতিথি হিসেবে রাশিয়া সফর করেছেন।

১৯৬৯ : ললিত কলা আকাদেমির জন্য "ভারতের লোক ও উপজাতীয় চিত্র" প্রদর্শিত।

১৯৭২ : অল ইন্ডিয়া হস্তশিল্প বোর্ডের পক্ষ থেকে সংগঠিত পল্লী ভারত কমপ্লেক্স।

১৯৭৪ : আরব শিল্পীদের প্রথম দ্বিবার্ষিকীতে অংশগ্রহণ।

১৯৭৬ : ইংল্যান্ডের ডার্লিংটন, টেগোর সেমিনারে অংশগ্রহণ।

১৯৭৬-৭৭: ললিত কলা আকাদেমির জন্য গাড়িতে সংগঠিত শিল্পীদের স্টুডিও।

১৯৮২ ব্রিটিশ মিউজিয়াম কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে অংশ নেওয়া, ভারতের উৎসবে বইয়ের প্রদর্শনীর আয়োজন করা।

১৯৮৩ : আন্তর্জাতিক আর্ট ফেস্টিভ্যালে বাগদাদে আমন্ত্রিত- জুরি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৫ : ইউনেস্কো, প্যারিস সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব - লোককাহিনী ditionতিহ্যের সংরক্ষণ।

১৯৮৫ : পরিদর্শন বুখারেস্ট - গ্রাম জাদুঘর।

১৯৮২ : ইউনেস্কো, ভেনিসের পৃষ্ঠপোষকতায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন।

১৯৮৬ : ওসলো, লিলহ্যামার এথনোগ্রাফিক মিউজিয়াম পরিদর্শন এবং খোলা - ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে এয়ার মিউজিয়াম।

১৯৮৮ : জাপান পরিদর্শন করেন, ফেলো হিসাবে এবং ইন্দোনেশিয়া সফর করেন।

১৯৮৯ : চীনা জনগণের আমন্ত্রণে চীনে একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন - বিদেশী দেশের সাথে বন্ধুত্বের জন্য সোসাইটি॥

ভাস্কর হিসেবে শঙ্খ চৌধুরী ছিলেন মুক্তমনের এবং আধুনিক চিন্তার মানুষ। বিষয়বস্তু, আঙ্গিক, মাধ্যম সবকিছু নিয়েই নিয়ত পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মেতে থাকতেন তিনি। নির্দিষ্ট কোনো ঘরানায় বিশ্বাস ছিল না তাঁর। প্রতিটি কাজেই নিজের করা আগের কাজটিকে অতিক্রম করতে চাইতেন। শিক্ষক রূপেও ছিলেন অতুলনীয়। শিক্ষার্থীদের মনের ওপর কোনো ধারণা বা মতামত জোর করে চাপিয়ে দিতেন না তিনি। শঙ্খ চৌধুরী ছিলেন এমনই এক ভাস্কর যিনি বিশ্বশিল্পের গতিপ্রকৃতিকে ভালোভাবে নিরীক্ষণ করে, তাকে নিজের মননে ও চিন্তায় ধারণ করেছিলেন। তাই তাঁর কাজকে কোনো তত্ত্বের মধ্যে ফেলে বিচার করলে ভুল করা হবে। শঙ্খের ভাস্কর্যে একদিকে যেমন গুরু রামকিঙ্করের চেতনা লুকিয়ে আছে, তেমনিই অন্যদিকে নিহিত আছে ব্রাঁকুসির ভাস্কর্যের মসৃণ বিমূর্ততা। বস্তুর আকৃতিকে তিনি সরলতা দান করে তার অন্তরের রূপটিকে প্রকাশিত করতে চাইতেন। আবার কোনো ব্যক্তির মুখাবয়ব নির্মাণ করার বেলায় শঙ্খ বেছে নিতেন অমসৃণতা। মার্বেল, পোড়ামাটি, ধাতু, কাঠ, সিমেন্ট সব মাধ্যমেই সিদ্ধহস্ত ছিলেন তিনি। এমন আন্তর্জাতিক মানের একজন ভাস্কর জন্মদিন শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করি।


======{{{{{{{{{{{{∆∆∆∆}}}}}}}}}}}}=======


Wednesday, 23 February 2022

জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি। লোসালিয়া ডি কাস্ত্রো। ২৪.০২.২০২২. Vol -657. The blogger in literature e-magazine


Rosalía de Castro রোজালিয়া ডি কাস্ত্রো

(poetisa y novelista gallega)

বিদায় গৌরব! বিদায় খুশি!

আমি যে বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছি সেখান থেকে চলে যাই

আমি যে গ্রামটি জানি সে ছেড়ে চলে যাই

এমন এক পৃথিবীর জন্য যা আমি দেখিনি।

আমি বন্ধুদের অপরিচিত জন্য ছেড়ে 

আমি সমুদ্রের জন্য উপত্যকা ছেড়ে চলেছি,

আমি শেষ পর্যন্ত কতটা ভাল চাই তা ছেড়ে দিই ...

কে যেতে পারে না! ...

সান্টিয়াগো ডি কমপোস্টেলা-এ ফেব্রুয়ারী ২৪  ১৮৩৭-এ জন্ম হয়েছিল। লেখিকা একটি দুঃখজনক মুহুর্তে  দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ছিলেন; তার বাচ্চাদের মৃত্যুর মতো ট্রমাজনিত অভিজ্ঞতা ও তার মা তার গল্প তৈরি করার জন্য অনুপ্রাণিত হয়েছিল।


 স্প্যানিশ কবিগুরুর সময় গ্যালিশিয়ান ভাষা অবজ্ঞাপূর্ণ ছিল, পড়ার মতো রচনাগুলির কোনও সংযোজন ছিল না এবং লেখকদের এই উপভাষাটি ব্যবহার করে পাঠ্য লেখার জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়নি। রোজালিয়া ডি কাস্ত্রো গ্যালিশিয়ান সাহিত্যের উত্থানের  কাজটি করেন।

এ সম্পর্কে তিনি বলেন -"তবে নতুন পাতাগুলি, যা ভাল বলে পুরানো বলে, কারণ সেগুলি এবং শেষ অবধি, কারণ আমি মনে করি যে আমার  জমিটি আমার জমি নিয়েই ইতিমধ্যে পরিশোধ হয়েছে, মাতৃভাষা আরও আয়াত করতে ও  লিখতে আমার পক্ষে কষ্টসাধ্য "।

রোজালিয়া তার পিতা ছাড়া বাস করতেন, যেহেতু তিনি একজন পুরোহিত ছিলেন। এ কারণেই তিনি জীবনের প্রথম আট বছর গ্যালিসিয়ার কাস্ত্রো দে অর্টোসো নামক একটি সংস্থায় কাটিয়েছিলেন যেখানে অনেক কৃষকই থাকতেন। গ্যালিশিয়ান সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যগুলি রোজালিয়া দে কাস্ত্রোর কাজগুলিকে প্রভাবিত করেছিল।


 তিনি সংগীত ও চিত্র আঁকার জন্য লাইসো দে লা জুভেন্টুডে সাংস্কৃতিক পড়াশোনা করেছিলেন;  সেগুলি তার বয়সের কোনও মেয়ের জন্য উপযুক্ত ক্রিয়াকলাপ হিসাবে বিবেচিত হত। অরেলিও আগুয়েরে একজন কবি ছিলেন , তাকে চিনতেন এবং কিছু ঐতিহাসিকের মতে তাদের একটি সংবেদনশীল সম্পর্ক ছিল।


রোজালার অনেক গল্প তাঁর অনুভূত প্রেম অরেলিও আগুয়েরে থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিল; তবে তারা যে রোম্যান্টিকভাবে জড়িত ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ১৮ ৫৬ সালে তিনি মাদ্রিদে চলে আসেন, এক বছর পরে তিনি স্প্যানিশ ভাষায় রচিত একাধিক কবিতা প্রকাশ করেছিলেন .যা তার একক রচনা. শিরোনাম করেছিলেন ফুল।

তিনি তাঁর মা তেরেসা ডি কাস্ত্রোকে উৎসর্গ করেছিলেন -" আমার মায়ের কাছে".  ১৮৬৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি সাতটি কবিতা লিখেছিলেন যাতে তিনি তাঁর জীবনের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সত্ত্বাকে হারিয়ে যাওয়ার জন্য যে মহা দুর্দশা, অসহায়ত্ব ও নিঃসঙ্গতা অনুভব করেছিলেন।

তাঁর কবিতা বই ফুল এটি ম্যানুয়েল মুরগিয়াকে পছন্দ করেছিল, এমন একজন লেখক যা রোজালিয়া তাঁর এক বন্ধুর মাধ্যমে দেখা করেছিলেন। ডি কাস্ত্রো লেখার ইচ্ছা চালিয়ে যাওয়ার জন্য দায়বদ্ধ ছিলেন, এমনকী সময়েও যখন সমাজে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল না।

কাস্ট্রো শীঘ্রই মুরগিয়াকে বিয়ে করেছিলেন। অল্প বয়স্ক রোজালিয়া প্রায় আট সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন যখন তাঁর বিবাহ অনুষ্ঠানটি 10 ই অক্টোবর, 1858 সালে হয়েছিল।


কিছু সময় পরে তাঁর কন্যা আলেজান্দ্রার জন্ম হয়, তার পরে: অরা, গালা এবং ওভিডিও, আমার। অ্যাড্রিয়ানো যিনি দুর্ঘটনায় যুবক হিসাবে মারা গিয়েছিলেন এবং ভ্যালেন্টিনা যিনি জন্মের আগে মারা গিয়েছিলেন; তার সমস্ত সন্তান গ্যালিসিয়ার সত্তা থেকে এসেছিল।

গ্যালিশিয়ান ভাষায় রচিত রচনাগুলি লেখক কার্যত স্ক্র্যাচ থেকে শুরু করেছিলেন, কারণ গ্যালিশিয়ান ভাষায় গল্পের ইতিহাস ছিল না। ডি কাস্ত্রো যাকে ডাকা হত তা দীক্ষা করেছিলেন পুনর্মিলন তার বই সহ গ্যালিশিয়ান গান (1863).

রচনা কর্ম :

Lieders (en lengua española, año 1858): este artículo publicado en El Álbum del Miño (Vigo) constituye el primer escrito en prosa en lengua castellana publicado por Rosalía de Castro, posiblemente como consecuencia de los comentarios favorables de Manuel Murguía y Benito Vicetto con respecto a su introducción en el ámbito poético.

La hija del mar (en lengua castellana, año 1859): su permanencia en Muxía le inspiró la ambientación de esta obra en prosa,[18]​ que además fue la primera de las novelas de Rosalía. En ella se desenvuelve el tema del temperamento femenino, tratándose de un relato de marcado carácter reivindicativo en el que dos mujeres intentan defender su honra en medio de un ambiente predominantemente femenino. Destaca el prólogo de la novela, donde la autora, defiende los derechos de la mujer en la vida intelectual. Cita predecesoras destacadas tanto del mundo de las artes como de la política, incluyendo algunos ejemplos de mujeres luchadoras, reformadoras y poderosas en diferentes ámbitos de la vida pública. Tal como la define la catedrática Pilar García Negro, Rosalía fue una "feminista en la sombra" que reivindicó el papel de las mujeres en un momento muy complicado.[19]​

Flavio (en lengua castellana, año 1861): en esta obra aparece por primera vez el tema del amor desengañado, siendo recurrente en la poesía que cultivó a partir de este momento. Se trata de una novela de la etapa de la juventud de la autora, quién la define como un «ensayo de novela».[20]​

El caballero de las botas azules (en lengua castellana, año 1867): considerada por la crítica la más interesante de las novelas de Rosalía y calificada por esta como un «cuento extraño», constituye una enigmática fantasía satírica en la que la escritora gallega expone un surtido de relatos de corte lírico-fantástico con trazos costumbristas que tiene el objetivo de satirizar tanto la hipocresía como la ignorancia de la sociedad madrileña. Confluyen en su composición elementos provenientes de dos campos, como son la libre imaginación (influencia de E. T. A. Hoffmann) y la sátira realista de costumbres.

Conto gallego (en lengua gallega, año 1864): apareció por primera vez en una publicación periódica en el año 1864, y hasta el descubrimiento de esta edición sólo se tenía conocimiento de la publicación realizada por Manuel de Castro y López en su Almanaque gallego de Buenos Aires, en el año 1923.[20]​ El cuento refiere un motivo tradicional de la literatura misógina en la que dos amigos hacen una apuesta con la intención de demostrar cual de ellos logra seducir a la viuda el mismo día del entierro de su marido. El trazo característico del cuento es la economía narrativa: la trama se centra en el diálogo existente entre los personajes, mientras que la voz narradora limita sus intervenciones hasta lo imprescindible.[21]​

Las literatas (en lengua castellana, año 1866).

El cadiceño (en lengua castellana, año 1866): cuento de carácter satírico, en el que ciertos personajes se expresan en castrapo, una variante popular del castellano caracterizada por el uso de vocabulario y de expresiones tomadas del idioma gallego que no existen en castellano.

Ruinas (en lengua castellana, año 1866): es un cuadro de costumbres centrado alrededor de tres tipos humanos, tres habitantes de una pequeña villa, ejemplares por sus valores espirituales, que se sobreponen a su decadencia social.

El primer loco (en lengua castellana, año 1881): es una novela breve, en la que Rosalía obvia la moda realista del momento para retornar a las fórmulas románticas de su etapa más juvenil.[22]​

El domingo de ramos (en lengua castellana, año 1881).[23]​

Padrón y las inundaciones (en lengua castellana y publicado en La Ilustración Gallega y Asturiana, el 28 de febrero y el 8, 18 y 28 de marzo de 1881).

Costumbres gallegas (en lengua castellana, año 1881): en este artículo, Rosalía critica la costumbre que existía en el litoral gallego de ofrecer una mujer de la familia al marinero recién arribado. Cumple destacar que el escrito fue objeto de críticas muy duras, dentro del territorio gallego.

লেখক রোজালিয়া ডি কাস্ত্রো গ্যালিসিয়ার সুর ও গানের সাথে সংযুক্ত আছেন। তাঁর জমির মূলগুলি তাঁর প্রথম বইটি তৈরির মূল চাবিকাঠি ছিল গ্যালিশিয়ান গান, যার ছত্রিশটি কবিতা রয়েছে যেখানে আপনি এই অঞ্চল জুড়ে প্রেম, অন্তরঙ্গ, শিষ্টাচার, সামাজিক এবং রাজনৈতিক থিম দেখতে পাবেন।


1880 সালে তিনি গ্যালিশিয়ান নামে আরেকটি রচনা লিখেছিলেন তুমি নোভাস, এই উপভাষায় রচিত দ্বিতীয় ছিল। রোজালিয়া এই কবিতাগুলি XNUMX-এর দশকের শেষের দিকে এবং XNUMX এর দশকের গোড়ার দিকে তৈরি করেছিলেন। এটি এমন একটি গল্প যা নারী, পরিত্যক্ত শিশু এবং গ্রামবাসীদের প্রতি গালাগালি প্রকাশ করেছিল; সাহিত্যিক মহিলা এই রচনায় বলেছিলেন যে তিনি আর গ্যালিশিয়ান ভাষায় লিখবেন না।


সারের তীরে এটি 1886 সালে প্রকাশিত হয়েছিলএটি ছিল লেখকের শেষ প্রযোজনা এবং এটি একটি শতাধিক কবিতা সমেত একটি বই যা একইভাবে একক উদ্দেশ্যে যুক্ত আর এই কাজের মধ্যে রোজালিয়া তার নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং এগুলি পুরুষদের প্রতি অনুরাগ, নস্টালজিয়া, হতাশা এবং ঈশ্বরের প্রতি ভালবাসায় পূর্ণ ছিল।


এই লেখাগুলি একজন ব্যক্তি এবং লেখক হিসাবে তার পরিপক্কতার জন্ম দিয়েছে, তাকে হিসাবে বিবেচনা করা অনুমতি স্প্যানিশ রোমান্টিকতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লেখক। রোজালিয়া জরায়ু ক্যান্সারে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং জুলাই ১৫, ১৮৮৫-এ স্পেনের প্যাড্রানে দেশব্যাপী একটি সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার রেখে মারা যান।



গ্যালিসিয়ার অক্ষরের রেকর্ডিমিডিয়েন্টো

এটি একটি সেই মঞ্চ যেখানে গ্যালিসিয়ার সংস্কৃতি এবং চিঠিগুলি  পুনরুদ্ধারধার করছিল  রোজালিয়া ডি কাস্ত্রো । আর এই আন্দোলনের তিনি অগ্রণী মহিলা।

তাঁর জীবনের অংশ বিশেষ এই কাজের শক্তি গ্যালিসিয়ার মানুষকে যে সংজ্ঞা দিয়েছিল তাঁর চেয়েও বেশি প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি।

কয়েক বছর ধরে গ্যালিশিয়ায় কোনও কাজ তৈরি না করেই চলে গেল রোজালার পরে আরও অনেক লেখক এই ভাষায় গল্প লিখেছিলেন। নাটক গ্যালিশিয়ান গান তারা এই আন্দোলনটি শুরু করেছিল এবং গ্যালিসিয়ার জনগণের হৃদয়ে থেকে যায়, কারণ তারা এমনকি কিছু কবিতা তৈরিতে অংশ নিয়েছিল।

তখন স্পেনের সরকার কর্তৃক আরোপিত মতাদর্শগুলি গ্যালিশিয়ান সম্প্রদায়ের গুরুত্বকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল, যাতে বছরের পর বছর ধরে এর সদস্যদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়। তবুও রোজালিয়া দে কাস্ত্রোর কাজের আগমনের পরে গ্যালিসিয়ার পুরো উপলব্ধি বদলে গেল। 

তাঁর অনুদিত কবিতা পাঠ -

কবিতা ১

ক্যান্টারেস গ্যাল্লেগোস 

বিদায়, নদী; বিদায়, উৎস;

বিদায় সামান্য স্রোত;

বিদায়, আমার চোখের দৃষ্টি,

আমি জানি না আমরা কখন একে অপরকে দেখব

আমার জমি, আমার জমি,

যেখানে আমি বড় হয়েছি

ছোট বাগান যে আমি এত ভালবাসি

ডুমুর গাছ আমি লাগানো।

প্যাড্রোস, নদী, গ্রোভ,

পাইন গ্রোভগুলি বাতাসকে সরিয়ে দেয়,

কিচিরমিচির পাখি,

আমার কন্টেন্টের ছোট্ট ঘরগুলি ...

আমাকে ভুলো না ওহে প্রিয়,

আমি যদি নিঃসঙ্গতায় মারা যাই ...

অনেক লিগ সমুদ্রের বাইরে ...

বিদায় আমার বাড়ি! আমার বাড়ি!


কবিতা ২.

ফোলাস নোভাস (অনুবাদ)

সীমাহীন জায়গায় মেঘের মতো

ঘুরে বেড়াচ্ছে!

কিছু সাদা,

অন্যরা কালো;

কিছু, মৃদু কবুতর আমার কাছে মনে হয়,

তারা অন্যদের গুলি করে

ঝলমলে আলো ...

বিপরীত বাতাস উচ্চতায় প্রবাহিত হয়

ইতিমধ্যে ছত্রভঙ্গ,

তারা বিনা আদেশ ও প্রজ্ঞা ছাড়াই তাদের নিচ্ছে,

আমি জানি না কোথায়

আমি জানি না কেন।

তারা তাদের পরা হয়, বছর কি হয়েছে

আমাদের স্বপ্ন

এবং আমাদের আশা।


কবিতা ৩

সারের তীরে

চিরসবুজ ঝরনার মধ্য দিয়ে

এই শুনানিতে অদ্ভুত গুজব ছড়িয়ে পড়ে,

এবং আনডুলেটিংয়ের সমুদ্রের মাঝে

শাকসবজি,

পাখিদের প্রেমময় প্রাসাদ,

আমার উইন্ডোজ থেকে আমি দেখতে পাচ্ছি

আমি সবসময় যে মন্দিরটি চেয়েছিলাম।

আমি যে মন্দিরটি চেয়েছিলাম ...

ভাল, আমি যদি তাকে ভালবাসি তবে কীভাবে বলতে হয় তা আমি জানি না

যে অভদ্রভাবে দোলা যে বিনীত ছাড়াই

আমার চিন্তাগুলি উদ্বিগ্ন,

মারাত্মক ক্ষোভ যদি সন্দেহ হয়

আমার বুকে ভালবাসায় ঐক্যবদ্ধ জীবন।







Poema de Rosalía de Castro.

রোজালিয়া ডি কাস্ত্রো রচিত কবিতা - লেেক্টরহাবল্যান্ডোগ্রিটোস ডট কম।


গ্যালিসিয়ার অক্ষরের রেকর্ডিমিডিয়েন্টো

রেেক্সর্ডিমিডিয়েন্টো এটি সেই মঞ্চে গ্যালিসিয়ার সংস্কৃতি এবং চিঠিগুলি তাদের গুরুত্ব পুনরুদ্ধার করছিল স্পেনে এবং রোজালিয়া ডি কাস্ত্রো ছিলেন এই আন্দোলনের অগ্রণী মহিলা।


অংশ বিশেষ রোজালিয়ার কাজের শক্তি গ্যালিসিয়ার মানুষকে যে সংজ্ঞা দিয়েছিল তার চেয়েও বেশি প্রতিনিধিত্ব করে,


কয়েক বছর ধরে গ্যালিশিয়ায় কোনও কাজ তৈরি না করেই চলে গেল রোজালার পরে আরও অনেক লেখক এই ভাষায় গল্প লিখেছিলেন। নাটক গ্যালিশিয়ান গান তারা এই আন্দোলনটি শুরু করেছিল এবং গ্যালিসিয়ার জনগণের হৃদয়ে থেকে যায়, কারণ তারা এমনকি কিছু কবিতা তৈরিতে অংশ নিয়েছিল।


তখন স্পেনের সরকার কর্তৃক আরোপিত মতাদর্শগুলি গ্যালিশিয়ান সম্প্রদায়ের গুরুত্বকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল, যাতে বছরের পর বছর ধরে এর সদস্যদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়। তবুও রোজালিয়া দে কাস্ত্রোর কাজের আগমনের পরে গ্যালিসিয়ার পুরো উপলব্ধি বদলে গেল।

={={{{{{{{{}}{{{}}{{{={}=={{=}={}{{}={}{{}={{}=}{{{


Tuesday, 22 February 2022

জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি। রাধারমন মিত্র। ২৩.০২.২০২২. Vol -656. The blogger in literature e-magazine


রাধারমন মিত্র

কলকাতার ইতিহাস নিয়ে তার প্রবল আগ্রহ ছিল। একসময় সে কারণে কলকাতা শহরের পথে পথে একা ঘুরে বেড়িয়ে তথ্য সংগ্রহ ও লেখালিখির কাজ করেছেন রাধারমণ।তার কয়েকটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয় তন্মধ্যে কলিকাতা দর্পণ ১৯৮১ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেছিল।তার অন্যান্য বইগুলি হল:

  • বাংলার তিন মনীষী
  • কলিকাতায় বিদ্যাসাগর
  • ডেভিড হেয়ার: হিজ লাইফ এন্ড ওয়ার্কস
  • রাধারমণ মিত্রের প্রবন্ধ.

তিনি কলকাতার শ্যামবাজারে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৭। পৈতৃক নিবাস ছিল বর্ধমান। ১৯১৩ সালে হিন্দু স্কুল থেকে ম্যাট্রিক ও ১৯১৫ সালে স্বর্ণপদক সহ আই.এ পাশ করেন। সেন্ট পলস কলেজ থেকে বি এ পাশ করার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন।


এম.এ পড়াকালীন অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দিয়ে উত্তরপ্রদেশ চলে যান সহযোগী বিপ্লবী বঙ্কিম মুখার্জীর সাথে। গান্ধীজীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে উত্তর প্রদেশের এটাওয়া তে সংগঠকের কাজ করেন। এই সময় গ্রেপ্তার হয়ে উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের নৈনি জেলে বন্দী হন। এক বছর কারাবাস করার পর তিনি সবরমতী আশ্রমে যান ও মহাত্মা গাঁধীর সাথে টানা তিন বছর কাজ করেন। গান্ধীবাদী আদর্শের অনুগামী হলেও তার সাথে মতপার্থক্যের কারণে তিনি ফিরে আসেন কলকাতায় ও কর্পোরেশন বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার কাজ নেন। শিক্ষকতা ছাড়াও শ্রমিক আন্দোলন, ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনে বহুবার নেতার ভূমিকায় ছিলেন রাধারমণ মিত্র। মার্কসবাদী দর্শনে আকৃষ্ট হলেও কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিলেননা। ১৯২৯ সালে মীরাট ষড়যন্ত্র মামলায় ব্রিটিশ সরকার আবার তাকে গ্রেপ্তার করে। এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে মুক্তি পান। ১৯৪৩-৪৪ সাল নাগাদ ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন। পরে মতপার্থক্যের কারণে সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে গেলেও তার পাণ্ডিত্য, প্রজ্ঞা এবং বামপন্থী রাজনীতি ও মতাদর্শের প্রতি জ্ঞান তাকে সর্বজনশ্রদ্ধেয় করে তুলেছিল। তিনি ভারত সোভিয়েত সুহৃদ সমিতিরও সদস্য ছিলেন।

Portrait of 25 of the Meerut Prisoners taken outside the jail. Back row (left to right): K. N. Sehgal, S. S. Josh, H. L. Hutchinson, Shaukat Usmani, B. F. Bradley, A. Prasad, P. Spratt, G. Adhikari. Middle Row: রাধারমণ মিত্র, Gopen Chakravarti, Kishori Lal Ghosh, L. R. Kadam, D. R. Thengdi, Goura Shanker, S. Bannerjee, K. N. Joglekar, P. C. Joshi, মুজফ্‌ফর আহ্‌মেদ. Front Row: M. G. Desai, D. Goswami, R.S. Nimbkar, S.S. Mirajkar, S.A. Dange, S. V. Ghate, Gopal Basak.


মৃত্যু -  ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২ । 

একজন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকারী বিপ্লবী ও সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার বিজয়ী সাহিত্যিক। তিনি ১৯২৯ সালের মীরাট ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত হন। শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তোলার ব্যাপারে অন্যতম পুরোধা, দেশের মানুষের মধ্যে মার্কসবাদ-লেনিনবাদ প্রচারে একনিষ্ঠ কর্মী। তিনি একসময় মহাত্মা গান্ধীর 'ডানহাত'-স্বরূপ ছিলেন। 

এপিজে বাংলা সাহিত্য উৎসবকে কেন্দ্র করে পায়ে হেঁটে কলকাতার একটি অঞ্চলকে জানার আর চেনার জন্য অসাধারণ এক পদযাত্রা সম্প্রতি হয়ে গেল পুরনো কলকাতার গ্রুপের উদ্যোগে গত ২২শে অক্টোবর, রবিবার, ইংরাজিতে যাকে বলা যায় Heritage Walk। পদযাত্রাটির নাম দেওয়া হয়েছিল প্রখ্যাত কলকাতা বিশেষজ্ঞ রাধারমণ মিত্রের স্মরণে “ কলকাতার দর্পণ– রাধারমণ, Walk Through His Eyes“। পায়ে হেঁটে একটি শহরের কিছু অংশকে চেনার এই উদ্যোগ এখন বেশ পরিচিত তবু বলব, তার মধ্যেও এই ভ্রমণটি কিন্তু বেশ আলাদা। এর কারণ অনেকগুলি। প্রথমত, এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে একটি শিক্ষামূলক ভ্রমণ অর্থাৎ সেই অর্থে Commercial Tour নয়। কিন্তু তা না হলেও অন্যদিকে এটি আবার কিছুটা Professional Tour-ও। যেখানে পরিকল্পনা থেকে তার রূপায়ণ সবেতেই একটা Professionalism বা পেশাদারিত্বের ছাপ স্পষ্ট। যেমন, বাংলা সাহিত্য উৎসবকে কেন্দ্র করে এই ভ্রমণ তাই বেছে নেওয়া হয়েছিল এমন কিছু জায়গা, যার সঙ্গে উনবিংশ শতাব্দীর নবজাগরণ আর সারস্বত সাধনার বেশ কিছু ইতিহাস সম্পৃক্ত হয়ে আছে। বাংলা শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে কলকাতার কলেজ স্ট্রিট অঞ্চল ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আর সে ইতিহাস অনেকেরই জানা। তাই এঁরা বেছে নিয়েছিলেন কলেজ স্ট্রিট নয়, বরং ঠিক তার চৌহদ্দির বাইরেই ঝামাপুকুর আর বিধান সরণীর এমন কিছু অঞ্চল। যেখানেও লুকিয়ে আছে অনেক ইতিহাস, কিন্তু তা আছে অনেকেরই জানার সীমানার বাইরে। এঁদের প্রচেষ্টা ছিল অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে সেই ইতিহাসকে সবার সামনে তুলে আনা। কলকাতাকে ভালোবেসে গঠনমূলক চিন্তার এ এক অনন্য উদাহরণ। আবার এঁদের সেই কাজে একদিকে যেমন তাঁরা পেয়েছিলেন এমন কিছু মানুষকে, কলকাতার ইতিহাস সম্পর্কে অনেক কিছুই যাঁদের নখদর্পণে, তেমনই অন্যদিকে নিয়ে এসেছিলেন এই ভ্রমণের পরিচালক হিসেবে শ্রী গৌতম বসু মল্লিককে। যিনি কলকাতার ইতিহাস সম্পর্কে এক চলন্ত অভিধানই বলা চলে। নিজেকে তিনিই অভিহিত করেছেন রাধারমণ মিত্র, নিখিল সরকার, তারাপদ সাঁতরার উত্তরসূরি হিসেবে। পায়ে হেঁটে কলকাতা শহরকে যাঁরা চিনেছেন, জেনেছেন, নতুন করে আবিষ্কার করেছেন, আর পরে সেই সব জ্ঞান উজাড় করে দিয়েছেন অন্যদের কাছে, উত্তরসূরিদের হাতে। “পুরনো কলকাতার গল্প” গ্রুপের পেশাদারিত্ব এখানেই যে, তাঁরা এই ভ্রমণের ভার তুলে দিয়েছিলেন সেই কলকাতাপ্রেমী বিশেষজ্ঞ গবেষক ও সাংবাদিক গবেষক গৌতম বাবুর হাতে
যিনি তাঁর জ্ঞানের বিচ্ছুরণে সেদিনে সবাইকে সমৃদ্ধ করেছেন, শিহরিত করেছেন। সে কথায় আমরা পরে আসব। কিন্তু এই যে এইভাবে কলকাতাকে দেখা আর চেনা এটি করতে গিয়ে তাঁরা কিন্তু ভোলেননি। এ ব্যাপারে অন্যতম পথিকৃৎ শ্রী রাধারমণ মিত্রকে। কোন দায় ছিল না এঁদের। এই ভ্রমণটি রাধারমণ মিত্রের নামে উৎসর্গ করা। তবু তাঁরা তা করেছেন। কারণ ইতিহাস মানেই পিছনে ফিরে তাকিয়ে নিজেদেরই নতুন করে আবিষ্কার করা। সেই আবিষ্কারে যাঁরা আমাদের অগ্রজ, সেই পূর্বসূরিদের সম্মান দেওয়াও কিন্তু সেই ইতিহাস সাধনার অঙ্গ, আমাদের নৈতিক কর্তব্য। ইতিহাসের পথে সেই যাত্রাকে একজন পূর্বসূরি ঐতিহাসিকের নামেই উৎসর্গ করা। সেটিও এই ভ্রমণের আর একটি বৈশিষ্ট্য। আবার সবার পরে এই ভ্রমণকে নিয়েই একটি আলোচনা সভার আয়োজন এক সপ্তাহ পরে অক্সফোর্ড বুক স্টোরে। রাজপথে ভ্রমণ তো একটা বড় দলকে নিয়ে সম্ভব হয় না, অথচ জানার থাকে অনেক কিছুই। তাই সেই জানাকে ছড়িয়ে দেওয়া আরও অনেক বেশী মানুষের কাছে । যাঁরা সেদিন সেই ভ্রমণে না গিয়েও জানতে পেরে যাবেন সেদিনের অনেক কিছু ইতিহাসের খুঁটিনাটি। জানবেন সেই গৌতম বসু মল্লিক মহাশয়ের মুখ থেকেই। সেই সঙ্গে থাকবেন জনাব শাহেনশা মির্জা এবং আরও কেউ কেউ। মানে সেদিনের ভ্রমণ সেদিনেই শেষ নয়, তার রেশ টেনে নিয়ে যাওয়া পরবর্তী আর একদিনে আলোচনা, বক্তৃতা, স্লাইড শো আর সেদিনের যাত্রার চলমান ছবি বা ভিডিওর মধ্যে দিয়ে। একটি heritage tour কে এইভাবে ব্যপ্ত করে ছড়িয়ে দেওয়া আরও অনেকের মাঝে পেশাদারী চিন্তা ভাবনার এ এক অনন্য নিদর্শন। সেইজন্যেই বলেছি, সেদিনের সেই ভ্রমণ ছিল এক অসাধারণ ভ্রমণ, যা এ ধরণের অন্য অনেক ভ্রমণের চাইতে অনেক দিক দিয়েই আলাদা।

এতটা পড়ার পরে অনেকেই হয়তো আগ্রহী হবেন সেদিন আমরা কি দেখেছি, কি জেনেছি তা জানতে। পরে হয়ত এই নিয়ে আরও বড় করে কিছু লেখা হবে এই গ্রুপে, তবে আজ সংক্ষেপে কিছু ধারণা দেওয়াই যেতে পারে আমাদের সেদিনের দ্রষ্টব্য স্থানগুলির সম্পর্কে। শুরু হয়েছিল আমহার্স্ট স্ট্রীটের সিটি কলেজের সামনে থেকে যে রাস্তাটির নাম এখন রাজা রামমোহন রায় সরণী, আর যে এলাকাটি একসময় রামমোহন আর বিদ্যাসাগরের মত যুগ পুরুষদের কর্মকাণ্ডের সাক্ষী। সেখান থেকে শুরু করে প্রথমেই ঝামাপুকুর লেনের দেব সাহিত্য কুটির বাংলা প্রকাশনার প্রথম যুগ থেকে শুরু করে আমাদের ছোটবেলার শুকতারা আর বড়বেলার নবকল্লোলের পথ ধরে যাঁদের বাংলা ও ইংরাজি অভিধান আজও জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ঠিকানা ধরে দেব সাহিত্য কুটিরের শতাব্দী প্রাচীন এই “চমৎকারবাড়ি”তে যে কেউই পৌঁছে যেতে পারেন কিন্তু তাঁদের মধ্যে কজন জানবেন বাড়ীর সামনের ওই রকটির গুরুত্ব যেখানে একসময় বিদ্যাসাগর মশাই এসে বসতেন, আলোচনা করতেন সমাজ ও সাহিত্যের নানা দিক নিয়ে? এখানেই এই ধরনের ভ্রমণের সার্থকতা জানার মধ্যে থেকেও অনেক অজানা মনিমানিক্যের খোঁজ পাওয়া। সেখান থেকে ঝামাপুকুরের রাজা দিগম্বর মিত্রের বাড়ী আর রামকৃষ্ণ দেবের এক সময়ের লীলাস্থল, আজকের শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ সঙ্ঘ ছুয়ে, ঠিক এইভাবেই খোঁজ পাওয়া গেল নবজাগরণ আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, বাগ্মী সমাজসংস্কারক রামগোপাল ঘোষের প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ীর। ওই এলাকার বিখ্যাত কালীপূজোর বিশাল আলোকোজ্জ্বল মঞ্চের ঠিক পিছনেই সেই জরাজীর্ণ বাড়ীর খোঁজ কে আমাদের দিতেন গৌতম বসু মল্লিক ছাড়া? কে বলতেন একটু পরেই, বর্তমানের প্রায় অপরিচিত জহর সিনেমা হল একসময়ে ছিল বীণা থিয়েটার বলে একটি নাটকের মঞ্চ কাছেই বীণা সিনেমা থেকে যা আলাদা? কে জানাতেন কলেজ স্ট্রিট আর কর্ণওয়ালিশ স্ট্রিটের সংযোগস্থলের জায়গাটিকে একসময় বলা হত ইহুদি বাজার বা ওই কর্ণওয়ালিশ স্ট্রিটের ওপরে, ঠনঠনিয়া কালী বাড়ির কাছে, লাহাদের বিশাল লাল রাজবাড়ীর উল্টোদিকের একটি বাড়ীতে থাকতেন কবি ও সাহিত্যিক নরেন্দ্র দেব? কালীপূজোর সময় ওই এলাকা ভিড়ে উপচে পড়ে। একদিকে ঠনঠনিয়া কালী বাড়ী আর অন্যদিকে বিখ্যাত সার্বজনীন কালী পুজোর দৌলতে, কিন্তু ইতিহাস থেকে যায় সেই অন্ধকারেই। সে অপেক্ষায় থাকে এই রকম কলকাতাপ্রেমী মানুষদের জন্যে। যার সামনে সে নিজেকে আবার নতুন করে উন্মোচিত করতে পারে, নতুন করে পুরনো দিনের কথা শোনাতে পারে।
=={{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{{===

Monday, 21 February 2022

জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি। চারণ কবি মুকুন্দ দাস। ২২.০২.২০২২. Vol -653. The blogger in literature e-magazine


মুকুন্দ দাস 

স্বদেশী ও অসহযোগ আন্দোলনের সময় বহু স্বদেশী বিপ্লবাত্মক গান ও নাটক রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি ছিলেন স্বদেশী যাত্রার প্রবর্তক। প্রকৃতপক্ষে তিনি একজন চারণকবি ছিলেন

১৮৮৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বাবা গুরুদয়াল দাস ও মা শ্যামাসুন্দরী দেবীর ঘরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবার দেওয়া নাম ছিল যোগেশ্বর দাস, ডাকনাম যজ্ঞা। তার জন্মের পরই বানরি গ্রামটি পদ্মা নদীর করাল গ্রাসে তলিয়ে যায়। নিরুপায় গুরুদয়াল তার কর্মস্থল বরিশালে যান সপরিবারে। সেখানে ব্রজমোহন স্কুলে পড়াশোনা শুরু হয় যজ্ঞার। বরিশালের বৈষ্ণব সন্ন্যাসী রামানন্দ অবধূতের নজরে আসেন যজ্ঞা হরিসংকীর্তন ও শ্যামাসংগীত গেয়ে। মুগ্ধ রামানন্দ তার নাম বদলে রাখেন মুকুন্দ দাস।

সেই থেকেই তিনি মুকুন্দ দাস নামে খ্যাত হলেন। মুকুন্দ বাবার মুদি দোকান ছেড়ে নিজই কীর্তনের দল গঠন করে সারা দেশে ঘুরতে লাগলেন। তার গণসংগীত রচনাও শুরু হয় এ সময় থেকেই। ১৯০৩ সালে সাধন সঙ্গীত নামে একটি গানের বই বরিশাল থেকে প্রকাশিত হয়। তাতে শতাধিক গান স্থান পায়। যার অধিকাংশই দেশাত্মবোধক।

তখন থেকেই মুকুন্দ দাস বদলে যান দেশপ্রেমিক হিসেবে। দেশের মানুষকে পরাধীনতার বিরুদ্ধে ও নানা সামাজিক দুর্দশার বিরুদ্ধে সচেতন করার জন্য গান ও যাত্রাপালা রচনায় মনোনিবেশ করেন।

সে সময়ে স্বদেশি বিপ্লবীদের উদ্দীপনার উৎস হয়ে উঠেছিল মুকুন্দ দাসের গান-পালা-বক্তৃতা। তিনি সারা দেশ ঘুরে ফিরতেন। তার গণসংগীত, স্বদেশি গান আর যাত্রাপালায় মানুষ উজ্জীবিত হতো দেশপ্রেম আর বিদ্রোহের আগুনে।


বিপ্লবী ক্ষুদিরামের ফাঁসি হলে মুকুন্দ দাস গান বাঁধলেন :হাসি হাসি পরব ফাঁসিদেখবে জগৎ বাসী একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি।

স্বদেশি রেনেসাঁর চারণকবি যখন গ্রামগঞ্জে মানুষকে জাগাতে কণ্ঠে সুর বেঁধেছেন, তখন রবীন্দ্রনাথ-কাজী নজরুলও আছেন বেঁচে। তারা মুকুন্দ দাসের খবর রাখতেন। তার দেশপ্রেমের প্রতি প্রীত হয়ে তাকে উপাধি দিলেন চারণকবি। ১৯৩০ সালে মুকুন্দ দাস আইন অমান্য করে সরাসরি আন্দোলনে যোগ দিলেন। কীর্তন গাইতে গাইতে কণ্ঠে তুলে নিলেন আগুনঝরা গণসংগীত। ভারী তেজ আর ঝলসে দেওয়ার মতো বাণী সে গানে।

গাইলেন :ভয় কি মরণে থাকিতে সন্তানেমাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।তাথৈ তাথৈ দ্রিমি দ্রিমি দং দংভূত পিশাচ নাচে যোগিনী সঙ্গে।দানব দলনী হয়ে উন্মাদিনী,আর কি দানব থাকিবে বঙ্গে।সাজ রে সন্তান হিন্দু মুসলমানথাকে থাকিবে প্রাণ, না হয় যাইবে প্রাণ।লইয়ে কৃপাণ হও রে আগুয়াননিতে হয় মুকুন্দ রে, নিও রে সঙ্গে।তার মতো করে এযাবৎকাল লোকনাট্যকার হিসেবে আর কেউ একান্তভাবে আত্মনিয়োগ করতে পারেননি। মুকুন্দ দাসের পালাগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- তার সব রচনা বিংশ শতকের স্বদেশি আন্দোলন আর সামাজিক অনাচারের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় মুকুন্দ দাস তার ভাবগুরু অশ্বিনী কুমার তাকে সঙ্গে নিয়ে দেশের নানা স্থানে স্বদেশির প্রচারে বের হন।


এ সময় মুকুন্দ দাস স্বদেশি যাত্রা পার্টি নামে দল গঠন করেন। সেই দল নিয়ে সারা দেশে ঘুরে তিনি লোকচিত্রকে স্বাধীনতার স্বপ্নে উদ্বুদ্ধ করতে থাকেন। আমাদের জাতীয় নাট্য বলে যদি কিছু থাকে, সেটি হলো যাত্রা। আর মুকুন্দ দাস প্রথম জাতীয় নাট্যকে জাতির রাজনৈতিক আন্দোলনে কাজে লাগালেন।

মুকুন্দদাসের রচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-  মাতৃপূজা, 

সমাজ, 

আদর্শ, 

পল্লীসেবা, 

সাথী, 

কর্মক্ষেত্র, 

ব্রহ্মচারিণী, 

পথ ইত্যাদি।


মুকুন্দ দাস ব্রিটিশ শাসকদের জানিয়ে দিলেন- ‘আর কি দেখাও ভয়! দেহ তোমার অধীন বটে মন তো স্বাধীন রয়। হাত বাঁধবে প বাঁধবে, ধরে না হয় জেলে দেবে, মন কি ফিরাতে পারবে এমন শক্তিময়?’ তার কাছে চিন্তা ও কাজের স্বাধীনতা জীবন বলে প্রতিভাত হতো। তিনি তার জ্বালাময়ী বক্তৃতা ও গণসংগীত গেয়ে জনগণের মোহনিদ্রা ভেঙে দিয়েছিলেন। ব্রিটিশ সরকার মুকুন্দ দাসের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। মাতৃপূজা নামের তার একটি পালা ব্রিটিশদের খেপিয়ে দেয়। মুকুন্দ দাসকে গ্রেফতার করা হয়। বিচারে তাকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বরিশালে এসে তিনি যাত্রাপালার দল গঠন করেন। সমাজ নামে পালা লেখেন। ১৯১৬ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের আমন্ত্রণে যাত্রার দল নিয়ে কলকাতায় যান। কলকাতা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটে যাত্রা মঞ্চস্থ করেন। মহাত্মা গান্ধী আহূত অসহযোগ আন্দোলনের সময় মুকুন্দ দাস- কর্মক্ষেত্র, পথ, পল্লী সমাজ প্রভৃতি যাত্রাপালা রচনা করেন। 

১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় মুকুন্দদাস একের পর এক গান,কবিতা ও নাটক রচনা করে বাঙ্গালীর জাতীয় জীবনে নূতন উদ্দীপনার সঞ্চার করেন। এরপর ব্রিটিশ সরকার রাজদ্রোহের অপরাধে তাকে গ্রেপ্তার করেন ও বিচারে তাকে দিল্লী জেলে আড়াই বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়। মাতৃপূজা নাটকটি সরকার বাজেয়াপ্ত করে। 

 কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যথাক্রমে বাংলা মায়ের দামাল ছেলে চারন-সম্রাট মুকুন্দ উপাধিতে ও সন্তান আখ্যায় ভূষিত করেন। 

=================================


আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন। খেজুরী সাহিত্য সম্মিলনী। ২১.০২.২০২২. Vol -652. The blogger in literature e-magazine

"মোদের গরব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা....."                                                          বা                                                           "মাতৃভাষা মাতৃদুগ্ধ সম   "                                

                            পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো আমাদের দেশের নানান মাতৃভাষার  মতো  বাংলা ভাষাভাষী মানুষের উদ্যোগে  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হলো খেজুরী সাহিত্য সম্মিলনীর আয়োজনে ৮ম বর্ষ মাতৃভাষা দিবস  ও সাহিত্য বাসর অনুষ্ঠান। ২১শে ফেব্রুয়ারী ২০২২ বিকেল ৩.৩০ মিনিটে  হেঁড়িয়ার উদাখালী বাসস্ট্যান্ড এর বিশ্রামাগারে। ভাষা শহীদ স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন ,মাল্যদান ,পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন, উপস্থিত সম্মানীয় অতিথিবৃন্দ ও সম্মিলনীর সদস্য-সদস্যাবৃন্দ। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা ও কবিতা পাঠ থাকে। ঐ অনুষ্ঠানে দৈনিক শব্দের মেঠোপথ পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা " হৃদয় রঙে অমর ২১" (৩য় বর্ষ, ৩ সংখ্যা) প্রকাশ করেন অধ্যাপক শ্রী রণজিত কুমার নায়েক ও ড. রামচন্দ্র মন্ডল।  

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন - বিশিষ্ট কৃষিবিজ্ঞানী প্রাক্তন অধ্যক্ষ ড. রামচন্দ্র মন্ডল মহোদয়৷ সম্মাননীয় অতিথি বর্গ উপস্থিত ছিলেন - অধ্যাপক রণজিৎ কুমার নায়েক, ড. প্রবালকান্তি হাজরা, শ্রী পার্থ সারথি দাশ, শ্রী স্বপনকুমার মন্ডল, শ্রী বিমান কুমার নায়ক, শ্রী রণজিৎ দাস, আবদুর রহমান সাহেব প্রমুখ। 

অমর একুশের শহীদদের স্মরণে স্বরচিত কবিতা পাঠ করে - শ্রী রজত দাস, শ্রী অশোক দাস, শ্রী কৃষ্ণানন্দ মাইতি, শ্রী অমলেন্দু পাল, শ্রী অনিল সাহু, শ্রী মধুসুদন জানা, শ্রী বৃন্দাবন দাস অধিকারী, শ্রী রবীন্দ্রনাথ দাস অধিকারী, শ্রী সুভাষ ঘোড়ই, শ্রী পার্থ প্রতিম নায়েক, শ্রী অসিত গিরি, শ্রী চন্দন খাঁড়া,  শ্রীমতী মহামায়া গোল,  শ্রী প্রদীপ শাসমল,  শ্রী নিশিকান্ত ভূঞ্যা, শ্রী জলধর নায়ক প্রমুখ।সঙ্গীত পরিবেশন করেন - শ্রী সুমন লস্কর, শ্রীমতি মধুমিতা গিরি, শ্রী সুনীল দাস প্রমুখ । শহীদ বেদীমঞ্চ, প্রদীপ-পুষ্পসজ্জায় ছিলেন - শ্রী উত্তম কুমার গুড়িয়া, শব্দে - সেক লেহাজুদ্দিন, চিত্রগ্রহণে - শ্রী জ্যোতির্ময় বারিক, চা ও জলযোগে অনু-তনু ভগিনীদ্বয়৷ যানবাহনের চলাচলে সুগম করে অনুষ্ঠানটির সাফল্য আনেন,আন্তরিক সহযোগিতায় - হেঁড়িয়া আইসি-র পক্ষ থেকে আধিকারিকগণ ও সিভিক পুলিশেরা। 
অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন - খেজুরী সাহিত্য সম্মিলনী-র সভাপতি শ্রী সুমন নারায়ন বাকরা । আর অনুষ্ঠানের শুভ সূচনাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা এবং সংস্থার নানান বিষয় ঘোষণা করেন সম্পাদক ড. বিষ্ণু পদ জানা। আরো উপস্থিত ছিলেন  সহ-সম্পাদক - শ্রী জয়দেব মাইতি ও শ্রী সুদর্শন সেন , সদস্য শ্রী কানাইলাল জানা ও জালালউদ্দিন খান।  সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শ্রী সমরেশ সুবোধ পড়িয়া ।  বাংলা ভাষা কে যথোচিত মর্যাদায় স্মরণ ও সম্মান জানিয়ে সকলে একমত হন - এ লড়াই আমাদের চালিয়ে যেতে হবে। আঞ্চলিক ভাষা প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে । সম্মিলনী আগামী কর্মসূচি ঘোষণা করেন সম্পাদক ড বিষ্ণুপদ জানা মহোদয়- ১) খেজুরী সাহিত্য সম্মিলনী আয়োজিত ব‌ইমেলা (১ম বর্ষ ) আগামী এপ্রিল মাসের  শেষে অনুষ্ঠিত হবে। তা নিয়ে খুব শীঘ্রই মিটিং ডাকা হবে। ২) ঐ ব‌ইমেলাতে প্রকাশিত হবে - সংকলন গ্রন্থ   " খেজুরীতে আগত মণীষী" । নির্বাচিত লেখকদের তাড়াতাড়ি লেখা জমা দিতে হবে।

                                 সভার  শেষে শহীদ স্মরণে মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন সমবেত সকলে - সমবেত সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে।
====[=[============={==[✓[✓✓[[=====

Saturday, 19 February 2022

জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য। Richard Cumberland ১৯.০২.২০২২. Vol -651. The blogger in literature e-magazine


Richard Cumberland (রিচার্ড কাম্বারল্যান্ড)

জন্ম 19 ফেব্রুয়ারি 1731তারিখে ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজের মাস্টার্স লজে জন্মগ্রহণ করেন। 

তার পিতা ছিলেন একজন পাদরি, ডাক্তার ডেনিসন কাম্বারল্যান্ড, যিনি ক্রমাগত ক্লোনফার্টের বিশপ এবং কিলমোরের বিশপ হয়েছিলেন এবং তার মাধ্যমে তার প্রপিতামহ ছিলেন রিচার্ড কাম্বারল্যান্ড, পিটারবোরোর দার্শনিক ও বিশপ। 

তার মা ছিলেন জোহানা বেন্টলি, জোহানা বার্নার্ডের কনিষ্ঠ কন্যা এবং শাস্ত্রীয় পণ্ডিত রিচার্ড বেন্টলি, ট্রিনিটি কলেজে দীর্ঘদিনের মাস্টার। 

তিনি জন বায়রমের জনপ্রিয় ইক্লোগ কোহন অ্যান্ড ফোবি-এর নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছিলেন। 

কাম্বারল্যান্ডের কনিষ্ঠ বোন মেরি পরে কবি মেরি অ্যালকক হিসাবে স্বীকৃত হন। 

একজন মহান-দাদা ছিলেন অলিভার সেন্ট জন, রাষ্ট্রনায়ক।

কাম্বারল্যান্ড বুরি সেন্ট এডমন্ডসের গ্রামার স্কুলে শিক্ষিত হয়েছিলেন। 

তিনি পরে বর্ণনা করেছিলেন যে, যখন প্রধান শিক্ষক আর্থার কিনসম্যান বেন্টলিকে বলেছিলেন যে তিনি তার নাতিকে সমানভাবে ভালো পণ্ডিত করে তুলবেন, তখন বেন্টলি জবাব দিয়েছিলেন: "পশা, আর্থার, এটা কিভাবে হতে পারে, যখন আমি আপনি আগে যা জানেন তার চেয়ে বেশি ভুলে গেছি?" [উদ্ধৃতি প্রয়োজন] 

1744 সালে কাম্বারল্যান্ডকে প্রধান শিক্ষক হিসাবে ডাক্তার নিকোলের অধীনে নামকরা ওয়েস্টমিনস্টার স্কুলে স্থানান্তরিত করা হয়। ওয়েস্টমিনস্টারে তাঁর সমসাময়িকদের মধ্যে ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস, জর্জ কোলম্যান, চার্লস চ তিনি ট্রিনিটিতে তার ফেলোশিপের জন্য পড়তে শুরু করেছিলেন যখন হ্যালিফ্যাক্সের আর্ল যিনি নিউক্যাসলের ডিউক সরকারের বোর্ড অফ ট্রেডের সভাপতি হয়েছিলেন তাকে প্রাইভেট সেক্রেটারি পদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। 

কাম্বারল্যান্ডের পরিবার তাকে মেনে নিতে রাজি করায় এবং সহকর্মী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি পদে ফিরে আসেন। এটি তাকে সাহিত্য সাধনার জন্য সময় দেয়, যার মধ্যে ভারত সম্বন্ধে ফাঁকা শ্লোকে একটি কবিতা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

লর্ড হ্যালিফ্যাক্সের মাধ্যমে "নোভা স্কটিয়ার ক্রাউন-এজেন্ট" হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর 1759 সালে তার চাচাতো বোন এলিজাবেথ রিজকে বিয়ে করার পর কাম্বারল্যান্ড তার ফেলোশিপ পদত্যাগ করেন।

1761 সালে কাম্বারল্যান্ড তার পৃষ্ঠপোষক লর্ড হ্যালিফ্যাক্সের সাথে আয়ারল্যান্ডে যান। 

হ্যালিফ্যাক্স যিনি আয়ারল্যান্ডের লর্ড লেফটেন্যান্ট এবং কাম্বারল্যান্ডকে আলস্টার সেক্রেটারি হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন। 

তাকে ব্যারোনেটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। 

যখন 1762 সালে হ্যালিফ্যাক্স উত্তর সেক্রেটারি হন, তখন কাম্বারল্যান্ড আন্ডার সেক্রেটারি পদের জন্য আবেদন করেছিলেন, কিন্তু শুধুমাত্র লর্ড হিলসবরোর অধীনে বোর্ড অফ ট্রেড-এ রিপোর্টের কম মর্যাদাপূর্ণ ক্লার্কশিপ পেতে পারেন।

1775 সালে লর্ড জর্জ জার্মেইন যখন অফিসে গৃহীত হন, তখন কাম্বারল্যান্ডকে বোর্ড অফ ট্রেড অ্যান্ড প্ল্যান্টেশনের সেক্রেটারি নিযুক্ত করা হয়, যে পদটি তিনি 1782 সালে এডমন্ড বার্কের সংস্কারের অবধি বিলুপ্ত করা পর্যন্ত ছিলেন।

His first play was a tragedy, The Banishment of Cicero, published in 1761 after David Garrick rejected it; this was followed in 1765 by a musical drama, The Summer's Tale, subsequently compressed into an afterpiece Amelia (1768). Cumberland first essayed sentimental comedy in The Brothers (1769). This play is inspired by Henry Fielding's Tom Jones; its comic characters are the jolly old tar Captain Ironsides, and the henpecked husband Sir Benjamin Dove, whose progress to self-assertion is genuinely comic. Horace Walpole said, that it acted well, but read ill, though he could distinguish in it "strokes of Mr Bentley."

The epilogue paid a compliment to Garrick, who helped the production of Cumberland's second comedy The West-Indian (1771). Its hero, who probably owes much to the suggestion of Garrick, is a young scapegrace fresh from the tropics, "with rum and sugar enough belonging to him to make all the water in the Thames into punch,"—a libertine with generous instincts, which prevail in the end. This early example of the modern drama was favourably received; Boden translated it into German, and Goethe acted in it at the Weimar court. The Fashionable Lover (1772) is a sentimental comedy, as is The Choleric Man (1774), founded on the Adelphi of Terence. Cumberland published his memoirs in 1806–07. George Romney, whose talent Cumberland encouraged, painted his portrait, which is in the National Portrait Gallery.

Among his later comedies were:

  • Calypso (1779)
  • The Natural Son (1785), in which Major O'Flaherty who had already figured in The West-Indian, makes his reappearance
  • The Country Attorney (1787)
  • The Impostors (1789), a comedy of intrigue
  • The School for Widows (1789)
  • The Armourer (1793), originally Richard II but rewritten as The Armourer to pass censorship
  • The Box-Lobby Challenge (1794), a protracted farce
  • The Jew (1794), a drama, highly effective when the great German actor Theodor Döring played "Sheva"
  • The Wheel of Fortune (1795), in which John Philip Kemble found a celebrated part in the misanthropist Penruddock, who cannot forget but learns to forgive (a character declared by August von Kotzebue to have been stolen from his Menschenhass und Reue), while Richard Suett played the comic lawyer Timothy WeazelWeazel
  • First Love (1795)
  • The Last of the Family (1797)
  • The Village Fete (1797)
  • False Impressions (1797)
  • A Word for Nature (1798)
  • The Sailor's Daughter (1804)
  • Hint to Husbands (1806), which, unlike the, rest, is in blank verse.
  • The other works printed during his lifetime include:
The Note of Hand (1774), a farce
The Princess of Parma (1778)
Songs for a musical comedy, The Widow of Delphi (1780)
The Battle of Hastings (1778), a tragedy
The Carmelite (1784), a romantic domestic drama in blank verse, in the style of John Home's Douglas, furnishing some effective scenes for Sarah Siddons and John Kemble as mother and son
The Mysterious Husband (1783), a prose domestic drama
The Days of Yore (1796), a drama
The Clouds (1797)
Joanna of Mondfaucon (1800)
The Jew of Mogadore (1808)
His posthumously printed plays (published in 2 vols. in 1813) include:

The Walloons (comedy, acted in 1782)
The Passive Husband (comedy, acted as A Word for Nature, 1798)
The Eccentric Lover (comedy, acted 1798)
Lovers' Resolutions (comedy, once acted in 1802)
Confession, a quasi-historic drama
Don Pedro (drama, acted 1796)
Alcanor (tragedy, acted as The Arab, 1785)
Torrendal (tragedy)
The Sibyl, or The Elder Brutus (afterwards amalgamated with other plays on the subject into a very successful tragedy for Edmund Kean by Payne)
Tiberius in Capreae (tragedy)
The False Demetrius (tragedy on a theme which attracted attracted Schiller)
Adaptations 
Aristophanes' Clouds (1798) William Shakespeare's Timon of Athens (1771) Philip Massinger's The Bondman and The Duke of Milan (both 1779).

Novels 
Arundel (1789)
Henry (1795) - was printed in Ballantyne's Novelists' Library (1821),
John de Lancaster (1809)


Death -7 May 1811 

He was an English dramatist and civil servant. In 1771 his hit play The West Indian was first staged. During the American War of Independence he acted as a secret negotiator with Spain in an effort to secure a peace agreement between the two nations. He also edited a short-lived critical journal called The London Review (1809). His plays are often remembered for their sympathetic depiction of characters generally considered to be on the margins of society.
={{{]]]]]]]]]]]]]]}]}]]]]]]]]}]{]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]>

Thursday, 17 February 2022

জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি। চৈতন্য মহাপ্রভু। ১৮.০২.২০২২. Vol -650 The blogger in literature e-magazine


চৈতন্য মহাপ্রভু (Chaitanya Mahaprabhu)
 

জন্মগ্রহণ করেন ১৪৮৬ খ্রিঃ ১৮ শে ফেব্রুয়ারী । ফাল্গুনী পূর্ণিমার পুণ্য তিথি । নবদ্বীপের আকাশে আর গঙ্গার বুকে জোছনার জোয়ার উথূলে উঠেছে । সেদিন আবার চন্দ্রগ্রহণের যোগ । ভিড়ের তাই অন্ত নেই । কোলাহল আর হরিধ্বনিতে আকাশ – বাতাস ভরপুর । এমন সময় মায়াপুর পল্লীতে শ্রীহট্টিয়া পাড়ায় নারীকণ্ঠের ঘন ঘন উলুধ্বনি শোনা গেল । শাঁখ বেজে উঠলো চারিদিকে । কি ব্যাপার ? – শোনা গেল এইমাত্র পণ্ডিত জগন্নাথ মিশ্রের ঘরে তার স্ত্রী শচীদেবী একটি পুত্র সস্তানের জন্ম দিয়েছেন. 
নীলাম্বর চক্রবর্তী শচীদেবীর পিতা । মস্ত পণ্ডিত তো বটেই জ্যোতিষ শাস্ত্রেও তাঁর খ্যাতি কম নয় । দৌহিত্রের জন্ম – সংবাদ পেয়েই তিনি নবজাতকের ভাগ্য গণনায় বসে গেলেন । গণনা শেষে বললেন , এ জাতকের কোষ্ঠী অপূর্ব । এ শুধু অসামান্য মনীষী ও বিদ্যার অধিকারী হবে না , ধর্মজগতের এক মস্তবড় নেতা হবে । বহু লোক দেবতা জ্ঞানে তাঁকে পূজো করবে ।
দাদামহাশয়ের ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণিত হয়েছিল । নিমাই শুধু অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী হন নি , ধর্মজগতে এনেছিলেন এক বিরাট বিপ্লব । সমাজের ও ধর্মজীবনের কলুষ দূর করবার জন্যে দেশে ভক্তির বন্যা বইয়ে দেবার জন্যে তাঁর আবির্ভাব ঘটেছিল । এই জন্যে তাকে বলা হয় যুগাবতার ।
জগন্নাথ মিশ্রের প্রথম ছেলের নাম বিশ্বরূপ । পরপর কয়েকটি ছেলে – মেয়ের মৃত্যুর পর এই ছেলের জন্ম । মা শচীদেবী তাই নবজাতকের নাম রাখলেন নিমাই । কোষ্ঠীর নাম ‘ বিশ্বম্ভর ।
ডুবনভোলানো রূপ নিমাইয়ের । একবার দেখলে চোখ ফেরানো কঠিন । বাপ – মায়ের তো বটেই , পাড়া – পড়শীদেরও সে নয়নের মণি । দিনে দিনে বাড়ে চাঁদের কলার মত । শচীমার বুকের ধন , চোখের মণি আঙিনায় খেলা করে । মা যশোদা যেমন তাঁর নয়নমণি শ্রীকৃষ্ণকে সাজাতেন তেমনি ক’রে শচীমাতাও সাজিয়ে দেন নিমাইকে । চঞ্চল অস্থির শিশু কারও কথা শোনে না । লেখাপড়ায় তার এতটুকুও মন নেই । সারাদিন , শুধু খেলা করে আর নেচে বেড়ায় । 
পাঁচ বছরে নিমাইয়ের হাতে খড়ি হলো । হাতে খড়ির দিন দেখা গেল , বালকের মেধা ও প্রতিভা দুই – ই বিস্ময়কর । বিদ্যালয়ের পাঠ অনায়াসেই সে আয়ত্ত করে । পুত্র গৌরবে মায়ের মন খুশিতে ভরে ওঠে ।
নিমাইয়ের বয়স যখন প্রায় সাত বছর , তখন তার বড় ভাই বিশ্বরূপ ষোল বছর বয়সে সন্ন্যাস গ্রহণ করে সংসার ছেড়ে চলে যান । জগন্নাথ মিশ্র ভেঙ্গে পড়েন । চোখের জলে বুক ভাসাতে থাকেন শচীমা । নিমাই বলেনঃ “ কেঁদো না মা । দাদা সন্ন্যাসী হয়েছেন কিন্তু আমি তো আছি । আমি তোমাদের দেখব । ” 


 পাছে বড় ছেলের মত নিমাইও লেখাপড়া শিখে গৃহত্যাগ করে সন্ন্যাসী হয়ে চলে যায় এই ভয়ে জগন্নাথ মিশ্র নিমাইয়ের লেখাপড়া বন্ধ ক’রে দিলেন । কিন্তু লেখাপড়া বন্ধ করে দেওয়াতে বালক নিমাই এক দুরন্ত বালকে পরিণত হলেন । তাঁর অত্যাচারে ও দুরত্তপনায় নবদ্বীপের সকলেই অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেন ।
সাত বছরের ছেলে নিমাই কখনও কলাবাগান থেকে পাকা কলা চুরি করে খান , কখনও বা গঙ্গার জল তোলপার করে সাঁতার কাটেন । গঙ্গায় স্নানরত ব্রাহ্মণদের কাপড় – চাদর জলে ভিজিয়ে দেন , কখনও লুকিয়ে রাখেন । আবার কখনও বা কারও পূজার আসনে গিয়ে বসে নৈবেদ্যের ফলমূল খেয়ে পালিয়ে যান । গঙ্গাতীরে শিবলিঙ্গ সামনে রেখে কোন ব্রাহ্মণ হয়তো ধ্যানে বসেছেন । নিমাই নিঃসাড়ে সেখানে গিয়ে সেই শিবলিঙ্গ চুরি করে পালিয়ে যান । এমনি আরও অনেক অপকর্ম করে বেড়ান নিমাই ।

 নিমাইয়ের এমনিতর উৎপীড়নে ব্যতিব্যস্ত হয়ে নবদ্বীপবাসীরা জগন্নাথ পণ্ডিতের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন । বলেন , দুরস্ত ছেলেটাকে একটু সামলান । ওর দুষ্টামির জ্বালায় আমরা যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠলাম ।পাড়া – প্রতিবেশীদের কথায় বাপ মায়ের চৈতন্য হলো । তারা বুঝলেন — লেখাপড়া করতে না দেওয়াতে ছেলে এমন দুরস্ত হয়ে উঠেছে । জগন্নাথ মিশ্র ও শচীদেবী তখন বাধ্য হয়ে ছেলেকে গঙ্গাদাস পন্ডিতের টোলে লেখাপড়া শিখতে পাঠিয়ে দিলেন ।গঙ্গাদাস , বিষ্ণুদাস ও সুদর্শন — এই তিন পণ্ডিতের চতুষ্পাঠীর পড়া যখন নিমাই শেষ করলেন তখন তার বয়স আঠারো বছর । বেশ কয়েক বছর আগেই জগন্নাথ মিশ্র দেহত্যাগ করেছেন । অসাধারণ তাঁর প্রতিভা ও বিদ্যাবত্তা । নানা কূট প্রশ্ন তুলে লোককে বিব্রত করা , অপদস্ত করে রঙ্গ দেখা এখন তাঁর বিলাস । নবদ্বীপের নবীন ও প্রবীণ পণ্ডিতেরা এখন তাঁর ভয়ে ভীত , সবাই তাকে এড়িয়ে চলেন ।
নবদ্বীপ শহরে মুকুন্দসঞ্জয় নামে একজন বর্ধিষ্ণু লোক ছিলেন । তার বাড়ির চণ্ডীমণ্ডপে নিমাই টোল খুলে অধ্যাপনা করতে বসলেন । নিমাইয়ের প্রতিভা ও পাণ্ডিত্যের খ্যাতি চারিদিকে প্রচারিত হতে লাগলো । দূর দূর থেকে ছাত্ররা আসতে লাগলো নিমাই পণ্ডিতের টোলে । টোল জমে উঠতে দেরি হলো না । ধনী ও প্রতিপত্তিশালী নাগরিকদের পৃষ্ঠপোষকতায় অচিরে নিমাই বেশ গণ্যমান্য হয়ে উঠলেন ।নবদ্বীপের ব্রাহ্মণ বল্লভাচার্যের মেয়ে লক্ষ্মীদেবীর সঙ্গে নিমাইয়ের বিয়ে হয়েছিল ।

 বিয়ের কিছুকাল পরে নিমাই গেলেন পূর্ববঙ্গে । সুপন্ডিত ও প্রতিভাবান পুরুষ বলে সে অঞ্চলে তিনি যথেষ্ট মর্যাদা পেলেন । কিছুকাল পরে নবদ্বীপে ফিরে এসে শুনলেন লক্ষ্মীদেবী সাপের কামড়ে মারা গেছেন । শোক ভুলে থাকবার জন্যে অধ্যাপনার ওপর জোর দিলেন । তিনি আর সেই পরিহাসপ্রিয় চঞ্চল যুবক নন । রাতারাতি হয়ে উঠেছেন গাম্ভীর্যের প্রতিমূর্তি ।কিছুকাল পরে শচীদেবী আবার ছেলের বিয়ে দিলেন । নবদ্বীপের সনাতন পণ্ডিতের মেয়ে বিষ্ণুপ্রিয়ার সঙ্গে । সংসারে আবার আনন্দের বন্যা বয়ে গেল । কিন্তু আনন্দময় এই জীবন কয়েক বছর পর হঠাৎ একদিন বিপর্যস্ত হয়ে গেল । আর সে বিপর্যয় এল নিমাইয়ের অলৌকিক ভাবমত্তার মধ্য দিয়ে দমকা হাওয়ার মত । বিবাহের অল্পকাল পরে নিমাই স্বর্গত পিতার পিণ্ডদান করতে গেলেন গয়াধামে । সেখানে শ্রীবিষ্ণুর পাদপদ্ম দর্শনের পর তাঁর মধ্যে অভূতপূর্ব পরিবর্তন দেখা দিল । তাঁর মধ্যে জন্ম হল শ্রীকৃষ্ণ অনুরাগী এক প্রেমিক সাধকের । অহঙ্কারী পন্ডিত নিমাই হলেন শ্ৰীকৃষ্ণসাধক।গয়ায় ওই সময় বৈষ্ণবধর্মের প্রবর্তক মাধবেন্দ্র পরীর শিষ্য ঈশ্বরপুরী নামে এক শ্রীবিষ্ণুভক্ত সাধু ছিলেন । নিমাই তাঁকে দেখে তাঁর পায়ে লুটিয়ে পড়ে বললেনঃ “ প্রভু আমাকে দীক্ষা দিন । ” ঈশ্বরপুরী জানতেন — নিমাই একজন পরম ভক্ত । তিনি নিমাইকে কৃষ্ণমন্ত্রে দীক্ষা দিলেন ।
নিমাই এরপর ফিরে এলেন নবদ্বীপে । কিন্তু তখন তিনি আর আগের নিমাই নন , যেন অন্য মানুষ । সারা মন তার কৃষ্ণনামে ভরা । কৃষ্ণনাম করতে করতে তিনি কাঁদেন , কখনও বা মূর্ছিত হয়ে পড়েন ।নবদ্বীপের শাসনকর্তা তখন একজন মুসলমান কাজী । বৈষ্ণবদের কীর্তন নিয়ে এই মাতামাতি হৈ – হুল্লোড় তিনি ভাল চোখে দেখতেন না । তিনি আদেশ জারী করলেন , নবদ্বীপে সমবেতভাবে কীর্তন করা চলবে না।
 তাই শুনে নিমাই ক্রোধে রুদ্রমূর্তি ধারন করলেন । সেই দিনই তিনি হাজার হাজার ভক্ত নিয়ে শ্রীহরির নাম গান করতে করতে পথে বেরলেন । সারা শহর প্রদক্ষিণ করে অবশেষে কাজীর বাড়িতে উপস্থিত হলেন । নিমাইয়ের ভগবদ্ভক্তি ও মধুর নাম গান শুনে কাজীর মনের পরিবর্তন হলো । তিনি তাঁর আদেশ তুলে নিলেন । সারা নবদ্বীপ কৃষ্ণনাম গানে ভরে গেল ।এরপর নিমাইয়ের অন্তরাত্মায় এলো আর এক নতুন আহ্বান । বিশ্বমানবের কল্যাণের জন্য তাঁকে এই প্রেমভক্তির প্রবাহকে সঞ্চালিত করতে হবে । গৃহত্যাগ না করলে সেই বৃহত্তর কর্মক্ষেত্রে ঝাপ দেওয়া যাবে না । তাই মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের এক রাতে নিমাই গৃহত্যাগ করলেন । ছুটে গেলেন কাটোয়ায় । সেখানে পন্ডিত কেশব ভারতীর কাছে দীক্ষা নিলেন । নিমাই তখন থেকে পরিচিত হলেন শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নামে । তখন তাঁর বয়স মাত্র চব্বিশ বছর ।জাতিবর্ণ ধর্ম নির্বিশেষ সকল মানুষের মধ্যে প্রেমের বাণী প্রচার করেছিলেন শ্রীচৈতন্য । এর বাইরে তিনি অন্য কোন ধর্মতত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেননি । কোন ধর্মগ্রন্থও রচনা করেন নি । মানবীয় চেতনার পূর্ণবিকশিত , রূপবিগ্রহ ছিলেন তিনি । মানুষে মানুষে বিভেদ মুছে দেবার ব্রতই ছিল তাঁর জীবনসাধনা । সন্ন্যাসী হলেও তিনি আত্মমুক্তিকামী বা মানবতা বিমুখী ছিলেন না । সেই আকর্ষণেই হাজার হাজার মানুষ তার কাছে ছুটে আসত , লাভ করত জীবনের আলো । তিনি সকল মানুষের জন্য যে মহানাম প্রচার করে গেছেন তা হলো –

 ” হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ।”
জীবনের শেষ আঠারোটি বছর শ্রীচৈতন্যদেব পুরীধামে কাটিয়েছিলেন । পুরীধামে ১৫৩৪ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ শে জুন ( আষাঢ় মাসে ) শ্রীচৈতন্যদেব চিরতরে অন্তর্হিত হয়ে যান । হিন্দুধর্মের এক দুর্যোগপূর্ণ সময়ে শ্রীচৈতন্য দেবের আবির্ভাব হয়েছিলো । তিনি সেই সময় প্রচার করেন— “ ঈশ্বরের আরাধনায় সকলের সমান অধিকার । প্রাণে ভক্তি নিয়ে ঈশ্বরকে ডাকলে তাকে পাওয়া যায় । ভক্তিতেই মুক্তি । ” 


শুভ জন্মদিন শ্রদ্ধাঞ্জলি। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ।‌ একজন বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ। Dt -26.11.2024. Vol -1059. Tuesday. The blogger post in literary e magazine.

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়   (২৬ নভেম্বর ১৮৯০ — ২৯ মে ১৯৭৭)  একজন বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ.  মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্...